রানী চন্দ্র

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রানী চন্দ্র
রানী চন্দ্র.jpg
জন্ম১৯৪৯
মৃত্যু১২ই অক্টোবর ১৯৭৬ (বয়স ২৭)
মৃত্যুর কারণবিমান দুর্ঘটনা
পিতা-মাতাচন্দ্রন, কান্তিমাথি
আত্মীয়চিপ্পি

রানী চন্দ্র (জন্ম কোচি, কেরল) দক্ষিণ ভারতের একজন মালয়ালম চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ছিলেন। তিনি একাধারে মালয়ালম এবং তামিল উভয় চলচ্চিত্রেই কাজ করেছেন। তিনি ১৯৭২ সালে মিস কেরালা খেতাব জয় করেছিলেন।[১] তিনি বহু যুগান্তকারী চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন, তার মধ্যে কিছু হল নেল্লু (মালয়ালম, ১৯৭৪), ভদ্রকালী (তামিল, ১৯৭৬), সিন্দুরম (মালয়ালম, ১৯৭৬) এবং স্বপ্নদানম (মালয়ালম, ১৯৭৬)। তাঁর নিজস্ব একটি নৃত্য দল ছিল এবং এই দল নিয়ে তিনি বিদেশেও নৃত্য প্রদর্শন করেছেন। ১৯৭৬ সালে একটি বিমান দুর্ঘটনায় ২৭ বছর বয়সে তিনি মারা যান।

পটভূমি[সম্পাদনা]

তিনি ১৯৪৯ সালে ত্রিবাঙ্কুর-কোচিন রাজ্যের (বর্তমানে কেরল) কোচি ফোর্টে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর পিতা ও মাতার নাম যথাক্রমে চন্দ্রন এবং কান্তিমাথি। তাঁর চার বোন ও এক ভাই ছিল।[১] তিনি এর্নাকুলামের সেন্ট থেরেসিস কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি একটি নৃত্য দলের মালিক ছিলেন।[২] তিনি ১৯৭২ সালে মিস কেরালা নির্বাচিত হন।[৩]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

তার প্রথম চলচ্চিত্র অঞ্জুসুন্দরীকাল দর্শকদের দ্বারা ব্যাপকভাবে গৃহীত হয়েছিল। তাঁর অন্যান্য প্রধান চলচ্চিত্রগুলির মধ্যে রয়েছে উলসাভম, কদারুমাসাম, নেল্লু, স্বপ্নদানম, ওঞ্জাল, আলিঙ্গনম, অভিনন্দনম, সিন্দুরম, তিরুমাধুরম, এবং অনুরাগম। তিনি স্বপ্নদানম ছবিতে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জন্য কেরালা রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেছিলেন। তামিল সঙ্গীত প্রধান চলচ্চিত্র ভদ্রকালীর খুব জনপ্রিয় প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন রানী চন্দ্র।

মৃত্যু[সম্পাদনা]

রানী চন্দ্র, তাঁর মা এবং তিন বোন ১৯৭৬ সালে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইনস উড়ান ১৭১ দুর্ঘটনায় নিহত হন।[৪] তাঁরা বোম্বে থেকে ফিরতি ফ্লাইটে ছিলেন, সেই সময় তাঁদের বিমানে আগুন ধরে যায় এবং বিমানটি বিমানবন্দরের কাছে মুখ থুবড়ে পড়ে। বিমানের সব যাত্রী মারা গিয়েছিলেন। তাঁরা মধ্যপ্রাচ্যে একটি নৃত্য অনুষ্ঠান পরিবেশন করে ফিরছিলেন। বোম্বে থেকে চেন্নাইয়ে তাঁদের আগের উড়ানটি প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে আকাশে ওঠার কিছুক্ষণ পরেই বোম্বেতে ফিরে এসেছিল। বিমানের সমস্ত যাত্রীকে পুনরায় বিমানে উঠানো হয়েছিল। নিহতদের মধ্যে তাঁর সঙ্গীত দলের সদস্যরাও ছিলেন।

তাঁর মৃত্যুর কারণে, ভদ্রকালী চলচ্চিত্রের অসমাপ্ত অংশটি তাঁর ডাবল ব্যবহার করে শেষ করা হয়েছিল। রানী চন্দ্রের আগের ফুটেজ ব্যবহার করে চলচ্চিত্রটি শেষ হয়।

পুরস্কার[সম্পাদনা]

কেরালা রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার:

১৯৭৪ - সেরা অভিনেত্রী - স্বপ্নদানম

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. റാണിചന്ദ്ര-നോവിക്കുന്ന ഓര്‍മ്മ
  2. "CiniDiary"। ১৮ মে ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০২২ 
  3. Imprints On Indian Film Screen: Rani Chandra
  4. "Profile of Malayalam Actor Ranichandra" 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:KeralaStateAwardForBestActress