মুহাম্মদ নুরুল হক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

মুহাম্মদ নুরুল হক ছিলেন একজন বাংলাদেশী সাংস্কৃতিক কর্মী, সমাজকর্মী এবং লেখক

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসায় অধ্যয়নকালে তার নিজস্ব ম্যাগাজিন অভিযান শুরু করেছিলেন। তিনি সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। তিনি ৪৮ বছর ধরে সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের অফিসিয়াল পত্রিকা আল-ইসলাহ সম্পাদনা করেন। তিনি ছিলেন একজন মুসলিম জাতীয়তাবাদী, যিনি পাকিস্তান আন্দোলনকে সমর্থন করেছিলেন। তিনি ১৯৪৭ সালের জুলাইয়ে সিলেট গণভোটের আয়োজন করেছিলেন যা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে সিলেট ভবিষ্যতের পাকিস্তান বা ভারতের রাজ্যে যোগ দেবে কিনা। তিনি বাংলা ভাষা আন্দোলনকে সমর্থন করেছিলেন এবং বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে লিখেছিলেন। ১৯৬৩ সালের ১৯ আগস্ট তিনি পাকিস্তান সরকার তমঘা-ই-খিদমতে ভূষিত হন। ১৯৭১ সালে, তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সূত্রপাতের পরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সমর্থন করেছিলেন এবং তার তমঘা-ই-খিদমত পুরষ্কারের নিন্দা করেছিলেন। জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র বাংলা সাহিত্যে তার অবদানের জন্য তাকে স্বর্ণপদক প্রদান করেন। ১৯৮৬ সালে, তাকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার দেওয়া হয়।[১]

বই[সম্পাদনা]

  • সংবাদ-পত্র সেবাই সিলেটার মুসালমান (১৯৬৯)
  • শেষ নবীর বাণী (১৯৭০)
  • অলোক স্তম্ভ (১৯৮০)
  • বিগত যুগের আর্দশ (১৯৮১)
  • হযরত শায়খ জালাল মুজরাদার শিশ্যগন (১৯৮১)

মৃত্যু[সম্পাদনা]

২ই সেপ্টেম্বর ১৯৮৭ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. রুবি, রোকেয়া খাতুন। "Haque, Muhammad Nurul2"en.banglapedia.org। বাংলাপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৯