মঞ্জু ওয়ারিয়ার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মঞ্জু ওয়ারিয়ার
Manju Warrier in KLF 2018.jpg
২০১৮ সালে কেএলএফ-এর অনুষ্ঠানে মঞ্জু
জন্ম (1978-09-10) ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ (বয়স ৪২)
নাগরকোবিল, তামিলনাড়ু, ভারত
মাতৃশিক্ষায়তনকন্নুর বিশ্ববিদ্যালয়
পেশাঅভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী, গায়িকা
কর্মজীবন১৯৯৫-১৯৯৯; ২০১৪-বর্তমান
দাম্পত্য সঙ্গীদিলীপ
(বি. ১৯৯৮; বিচ্ছেদ. ২০১৫)
সন্তান
আত্মীয়মধু ওয়ারিয়ার (ভাই)

মঞ্জু ওয়ারিয়ার (জন্ম: ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮) হলেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী। তিনি মূলত মালয়ালম চলচ্চিত্রে অভিনয় করে থাকেন। তিনি মালয়ালম চলচ্চিত্রের অন্যতম সফল প্রধান অভিনেত্রী এবং তাকে মালয়ালম চলচ্চিত্রের সুপারস্টার হিসেবে অভিহিত করা হয়।[১][২]

তার চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে ১৭ বছর বয়সে সক্ষম (১৯৯৫) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলি হল তুবল কোট্টারম (১৯৯৬), সল্লাপম (১৯৯৬), এ পুজায়ুম কাডান্নু (১৯৯৬), কৃষ্ণগুডিইল ওরু প্রণয়কালাতু (১৯৯৭), প্রণয়বর্নাঙ্গল (১৯৯৮), কন্মদম (১৯৯৮), সামার ইন বেথলহেম (১৯৯৮), পত্রম (১৯৯৯), কান্নেজুতি পোট্টুম তোট্টু (১৯৯৯), হাউ ওল্ড আর ইউ? (২০১৪), সি/ও সায়রা বানু (২০১৭), উদাহরণম সুজাতা (২০১৭), আমি (২০১৮), ওড়িয়ান (২০১৮), লুসিফার (২০১৯), ও অসুরন (২০১৯)। ওয়ারিয়ার কান্নেজুতি পোট্টুম তোট্টু চলচ্চিত্রে ভদ্রা চরিত্রে অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের বিশেষ উল্লেখ পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া তিনি এ পুজায়ুম কাডান্নু চলচ্চিত্রে অঞ্জলি চরিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে কেরল রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন এবং শ্রেষ্ঠ মালয়ালম অভিনেত্রী বিভাগে ছয়টি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার দক্ষিণ অর্জন করেন, যা এই বিভাগে সর্বাধিক বিজয়।[৩]

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

মঞ্জু ওয়ারিয়ার ১৯৭৮ সালের ১০ই সেপ্টেম্বর তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারী জেলার নাগরকোবিলে জন্মগ্রহণ করেন।[৪][৫] তার পিতা মাধবন ওয়ারিয়ার সুন্দরম ফাইন্যান্সের নাগরকোবিল আঞ্চলিক দপ্তরের হিসাবরক্ষক।[৬] তিনি নাগরকোবিলের ডুদি বালিকা বিদ্যালয়ে তার প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। তার পিতার পদোন্নতির পর তারা কেরলে চলে যান এবং কন্নুরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তিনি কন্নুরের চিন্ময় বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন এবং পরে চোবা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন।[৭] এরপর তিনি কন্নুরের শ্রী নারায়ণ কলেজ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। মঞ্জুর বড় ভাই মধু ওয়ারিয়ার একজন অভিনেতা ও প্রযোজক।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৯৯৫ সালে ১৭ বছর বয়সে সক্ষম চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তার চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে। পরের বছর তিনি তার ভবিষ্যৎ স্বামী দিলীপের বিপরীতে সল্লাপম (১৯৯৬) চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এই বছর তিনি এ পুজায়ুম কাডান্নু চলচ্চিত্রে অঞ্জলি চরিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে কেরল রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। চলচ্চিত্রটি মোট তিনটি কেরল রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে। এছাড়া মঞ্জু এই চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ মালয়ালম অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার দক্ষিণ অর্জন করেন।[৮] পরের বছর তিনি কলিয়াট্টমআরাম তাম্পুরন চলচ্চিত্রে অভিনয় করে টানা দ্বিতীয় বারের মত শ্রেষ্ঠ মালয়ালম অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার দক্ষিণ অর্জন করেন।[৯] কন্মদম (১৯৯৮) চলচ্চিত্রে তিনি মোহনলালের বিপরীতে ভানুমতি নামে একজন বদমেজাজি কামারের চরিত্রে অভিনয় করেন। এতে অভিনয় করে তিনি তার তৃতীয় শ্রেষ্ঠ মালয়ালম অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার দক্ষিণ লাভ করেন। একই বছর দয়া (১৯৯৮) চলচ্চিত্রে তাকে একজন ছদ্মবেশী পুরুষের চরিত্রে দেখা যায়। পত্রম (১৯৯৯) চলচ্চিত্রে তার অভিনীত প্রবল আত্মবিশ্বাসী দেবিকা চরিত্রটি দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করে। এই কাজের জন্য তিনি টানা চতুর্থবারের মত শ্রেষ্ঠ মালয়ালম অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার দক্ষিণ লাভ করেন।[৩] অভিনয় থেকে দীর্ঘ বিরতি নেওয়ার পূর্বে তার অভিনীত শেষ চলচ্চিত্র ছিল কান্নেজুতি পোট্টুম তোট্টু (১৯৯৯)। এই চলচ্চিত্রে ভদ্রা চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে মনোনয়ন লাভ করেন, কিন্তু শাবানা আজমির নিকট হেরে যান, এবং অভিনয়ের জন্য বিশেষ উল্লেখ পুরস্কার লাভ করেন।

২০১০ সালে একটি অনুষ্ঠানে ওয়ারিয়ার

তিনি ২০১৪ সালে রোশান অ্যান্ড্রুজের হাউ ওল্ড আর ইউ? চলচ্চিত্র দিয়ে অভিনয়ে ফিরে আসেন। তিনি এতে কর বিভাগে ইউডি কেরানি নিরুপমা রাজীব চরিত্রে অভিনয় করেন। চলচ্চিত্রটি সমালোচকদের নিকট থেকে ইতিবাচক পর্যালোচনা লাভ করে ও দর্শকেরাও পছন্দ করে এবং কেরল বক্স অফিসে ব্লকবাস্টার হিট তকমা লাভ করে।[১০] ওয়ারিয়ার এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ মালয়ালম অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার দক্ষিণ ও দক্ষিণ ভারতীয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ একাধিক পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া এই চলচ্চিত্র থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি অনেক জৈব কৃষির সম্পর্কিত কর্মের শুভেচ্ছাদূত নিয়োজিত হন। তার পরের চলচ্চিত্র ছিল সত্যন অন্তিকাডের ইন্নুম ইপ্পোজুম, যাতে তিনি ১৭ বছর পর মোহনলালের বিপরীতে অভিনয় করেন।[১১] এরপর তিনি রিমা কলিঙ্গলের সাথে আশিক আবুর রানী পদ্মিনী (২০১৫) চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। চলচ্চিত্রটি এন্ন নিন্ট মোধিনঅমর আকবর অ্যান্টনি চলচ্চিত্রের সাথে প্রতিযোগিতা করে বক্স অফিসে তেমন সুবিধা করতে পারেনি। ২০১৫ সালে তার শেষ চলচ্চিত্র ছিল জো অ্যান্ড দ্য বয়। ২০১৬ সালে তার প্রথম চলচ্চিত্র ছিল রাজেশ পিল্লাইয়ের বেট্টা, এতে তিনি একজন পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেন। চলচ্চিত্রটি বক্স অফিসে সফল হয় এবং ওয়ারিয়ার তার চরিত্রের জন্য একাধিক পুরস্কার ও মনোনয়ন লাভ করেন।[১২]

২০১৯ ওয়ারিয়ারের কর্মজীবনের মাইলফলক বছর। এই বছরে তিনি তিনটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন এবং তিনটি চলচ্চিত্রই ব্যবসায়িক ও সমালোচক দৃষ্টিকোণ থেকে সফল হয়। ২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তার প্রথম চলচ্চিত্র জন পৃথ্বীরাজ সুকুমারনের পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র লুসিফার। এতে তিনি প্রধান চরিত্র মোহনলাল ও পার্শ্ব চরিত্র পৃথ্বীরাজ সুকুমারন, বিবেক ওবেরয়, টোভিনো টমাসইন্দ্রজিৎ সুকুমারনের সাথে অভিনয় করেন। এই চলচ্চিত্রে তার অভিনয় সমালোচক ও দর্শকদের দৃষ্টিতে সাম্প্রতিককালের অন্যতম শক্তিশালী চরিত্র বলে বিবেচিত হয়েছে। সৌম্য রাজেন্দ্রন তার পর্যালোচনায় ওয়ারিয়ার সম্পর্কে মন্তব্য করেন, "মঞ্জু ওয়ারিয়ার খুবই অভিব্যক্তিপূর্ণ চেহারার আশির্বাদপুষ্ট, এবং যখন তিনি বিচলিত হন তার নাসারন্ধ্রের কম্পনও স্পষ্ট দেখা যায়।"[১৩] মঞ্জুষা রাধাকৃষ্ণন গালফ নিউজ-এ তার পর্যালোচনায় লিখেন, "একজন রাজনীতিকের হটাৎ মৃত্যুতে তার শোকার্ত কন্যার চরিত্রে মালয়ালি প্রতিভাধর মঞ্জু ওয়ারিরের কাজ একদম খাঁটি সোনা। উদ্বিগ্ন মা ও স্ত্রী প্রিয়দর্শিনী চরিত্রে ওয়ারিয়ারের কাজ হৃদয়বিদারক। সীমিত সময়েই তিনি ভঙ্গুরতা ও তেজদীপ্তির শিখরে পৌঁছান।"[১৪] ধনুষের বিপরীতে অসুরন চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে তার তামিল চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে। এই বছরের তার তৃতীয় চলচ্চিত্র ছিল প্রতি পুভনকোলি (২০১৯)। এতে তিনি একজন যৌন হামলার শিকার চরিত্রে অভিনয় করে সমাদৃত হন। বারাদ্বজ রঙ্গন তার পর্যালোচনায় লিখেন, "এটি মঞ্জু ওয়ারিয়ারের চলচ্চিত্র। তিনি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই অবিশ্বাস, লজ্জা ও ক্রোধ দেখাবেন। চূড়ান্তভাবে এই ক্রোধ রয়ে যাবে।"[১৫] আন্না এমএম ভেট্টিকাড ছবিটিকে ২.৫/৫ তারকা দিয়ে লিখেন, "এটি ওয়ারিয়ারের পর্দা উপস্থিতি ও অভিনয় এবং উন্নি ও পরিচালক রোশান অ্যান্ড্রুজের নারীদের প্রতি খাঁটি দৃষ্টিভঙ্গির মানদণ্ড, কিছু ভুলত্রুটি সত্ত্বেও প্রতি পুভনকোলি আকর্ষনীয় চলচ্চিত্র।"[১৬] বিশাল মেনন তার পর্যালোচনায় লিখেন, "প্রতি পুভনকোলিঅসুরন আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় আর কেউ মঞ্জু ওয়ারিয়ারের মত ক্রোধের অভিনয় করতে পারবে না।"[১৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. রেঘুনাথ, লীনা গীতা। "How Malayalam cinema's only female superstar got back to work"দ্য ক্যারাভান (ইংরেজি ভাষায়)। ২৯ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০২০ 
  2. "Manju Warrier, Nayanthara, Jyothika: Female stars are marching to a different, but no less successful"ফার্স্টপোস্ট (ইংরেজি ভাষায়)। ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭। ২৮ মে ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০২০ 
  3. "Rahman bags 12th Filmfare award" (ইংরেজি ভাষায়)। Pvv.ntnu.no। ২০ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০২০ 
  4. এন. এম., লক্ষ্মী (২ জুলাই ২০১৮)। "Manju Warrier is not a Keralite by birth, 8 unknown facts about the actress"এশিয়ানেট নিউজ (ইংরেজি ভাষায়)। ১ মে ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০২০ 
  5. "Thank You. But it's not my birthday today: Manju Warrier" (ইংরেজি ভাষায়)। সাইফি। ১ মে ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০২০ 
  6. "Manju embraces the pen, with élan"মনোরমা অনলাইন (ইংরেজি ভাষায়)। ৪ অক্টোবর ২০১৩। ১৩ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০২০ 
  7. "Manju Warrier reveals why she supported Dileep starrer Ramaleela"Asianet News Network Pvt Ltd (ইংরেজি ভাষায়)। এশিয়ানেট নিউজ। ১৫ অক্টোবর ২০১৭। ২৯ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০২০ 
  8. "Filmfare – South Special"। ফিল্মফেয়ার। ৩ নভেম্বর ১৯৯৯। ৩ নভেম্বর ১৯৯৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০২০ 
  9. "45th Annual Filmfare Awards South Best Actresses"। ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭। ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০২০ 
  10. সি, সারিকা (১৮ মে ২০১৪)। "Return of the heroine"দ্য হিন্দু (ইংরেজি ভাষায়)। ৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০২০ 
  11. "Ennum Eppozhum (aka) Enum Epozhum review"বিহাইন্ড উডস (ইংরেজি ভাষায়)। ১১ জুলাই ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০২০ 
  12. "'Vettah': Redefining crime drama"মনোরমা অনলাইন (ইংরেজি ভাষায়)। ১ জুলাই ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০২০ 
  13. রাজেন্দ্রন, সৌম্য (২৮ মার্চ ২০১৯)। "'Lucifer' review: An unabashed fanboy tribute to Mohanlal"দ্য নিউ মিনিট (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুলাই ২০২০ 
  14. "'Lucifer' review: Strictly for Mohanlal fans"গালফ নিউজ (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুলাই ২০২০ 
  15. Baradwaj, Rangan। "'Prathi Poovankozhi' review: A Molested Woman Seeks Revenge In Rosshan Andrews' Powerful 'Prathi Poovankozhi', Aka 'Manjuvinte Prathikaram'"ফিল্ম কম্প্যানিয়ন (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুলাই ২০২০ 
  16. "'Prathi Poovankozhi' film review"ফার্স্ট পোস্ট (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুলাই ২০২০ 
  17. "'Prathi Poovankozhi' film review"ফিল্ম কম্প্যানিয়ন (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুলাই ২০২০ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]