মরিস অলম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মরিস অলম
মরিস অলম.jpg
আনুমানিক ১৯৪৫ সালের সংগৃহীত স্থিরচিত্রে মরিস অলম
ব্যক্তিগত তথ্য
জন্ম(১৯০৬-০৩-২৩)২৩ মার্চ ১৯০৬
মৃত্যু৮ এপ্রিল ১৯৯৫(1995-04-08) (বয়স ৮৯)
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম ফাস্ট
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ২৪৬)
১০ জানুয়ারি ১৯৩০ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ টেস্ট১৬ জানুয়ারি ১৯৩১ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ১৭৯
রানের সংখ্যা ১৪ ১৯৫৩
ব্যাটিং গড় ১৪.০০ ১২.৮৪
১০০/৫০ -/- -/৫
সর্বোচ্চ রান ৮* ৬৪
বল করেছে ৮১৭ ৩৪১৩৩
উইকেট ১৪ ৬০৫
বোলিং গড় ১৮.৯২ ২৩.৬২
ইনিংসে ৫ উইকেট ৩০
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং ৫/৩৮ ৯/৫৫
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং -/- ৮৩/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৯ মার্চ ২০১৬

মরিস জেমস কারিক অলম (ইংরেজি: Maurice Allom; জন্ম: ২৩ মার্চ, ১৯০৬ - মৃত্যু: ৮ এপ্রিল, ১৯৯৬) মিডলসেক্সের নর্থউড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। ১৯৩০ থেকে ১৯৩১ সালের মধ্যে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। দলে তিনি মূলতঃ বোলার ছিলেন। ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নীচেরসারিতে ব্যাটিং করতেন তিনি। কাউন্টি ক্রিকেটে সারে দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন মরিস অলম[১]

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

১৯২৮ থেকে ১৯৩৭ সময়কালে মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।[২][৩] এ সময়ে তিনি এমসিসি দলের সদস্যরূপে ১৯২৯-৩০ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড এবং ১৯৩০-৩১ মৌসুমে দক্ষিণ আফ্রিকা গমন করেন।

১৯৭৬ সালে নিউজিল্যান্ডীয় পিটার পেথেরিক ও ১৯৯৪ সালে অস্ট্রেলীয় ড্যামিয়েন ফ্লেমিংয়ের পূর্বে তিনিই প্রথম টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে অভিষেকেই হ্যাট্রিক করেছিলেন।[৪] ১০ জানুয়ারি, ১৯৩০ তারিখে ক্রাইস্টচার্চের ল্যাঙ্কাস্টার পার্কে অনুষ্ঠিত টেস্টে তিনি টম লরি, কেন জেমস এবং টেড বেডককের উইকেট পেয়েছিলেন।[৫] ঐ টেস্টে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে প্রথম পাঁচ বলেই চার উইকেট দখল করেন তিনি। পরবর্তীকালে অবশ্য ওয়াসিম আকরাম এবং ক্রিস ওল্ড এ কৃতিত্বের দাবীদার হয়েছিলেন। প্রথম ইনিংসে তার বোলিং পরিসংখ্যান ছিল ৫/৩৮।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

দলীয় সঙ্গী মরিস টার্নবুলকে সাথে নিয়ে ১৯৩০ সালে ‘দ্য বুক অব টু মরিসেস’ ও ১৯৩১ সালে ‘দ্য টু মরিসেস এগেইন’ শিরোনামীয় গ্রন্থ রচনা করেছিলেন। পুস্তক দুইটিতে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা সফরকে ঘিরে তাঁদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। ১৯৭০ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত এক সময়ের প্রতিনিধিত্বকারী ক্লাব সারের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এছাড়াও, ১৯৬৯ থেকে ১৯৭০ মেয়াদে মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

তার সন্তান অ্যান্থনি অলম সারে দলের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলেছেন ও ক্রিকেটে ৬ ফুট ১০ ইঞ্চি উচ্চতা নিয়ে অন্যতম লম্বাটে খেলোয়াড়ের মর্যাদা পেয়েছেন।[৬][৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Surrey players". CricketArchive. Retrieved 10 August, 2017.
  2. ACS (১৯৮২)। A Guide to First-Class Cricket Matches Played in the British Isles। Nottingham: ACS। 
  3. "Marylebone Cricket Club Players"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১৭ 
  4. "Record / Test matches / Bowling record / Hat-tricks"। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১২ 
  5. "England tour of New Zealand, 1929/30 – 1st Test"। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৪ জানুয়ারি ২০১৩ 
  6. David Frith। "Maurice Allom"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৩-২৩ 
  7. "Anthony Allom"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৩-২৩ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]