বিষয়বস্তুতে চলুন

মু'তার যুদ্ধ

(মুতার যুদ্ধ থেকে পুনর্নির্দেশিত)
মু'তার যুদ্ধ
غَزْوَة مُؤْتَة
مَعْرَكَة مُؤْتَة
আরব–বাইজেন্টাইন যুদ্ধাবলিরের অংশ অংশ

মুসলিম সেনানায়ক জায়দ ইবন হারিসা, জাফর ইবন আবি তালিবআবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা-এর কবর, যা মু'তা, জর্ডান সংলগ্ন আল-মাজার এলাকায় অবস্থিত
তারিখসেপ্টেম্বর ৬২৯[]
অবস্থান৩১°২′ উত্তর ৩৫°৪২′ পূর্ব / ৩১.০৩৩° উত্তর ৩৫.৭০০° পূর্ব / 31.033; 35.700
ফলাফল মুসলিমদের বিজয়[][][]
বিবাদমান পক্ষ
মুসলিম আরবরা বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য
ঘাসানিদগণ
সেনাধিপতি ও নেতৃত্ব প্রদানকারী
জায়দ ইবন হারিসা 
জাফর ইবন আবি তালিব 
আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা 
খালিদ ইবন আল-ওয়ালিদ
থিওডোর
মালিক ইবন জাফিলা 
শক্তি
আনু.3,000[] আনু.10,000[][]
হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি
১২ জন (বিতর্কিত)[১১][১২] অথবা গুরুতর ক্ষতি[১৩] অজানা
মু'তার যুদ্ধ জর্ডান-এ অবস্থিত
মু'তার যুদ্ধ
জর্ডান-এ অবস্থান
৬২৯ খ্রিস্টাব্দে মু'তা যুদ্ধের কৌশলগত মানচিত্র, বর্তমান জর্ডানের নিকট সংঘটিত

মু'তার যুদ্ধ (আরবি: مَعْرَكَة مُؤْتَة, অথবা আরবি: غَزْوَة مُؤْتَة Ghazwat Muʿtah) সংঘটিত হয় ৬২৯ খ্রিস্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে (১ জুমাদাল আউয়াল, ৮ হিজরি)।[] এ যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বাহিনী এবং বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ও তাদের মিত্র ঘাসানিদদের বাহিনীর মধ্যে।

এই যুদ্ধের স্থান ছিল প্যালেস্টিনা সালুটারিস অঞ্চলের মু'তা গ্রামে, যা জর্ডান নদীর পূর্বে এবং বর্তমান কারাক শহরের নিকটবর্তী।

ইসলামি ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী, এই যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল এক ঘাসানিদ নেতা কর্তৃক এক মুসলিম দূতকে হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া। অপরদিকে, বাইজেন্টাইন সূত্রে বলা হয়, মুসলমানরা একটি ধর্মীয় উৎসবের দিনে হামলার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু স্থানীয় বাইজেন্টাইন ভিকারিয়াস এ পরিকল্পনা জেনে ফেলেন এবং বিভিন্ন দুর্গ থেকে সৈন্য একত্র করেন। শত্রু বাহিনীর বিশাল সংখ্যা দেখে মুসলিম বাহিনী দক্ষিণে সরে আসে। পরে মু'তা গ্রামে যুদ্ধ শুরু হয়। সেই যুদ্ধে মুসলমানরা পরাজিত হয়েছিল অথবা মূল লক্ষ্য অর্জন না করেই পিছু হটে গিয়েছিল।[১৪][][]

ইসলামি সূত্রে বলা হয়, যুদ্ধ চলাকালীন মুসলিম বাহিনীর তিনজন সেনানায়ক শহিদ হন। এরপর খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ নেতৃত্ব গ্রহণ করেন এবং অবশিষ্ট সৈন্যদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন।[]

এই যুদ্ধের তিন বছর পর, মুসলমানরা উসামা ইবন যায়েদ অভিযানে বাইজেন্টাইন বাহিনীর বিরুদ্ধে পুনরায় অভিযান পরিচালনা করে এবং বিজয় অর্জন করে।

পটভূমি

[সম্পাদনা]

৬২৯ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে সম্রাট হেরাক্লিয়াসসাসানিদ সেনাপতি শাহরবারাজের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের পর, বাইজেন্টাইনরা পুনরায় বিভিন্ন এলাকা দখল করতে শুরু করে।[১৫] বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের সাকেল্লারিওস থিওডোরকে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে নিয়োগ করা হয়। তিনি যখন বালকায় অবস্থান করছিলেন, তখন আরব গোত্রগুলোকেও সৈন্য হিসেবে নিয়োগ করা হয়।[১৫]

এই সময়েই, মুহাম্মদ (সা.) বুসরা-এর শাসকের কাছে এক দূত প্রেরণ করেন।[১৬] কিন্তু সেই দূত মু'তা গ্রামের পথে থাকাকালীন ঘাসানিদ কর্মকর্তা শুরাহবিল ইবন আমর-এর আদেশে নিহত হন।[১৬]

সেনাবাহিনীর প্রস্তুতি

[সম্পাদনা]

এই ঘটনার প্রতিশোধ নিতে, মুহাম্মদ (সা.) ৬২৯ খ্রিস্টাব্দে (৭ হিজরি, জুমাদাল আউয়াল মাসে) ৩,০০০ সৈন্য প্রেরণ করেন।[১৬] বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন যায়েদ ইবনে হারেসা, তার পরপরই দায়িত্বে ছিলেন জাফর ইবন আবি তালিব, এবং তৃতীয় কমান্ডার ছিলেন আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা[১৭]

মুসলিম বাহিনী যখন জর্ডান নদীর পূর্বাঞ্চলে পৌঁছে বাইজেন্টাইন বাহিনীর সংখ্যার কথা জানতে পারে, তখন তারা মদিনা থেকে সাহায্য পাঠানোর অনুরোধ করে অপেক্ষা করতে চায়। কিন্তু আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা তাদের স্মরণ করিয়ে দেন, তারা শহিদ হওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে এসেছে; এমন সুযোগ যখন সামনে, তখন পিছিয়ে পড়ার কোনো মানে হয় না। ফলে তারা অগ্রসর হয়।

যুদ্ধ

[সম্পাদনা]

প্রথমে মুসলিম বাহিনী বাইজেন্টাইনদের মুশারিফ গ্রামের শিবিরে আক্রমণ করে। এরপর তারা মু'তার দিকে সরে যায়, এবং সেখানেই মূল যুদ্ধ সংঘটিত হয়। কিছু মুসলিম সূত্র অনুযায়ী, যুদ্ধটি দুই পাহাড়ের মাঝের উপত্যকায় হয়, ফলে বাইজেন্টাইনদের সংখ্যাগত সুবিধা কাজে লাগেনি।

যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর তিন নেতা একে একে শহিদ হন—প্রথমে জায়দ, এরপর জাফর, শেষে আবদুল্লাহ। অপরদিকে, আরব অনুগত বাহিনীর নেতা মালিক ইবন জাফিলাও নিহত হন।[]

আবদুল্লাহর মৃত্যুর পর মুসলিম সেনারা ছত্রভঙ্গ হওয়ার মুখে পড়ে। তখন থাবিত ইবন আকরাম পতাকা তুলে নিয়ে সৈন্যদের সংগঠিত করেন এবং সেনাবাহিনীকে সম্পূর্ণ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেন। যুদ্ধশেষে তিনি খালিদ ইবন আল-ওয়ালিদকে নেতৃত্ব গ্রহণ করতে বলেন।[১৮]

মুসলিম ক্ষয়ক্ষতি

[সম্পাদনা]

যুদ্ধে নিহত মুসলমানদের মধ্যে চারজন ছিলেন মুহাজির (মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতকারী প্রারম্ভিক মুসলিম), এবং আটজন ছিলেন আনসার (মদিনার স্থানীয় প্রারম্ভিক মুসলিম)। ঐতিহাসিক সূত্রে যাঁদের নাম পাওয়া যায়, তাঁরা হলেন: যায়েদ ইবনে হারিসা, জাফর ইবন আবি তালিব, আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা, মাসউদ ইবন আল-আসওয়াদ, ওহব ইবন সা’দ, আব্বাদ ইবন কায়েস, আমর ইবন সা’দ, হারিস ইবন নুয়মান, সুরাকা ইবন আমর, আবু কুলাইব ইবন আমর, জাবির ইবন আমর ও আমির ইবন সা’দ।

ব্রিগহ্যাম ইয়াং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি অধ্যয়নের অধ্যাপক ড্যানিয়েল সি. পিটারসন মন্তব্য করেছেন, সাধারণ সৈন্যদের তুলনায় নেতাদের মধ্যে হতাহতের অনুপাত সন্দেহজনকভাবে বেশি।[১১] কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডেভিড পাওয়ার্স-ও মুসলিম ঐতিহাসিকদের নিকৃষ্টসংখ্যক হতাহতের তথ্য নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন।[১২] মন্টগোমারি ওয়াট মনে করেন, যদি যুদ্ধটি ছোটখাটো সংঘর্ষ (skirmish) হয়ে থাকে অথবা মুসলমানরা শত্রুপক্ষকে ছত্রভঙ্গ করতে সক্ষম হয়ে থাকে, তাহলে হতাহতের সংখ্যা কম হওয়াটা সম্ভব।[১৪] তিনি আরও বলেন, আরবদের যুদ্ধ কৌশল বিবেচনায় নেতাদের বেশি ক্ষয়ক্ষতি হওয়া অসম্ভব নয়।[১৯]

পরিণতি

[সম্পাদনা]

যখন মুসলিম বাহিনী মদিনায় ফিরে আসে, তখন তাদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয় এবং পালিয়ে আসার অভিযোগও ওঠে।[২০] আবু জাহলের ভাই সালামা ইবন হিশাম মসজিদে না গিয়ে ঘরে নামাজ পড়তেন, যাতে তাকে কোনো ব্যাখ্যা দিতে না হয়। এই অবস্থায় মুহাম্মদ (সা.) সবাইকে থামতে বলেন এবং ঘোষণা করেন, তারা আবার বাইজেন্টাইনদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাবে।[২০]

ওয়াটের মতে, এই ধরনের বর্ণনাগুলো অনেকাংশে খালিদের পিছু হটার সিদ্ধান্তকে নেতিবাচকভাবে চিত্রিত করতে এবং কোনো পরিবারের সদস্যদের বীরত্ব বাড়িয়ে দেখানোর উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল।[১৪] তৃতীয় হিজরি শতাব্দী পর্যন্ত কোনো সুন্নি মুসলিম ইতিহাসকার লিখে যাননি যে, মুহাম্মদ (সা.) খালিদকে “সাইফুল্লাহ” (আল্লাহর তরবারি) উপাধি দিয়েছিলেন।[১২]

আজ মুসলিমদের মধ্যে মু'তা যুদ্ধে নিহতদের শহিদ (শুহাদা) হিসেবে গণ্য করা হয়। পরবর্তীতে মু'তায় তাঁদের কবরের উপর একটি মাজার নির্মাণ করা হয়।[]

মু'তার দ্বিতীয় যুদ্ধ

[সম্পাদনা]

৬৩২ খ্রিস্টাব্দের জুন মাসে উসামা ইবনে যায়িদ বাইজেন্টাইন শাসিত সিরিয়ার বিরুদ্ধে একটি সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন। এটি মু'তা যুদ্ধে নিহতদের, বিশেষ করে তার পিতা এবং মুহাম্মদ (সা.)-এর দত্তক পুত্র যায়েদের প্রতিশোধ নেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়। এই অভিযানের আদেশ মুহাম্মদ (সা.) বিদায় হজ শেষে দিয়েছিলেন এবং তিনি উসামাকে বালকা অঞ্চলে আক্রমণের জন্য সেনাপ্রধান হিসেবে নিযুক্ত করেন।

উসামার এই অভিযান সফল হয়। তাঁর বাহিনী ছিল প্রথম মুসলিম বাহিনী যারা বাইজেন্টাইন ভূখণ্ডে প্রবেশ করে। এর মাধ্যমে পরবর্তীতে লেভান্ত বিজয় এবং মিসর বিজয়-এর পথ সুগম হয়।

ইতিহাস-লিপি

[সম্পাদনা]
মু'তা যুদ্ধের স্থানের নিকটবর্তী প্রত্নতাত্ত্বিক অবশিষ্টাংশ

আল-ওয়াকিদি (মৃ. ৮২৩) ও ইবন ইসহাক (মৃ. ৭৬৭)-এর বর্ণনায়, মুসলমানরা জানতে পারেন যে বালকা অঞ্চলে ১ লক্ষ[] বা ২ লক্ষ[] শত্রু সৈন্যের ছাউনির অবস্থান ছিল।[][২১] অনেক আধুনিক ঐতিহাসিক মনে করেন, এই সংখ্যাগুলো অত্যন্ত অতিরঞ্জিত।[][১০][] শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইজেন্টাইন ইতিহাসের অধ্যাপক ওয়াল্টার এমিল কায়েগির মতে, সপ্তম শতকে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের সমগ্র সেনাবাহিনীর সম্ভাব্য সর্বোচ্চ সংখ্যা হতে পারে ১ লক্ষ, এমনকি এর অর্ধেকও হতে পারে।[২২] মু'তা যুদ্ধে বাইজেন্টাইন বাহিনী সম্ভবত ১০,০০০ জনের বেশি ছিল না।[][] মন্টগোমারি ওয়াট মনে করেন, বাইজেন্টাইন বাহিনীর সংখ্যা ৩,০০০ থেকে ২০,০০০ এর মধ্যে হতে পারে, তবে মুসলমানরা সম্পূর্ণ বাহিনীর মুখোমুখি হয়েছে—এমনটা সম্ভাব্য নয়।[১৪]

মুসলিম সূত্রগুলিতে যুদ্ধের ফলাফলের ভিন্নতা দেখা যায়।[১২] ডেভিড পাওয়ার্সের মতে, প্রারম্ভিক মুসলিম ঐতিহাসিক যেমন আল-ওয়াকিদি এই যুদ্ধে মুসলমানদের পরাজয় (হাযিমা) হিসেবে উল্লেখ করেছেন।[১২] পাওয়ার্স ধারণা করেন, পরবর্তীকালে মুসলিম ইতিহাসবিদরা এই সূত্রগুলো ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে পুনর্লিখন করেন, যেন তা আল্লাহর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে উপস্থাপিত হয়।[১২] পরবর্তী সূত্রগুলো যুদ্ধকে মুসলমানদের বিজয় হিসেবে তুলে ধরে, যেহেতু অধিকাংশ সৈন্য নিরাপদে ফিরে আসে।[১২]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

টীকাসমূহ

[সম্পাদনা]
  1. প্রারম্ভিক সূত্রসমূহে বাইজেন্টাইন বাহিনীর সংখ্যা আনু.100,000 বলে দাবি করা হয়েছে আল-ওয়াকিদি অনুসারে[], অথবা আনু.200,000 বলা হয়েছে ইবন ইসহাক অনুসারে[] — যদিও এই সংখ্যা অতিরঞ্জিত বলে বিবেচিত।[][১০][]
  2. মু'তা যুদ্ধে বাইজেন্টাইন বাহিনীতে গ্রিক, আর্মেনীয় বা অন্যান্য অ-আরব সৈন্যদের উপস্থিতি তেমন ছিল না, যদিও সর্বমোট বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন ভিকারিয়াস থিওডোর। বাইজেন্টাইনরা প্রকৃতপক্ষে কত সৈন্য জড়ো করেছিল তা অনিশ্চিত, তবে ১০,০০০ ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।[]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 Kaegi 1992, পৃ. 72।
  2. 1 2 Kaegi 1992, পৃ. 67।
  3. Donner 1981, পৃ. 105।
  4. 1 2 3 4 5 6 Buhl 1993, পৃ. 756-757।
  5. Powers 2009, পৃ. 86।
  6. 1 2 3 Kaegi 1992, পৃ. 79।
  7. 1 2 3 Gil, Moshe (২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৭)। A History of Palestine, 634-1099। Cambridge University Press। পৃ. ২৩আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-৫৯৯৮৪-৯
  8. 1 2 3 Ibn Ishaq (২০০৪)। The Life of Muhammad। A. Guillaume (trans.)। Oxford University Press, USA। পৃ. ৫৩২, ৫৩৬। আইএসবিএন ০-১৯-৬৩৬০৩৩-১They went on their way as far as Ma'ān in Syria where they heard that Heraclius had come down to Ma'āb in the Balqāʾ with 100,000 Greeks joined by 100,000 men from Lakhm and Judhām and al-Qayn and Bahrāʾ and Balī commanded by a man of Balī of Irāsha called Mālik b. Zāfila. (p. 232) Quṭba b. Qatāda al-'Udhrī who was over the right wing had attacked Mālik b. Zāfila (Ṭ. leader of the mixed Arabs) and killed him, (p. 236)
  9. 1 2 Haldon 2010, পৃ. 188।
  10. 1 2 Peters 1994, পৃ. 231।
  11. 1 2 Peterson 2007, পৃ. 142।
  12. 1 2 3 4 5 6 7 Powers 2009, পৃ. 80।
  13. Bolshakov (2002), পৃ. 144।
  14. 1 2 3 4 Watt 1956, পৃ. 54।
  15. 1 2 Kaegi 1992, পৃ. 72-73।
  16. 1 2 3 El Hareir ও M'Baye 2011, পৃ. 142।
  17. Powers 2014, পৃ. 58-59।
  18. Jafar al-Tayyar, Al-Islam.org
  19. Watt 1956, পৃ. 55।
  20. 1 2 Powers 2009, পৃ. 81।
  21. Haykal 1976, পৃ. 419।
  22. Kaegi 2010, পৃ. 99।

গ্রন্থপুঞ্জি

[সম্পাদনা]