মহিবুল হক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মহিবুল হক
জন্ম
জাতীয়তাবাংলাদেশি
পেশাসরকারি কর্মকর্তা
কার্যকাল১৯৮৮-বর্তমান
পরিচিতির কারণসচিব, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়

মহিবুল হক হলেন একজন বাংলাদেশি সরকারি কর্মকর্তা যিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বর্তমান সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।[১][২][৩] সচিব হিসেবে তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী বা প্রশাসনিক কর্মকর্তা যিনি মন্ত্রণালয়ের আধিভূক্ত সকল সংস্থা ও দপ্তরের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছেন। একইসাথে তিনি বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডেরও বর্তমান চেয়ারম্যান।[৪]

শিক্ষাজীবন[সম্পাদনা]

মহিবুল হক বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার লখপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবনের শুরুতে তিনি খুলনা সরকারী ল্যাবরেটরী স্কুলে মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন এবং বি এল কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। পরবর্তীতে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।[১]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

কর্মজীবনের মহিবুল হক ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৮৮ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি প্রশাসন ক্যাডার বিষয়শ্রেণীতে রাজশাহীতে সহকারী কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন।[১] পরবর্তীতে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় তিনি সহকারী কমিশনার, ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট,নেজারত ডেপুটি কালেক্টর, ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং যশোরঢাকা জেলার, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[১]

পরবর্তীতে তিনি ক্রমান্বয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যুগ্মসচিব ও অতিরিক্ত সচিব হিসেবে পদোন্নতি পান এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সুরক্ষা সেবা বিভাগে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন।[৫] সর্বশেষ ২০১৮ সালের ১৬ই এপ্রিল বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে সচিব হিসেবে যোগদান করেন।[১]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

মহিবুল হক ব্যক্তিগত জীবনে সৈয়দা আফরোজা বেগমের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। আফরোজা বেগম বাংলাদেশের প্রশাসন ক্যাডারের একজন কর্মকতা ছিলেন।[১] এই দম্পত্তির একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।[১]

সম্মাননা ও অন্যান্য[সম্পাদনা]

২০১০ সালে শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে স্বর্ণপদক লাভ করেন।[১] যশোরের জেলার জেলা প্রশাসক থাকাবস্থায় তিনি যশোর কালেক্টরেট স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।[৬] সমাজের কল্যাণে অবদান রাখার জন্য ২০১১ সালে মাদার তেরেসা রিসার্চ কাউন্সিল কর্তৃক ‘মাদার তেরেসা স্বর্ণপদক’ লাভ করেন।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]