মোহাম্মদ নুরুল হক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মোহাম্মদ নুরুল হক
পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য
কাজের মেয়াদ
১৯৭০ – ১৯৭১
মেহেরপুর-২ আসনের সাবেক সাংসদ
কাজের মেয়াদ
১৯৮৬ – ১৯৮৮
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম১ আগস্ট ১৯১৫
মোহাম্মদপুর গ্রাম, গাংনী, মেহেরপুর, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত
(বর্তমান বাংলাদেশ)
মৃত্যু২৭ আগস্ট ১৯৯৮
মোহাম্মদপুর গ্রাম, গাংনী, মেহেরপুর
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
প্রাক্তন শিক্ষার্থীমেহেরপুর উচ্চবিদ্যালয়,
পাবনা এ্যাডওয়ার্ড কলেজ
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
জীবিকারাজনীতিবিদ

মোহাম্মদ নুরুল হক (১ আগস্ট ১৯১৫-২৭ আগস্ট ১৯৯৮) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ, পাকিস্তান, ব্রিটিশ ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। তিনি ১৯৭০ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ও ১৯৮৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।[১]

জন্ম ও প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

মোহাম্মদ নুরুল হক ১ আগস্ট ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির (বর্তমান বাংলাদেশ) মেহেরপুরের গাংনীর মোহাম্মদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মুজিব উদ্দীন বিশ্বাস ও মাতা মোছাঃ জিউজান নেসা। তিনি ১৯৩১ সালে মেহেরপুর উচ্চবিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাশ করে পাবনা এ্যাডওয়ার্ড কলেজ থেকে ১৯৩৩ সালে বিজ্ঞান বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পূর্ণ করেন। তার পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৪৫ সালে বিএ পাশ করেন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

মোহাম্মদ নুরুল হক কলকাতা ফোর্ট উইলিয়াম ডাক বিভাগে চাকুরী গ্রহণের মাধ্যমে কর্ম জীবন শুরু করেন। ১৯৪৩ সালে চাকুরী থেকে পদত্যাগ করে সামরিক বাহিনীতে যোগদেন। ভারতের সেন্ট্রাল প্রদেশের কাটনী সেন্টার হতে ৯ মাসের দুরহ অফিসার ট্রেনিং সম্পন্ন করে কমিশন প্রাপ্ত পফিসার পদে যোগদান করে পরে ব্রিটিশ ভারতের নিউ দিল্লী, পুনে, লক্ষ্ণৌ, বোম্বে, জব্বলপুর, লাহোর সহ বিভিন্ন ডিপোতে কাজ করেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর তিনি পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত হন। একই বছরের ডিসেম্বর মাসে সামরিক বাহিনী থেকে পদত্যাগ করে নিজ এলাকায় হাজী ভরস উদ্দীন ইনষ্টিটিউশন নামক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে ৩৫ বছর প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭০ সালে পাকিস্তান সাধারন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং পরে ১৯৮৬ সালে পুনরায় একই দলের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[২]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

মোহাম্মদ নুরুল হক ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ৫ কন্যা ও ১ পুত্র সন্তানের জনক।

মৃত্যু[সম্পাদনা]

হক ২৭ আগস্ট ১৯৯৮ সালে মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "মেহেরপুর জেলার প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ২০১৯-১১-৩০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-৩০ 
  2. "৩য় জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (PDF)জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা।