ভূত চতুর্দশী
| ভূত চতুর্দশী | |
|---|---|
| অন্য নাম | নরক চতুর্দশী, রূপ চতুর্দশী, কালি চতুর্দশী |
| ধরন | হিন্দু |
| পালন | প্রার্থনা, ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও পূর্ব পুরুষের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন |
| তারিখ | কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথি |
| সংঘটন | বার্ষিক |
| সম্পর্কিত | ধনতেরাস, দীপাবলি |
ভূত চতুর্দশী হল একটি বার্ষিক হিন্দু উৎসব, যা দীপাবলির পাঁচ দিনব্যাপী উৎসবের দ্বিতীয় দিন। এটি হিন্দু পঞ্জিকার কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।[১] পশ্চিম ও দক্ষিণ ভারতে এই তিথিটি নরক চতুর্দশী নামে পরিচিত। এ ছাড়াও কোথাও কোথাও ছোট দিওয়ালি, রূপ চৌদাস, নরকা চৌদাস, রূপ চতুর্দশী বা নরক পূজা নামেও পরিচিত।[২] এই দিনে চোদ্দশাক খাওয়া এবং চোদ্দ প্রদীপ প্রজ্বলনের রীতি প্রচলিত আছে৷[৩] হিন্দু গ্রন্থ মতে, এই দিনে কৃষ্ণ ও সত্যভামা নরকাসুরকে বধ করেছিলেন।[৪][৫]
উৎসবটিকে কালি চৌদাসও বলা হয়। কালি মানে অন্ধকার ও চৌদস মানে চৌদ্দ তারিখ। এটি কার্তিক কৃষ্ণপক্ষের চান্দ্র মাসের ১৪ তম দিনে পালিত হয়। [৬][৭] ভারতের কিছু অঞ্চলে, কালি চৌদাস হল মহাকালী বা শক্তি উপাসনার নির্ধারিত দিন। কালি চৌদাস হল অলসতা ও মন্দতা দূর করার দিন যা মানুষের জীবনে আলো প্রদান করে। মৃত্যুর দেবতা যমকেও এই দিনে প্রদীপ জ্বালিয়ে পূজা করা হয় যা নরকের যন্ত্রণা থেকে রক্ষা করে বলে বিশ্বাস করা হয়।[৬][৮]

এই তিথিতে চোদ্দ বাতি বা চোদ্দ প্রদীপ প্রজ্বলনও করা হয়৷ মনে করা হয় চতুর্দশ ঊর্ধ্বতন পূর্বপুরুষের উদ্দেশে এই প্রদীপ প্রজ্বলন করা হয়৷ গৃহকোণ পরিষ্কার করে ফুল এবং বিভিন্ন রকমের রঙ্গোলি বা আলপনায় আঁকা হয়৷[৯]
কিংবদন্তি
[সম্পাদনা]দৈত্যরাজ বলী দমন
[সম্পাদনা]দৈত্যরাজ বলী স্বর্গ, মর্ত্য ও পাতাল দখল করলে অসুররা সবার উপর অত্যাচার শুরু করে । বলিকে থামানোর জন্য ভগবান বিষ্ণু বামন অবতারে বলির কাছে তিন পা জমি চাইলেন । দৈত্যরাজ এতে রাজি হলেন । বামন অবতার দুই পা স্বর্গ ও মর্ত্যে দিলেন । এরপর নাভি থেকে বের হওয়া তৃতীয় পা বলির মাথায় দিয়ে তাকে পাতালে পাঠিয়ে দিলেন । নিজের কথা রাখায় ও তাকে চিনেও দান দেয়ায় বামন রূপি বিষ্ণু বলিকে প্রতি বছর পৃথিবীতে পূজা পাওয়ার আশীর্বাদ করলেন । এরপর থেকে কালীপূজার আগের রাতে রাজা বলি পাতাল থেকে পৃথিবীতে পূজা নিতে আসেন। তার সাথে সহস্র ভূত, প্রেতাত্মা এবং অশরীরী এ সময় আসে।[১০]
নরকাসুর বধ
[সম্পাদনা]নরকাসুর নামে এক রাক্ষস ছিল এবং সে পৃথিবীতে মানুষের উপর অত্যাচার করছিল। তিনি ১৬০০০ গোপীকে বন্দী করেছিলেন। তারা সকলেই ভগবান কৃষ্ণের কাছে তাদের সাহায্য করার জন্য এবং রাক্ষসকে হত্যা করার জন্য প্রার্থনা করেছিলেন। নরকাসুর ব্রহ্মার কাছ থেকে একটি বর পেয়েছিলেন যে তিনি কেবল তাঁর মায়ের দ্বারাই নিহত হতে পারেন। তাই ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাঁর স্ত্রী সত্যভামা সহ সমস্ত মেয়েদের উদ্ধার করতে যান। কারণ সত্যভামা পূর্বজন্মে তাঁর মা ছিলেন। চতুর্দশীর এই দিন তারা রাক্ষসকে বধ করে সবাইকে রক্ষা করেছিলেন।[১১][১২]
অন্য মতে চামুণ্ডা রূপে মা কালী এ দিন চৌদ্দখানা ভূতকে সাথে নিয়ে ভক্তের বাড়ি থেকে অশুভ শক্তিকে দূর করতে পৃথিবীতে আসেন।[১৩]
আচার-অনুষ্ঠান
[সম্পাদনা]ভূত চতুর্দশী অনুষ্ঠান সারা ভারত উপমহাদেশ জুড়ে বিভিন্ন উপায়ে পালন করা হয়। এই দিন ভারতের কিছু স্থানে, হনুমানকে নারকেলের বিশেষ নৈবেদ্য সহ চালের গুড়, গুড়, ঘি এবং তিলের বীজ দিয়ে পূজা করা হয়। মাসের তাজা ফসল থেকে ধান পাওয়া যায়। বিশেষ ফুল, তেল এবং চন্দন ব্যবহার করে পূজা অনুষ্ঠিত হয়।[১৪]
এদিন মাথা ধোয়া ও চোখে কাজল প্রয়োগ কালি নজর (দুষ্ট নজর) দূরে রাখে বলে বিশ্বাস করা হয়। কেউ কেউ বলেন, যারা তন্ত্র সাধনায় ব্রতী তারা এই দিন তাদের মন্ত্র শিক্ষা করেন। বিকল্পভাবে, লোকেরা যেখান থেকে এসেছে সেখানে নিবেট স্থানীয়ভাবে নিবেদন করে। অশুভ আত্মাকে তাড়ানোর জন্য এই দেবীকে তাদের কুল দেবী বলা হয়। কিছু পরিবার এই দিন তাদের পূর্বপুরুষদের খাদ্য প্রদান করে। দীপাবলির দ্বিতীয় দিনটি রাজস্থান ও গুজরাটে কালি চৌদাস নামে পরিচিত।[১৫]
এ দিন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা স্বাভাবিকের চেয়ে আগে ঘুম থেকে ওঠে। পুরুষরা স্নানের পূর্বে তাদের শরীরে সুগন্ধি তেল মালিশ করে।[১৬] পরে পরিষ্কার কাপড় পরিধান করা হয়। আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের সাথে একটি বড় প্রাতঃরাশ উপভোগ করা হয়। সন্ধ্যায় আতশবাজি দিয়ে উদযাপন করা হয়। দুপুরের খাবারের অংশ হিসেবে বিশেষ মিষ্টি খাবার পরিবেশন করা হয়। সন্ধ্যায় গৃহে তেলের বাতি জ্বালানো হয়।
বিভিন্ন স্থানে পালন
[সম্পাদনা]ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে কালী পূজার আগের দিনটিকে ভূত চতুর্দশী হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বাস করা হয় এই অন্ধকার রাতের প্রাক্কালে মৃতদের আত্মা তাদের প্রিয়জনকে দেখতে পৃথিবীতে নেমে আসে। এও বিশ্বাস করা হয় যে একটি পরিবারের ১৪ জন পূর্বপুরুষ তাদের জীবিত আত্মীয়দের সাথে দেখা করতে আসে এবং তাই ১৪ টি দিয়া বাড়ির চারপাশে স্থাপন করা হয় যাতে তাদের গৃহের দিকে আকর্ষণ করা যায় এবং দুষ্ট আত্মারা যেন পালিয়ে যায়। এ সময় গৃহের প্রতিটি অন্ধকার কোণ আলোয় আলোকিত হয়।[১৭] নরক চতুর্দশীর দিনে অভয়াঙ্গ স্নান (তেল স্নান) ব্যক্তির জীবনে একটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এটি সর্বদা চাঁদের উপস্থিতির সময় করা হয়। তবে সূর্যোদয়ের আগে যখন চতুর্দশী তিথি বিদ্যমান থাকে তখন করা হয়ে থাকে। তিলের তেলের উবটান ব্যবহার করে এই স্নান করা হয়। এই উবটান দিয়ে করা স্নান ব্যক্তির দারিদ্র্য, অপ্রত্যাশিত ঘটনা, দুর্ভাগ্য ইত্যাদি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
গোয়াতে কাগজের তৈরি নরকাসুরের মূর্তি ঘাসপূর্ণ করে মন্দের প্রতীকরূপী আতশবাজির মতো তৈরি করা হয়। এই কুশপুত্তলিকাগুলি খুব ভোরে পোড়ানো হয়, আতশবাজি ফাটানো হয় ও মানুষ সুগন্ধি তেল দিয়ে স্নান করতে বাড়ি ফিরে যায়। এক সারিতে প্রদীপ জ্বালানো হয়। বাড়ির মহিলারা পুরুষদের মঙ্গলের জন্য আরতি করে, উপহার আদান-প্রদান করা হয়, নরকাসুর বধের প্রতীক হিসাবে একটি তিক্ত বেরি ( কড়িট) পায়ের নীচে পিষে দেওয়া হয় যা অশুভ ও অজ্ঞতা দূর করার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। বিভিন্ন জাতের পোহা, মিষ্টি তৈরি করে পরিবার ও বন্ধুদের সাথে খাওয়া হয়।[১৮]
তামিলনাড়ুতে দীপাবলি ঐতিহ্যগতভাবে নরক চতুর্দশীর দিন উদযাপিত হয়।[১৯] যেখানে ভারতের অন্যান্য স্থানে অমাবস্যার রাতে দীপাবলির পরের দিন উদযাপন করা হয়। দক্ষিণ ভারতের কিছু স্থানে একে দীপাবলি ভোগীও বলা হয়। মানুষ দ্রুত জাগ্রত হয়ে তেল স্নান, আরতি, পূজা ও উৎসব উদযাপন করে। দীপাবলিতে সাধারণত আতশবাজি পোড়ানো হয়। কিছু তামিল বাড়িতে নম্বু পালন ও লক্ষ্মী পূজা করা হয়। কর্ণাটকে দীপাবলির উৎসব এ দিন থেকে শুরু হয় অর্থাৎ নরক চতুর্দশীর সাথে ভোরে ঐতিহ্যবাহী তেল দ্বারা স্নান, আরতি করে আতশবাজি ফাটানো ও বলি পদ্যমী করা হয়। দীপাবলি উদযাপনের প্রধান দিন গরু সাজানো হয় ও পূজা করা হয়।
চোদ্দ শাক
[সম্পাদনা]
বাংলার ঋতু প্রকোপ অন্য প্রদেশের থেকে বেশি হওয়ার জন্য আশ্বিন ও কার্তিক মাস দুটিকে যমদংস্টা কাল বলা হত। এই সময় ওল, কেও, বেতো, কালকাসুন্দা, নিম, সরষে, শালিঞ্চা, জয়ন্তী, গুলঞ্চ, পলতা, ঘেঁটু, হিঞ্চে, শুষুনী, শেলু এই চোদ্দটি শাক একত্রে খাওয়া হয়।[২০] আয়ুর্বেদ মতে ১৪ শাক হলো পালং, লাল, সুষণি, কুমড়ো, পাট, মেথি, ধনে, পুঁই, নোটে, মূলো, কলমি, গিমে, সরষে, লাউ অথবা হিঞ্চে ।[২১] মনে করা হয় ঋতু পরিবর্তনের এই মরশুমে এই শাক খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি মজবুত হয়৷[৯] বাংলার নব্য-স্মৃতিশাস্ত্রকার রঘুনন্দন ভট্টাচার্য্য (১৬ শতাব্দী) তার অষ্টবিংশতি তত্ত্বের অন্যতম গ্রন্থ “কৃত্যতত্ত্বে” উল্লেখ করেছেন “নিৰ্ণয়া-মৃতের” (একটি প্রাচীন স্মৃতির গ্রন্থ) অভিমত অনুসরণ করে।[২২]
"ওলং কেমুকবাস্তূকং, সার্ষপং নিম্বং জয়াং।
শালিঞ্চীং হিলমোচিকাঞ্চ পটুকং শেলুকং গুড়ূচীন্তথা।
ভণ্টাকীং সুনিষন্নকং শিবদিনে খাদন্তি যে মানবাঃ,
প্রেতত্বং ন চ যান্তি কার্ত্তিকদিনে কৃষ্ণে চ ভূতে তিথৌ।"
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Narak Chaturdashi 2023: Date, Timings, Puja Rituals and Significance of Chhoti Diwali"। The Times of India। ১১ নভেম্বর ২০২৩। আইএসএসএন 0971-8257। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০২৩।
- ↑ ভাস্কর, শ্রী মণি। "কেন বলে 'ভূত চতুর্দশী'? পুরাণ শাস্ত্রে তার কাহিনি শুনলে অবাক হবেন"। www.anandabazar.com। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০২৩।
- ↑ "Bhut Chaturdahsi 2023: আজই কি ভূত চতুর্দশী? কত ক্ষণ থাকবে এই তিথি? জানুন পঞ্জিকা মতে নির্ঘণ্ট"। bengali.news18.com। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০২৩।
- ↑ Ray, Dipti (২০০৭)। Prataparudradeva, the Last Great Suryavamshi King of Orissa (A.D. 1497 to A.D. 1540)। Northern Book Centre। পৃ. ৮৯। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১৭২১১১৯৫৩। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০১৪।
- ↑ "Naraka Chaturdashi | religious observance | Britannica"। www.britannica.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১০ নভেম্বর ২০২২।
- 1 2 Lochtefeld, James G. (২০০২)। The Illustrated Encyclopedia of Hinduism: N-Z (ইংরেজি ভাষায়)। Rosen। পৃ. ৪৬১। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮২৩৯-৩১৮০-৪।
- ↑ Rosen, Steven (১৬ মে ২০০৮)। Essential Hinduism (ইংরেজি ভাষায়)। Praeger। পৃ. ২০৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৪২৫-৬২৩৭-০।
- ↑ Murdoch, John (১৯৯১)। Hindu and Muhammadan Festivals (ইংরেজি ভাষায়)। Asian Educational Services। পৃ. ৬৭। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২০৬-০৭০৮-৮।
- 1 2 "Bhut Chaturdashi Rituals: চোদ্দ শাক ও চোদ্দ বাতি ছাড়া আর কী কী রীতি পালন করা হয় ভূত চতুর্দশীতে? জানুন মাহাত্ম্য"। bengali.news18.com। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০২৩।
- ↑ "ভূত চতুর্দশীতে কেন ১৪ শাক-১৪ প্রদীপ, জানেন?"। EI Samay। ১ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০২১।
- ↑ "Narak Chaturdashi 2023: Date, Timings, Puja Rituals and Significance of Chhoti Diwali"। The Times of India। ১১ নভেম্বর ২০২৩। আইএসএসএন 0971-8257। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০২৩।
- ↑ "Kali Chaudas 2023 Date and Time: Bhut Chaturdashi Muhurat, Rituals and Significance of Chhoti Diwali"। The Times of India। ১১ নভেম্বর ২০২৩। আইএসএসএন 0971-8257। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০২৩।
- ↑ সংবাদদাতা, নিজস্ব। "ভূত চতুর্দশী কেন পালন করা হয় জানেন?"। anandabazar.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|শেষাংশ=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য) - ↑ "Naraka Chaturdashi 2023 - Know All about the Festival in India"। www.bankbazaar.com (ভারতীয় ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০২৩।
- ↑ Dalal, Roshen (১৮ এপ্রিল ২০১৪)। Hinduism: An Alphabetical Guide (ইংরেজি ভাষায়)। Penguin UK। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৮৪৭৫-২৭৭-৯।
- ↑ Edwardes, Stephen Meredyth; Bombay (Presidency) (১৯০৯)। The Gazetteer of Bombay City and Island ... (ইংরেজি ভাষায়)। Printed at the Time Press। পৃ. ১৭৪।
- ↑ "Narak Chaturdashi: Why Kali Chaudas or Narak Chaturdashi Puja So Important!"। Vamtantra (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ Sakhardande, Prajal। "Diwali and the Narkasur Battle"। The Navahind times। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০১৩।
- ↑ "Diwali - Tamilnadu Tourism Travels"। tamilnadutourism.com। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
- ↑ Sushmitaa (১১ নভেম্বর ২০২৩)। "জানেন কী, ভূত চতুর্দশী কেন পালিত হয়, ১৪ শাকই বা কেন খাওয়া হয়?"। Ei Muhurte Breaking News in Bangla, বাংলা খবর, বাংলার আজকের খবর এই মুহূর্তে (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০২৩।
- ↑ "Choddo Shak- Bhoot Chaturdashi: ভূত চতুর্দশীর দিন ১৪ শাক খাওয়া নিয়ম, কী কী কিনবেন? তালিকা মিলিয়ে নিন"। Aaj Tak বাংলা। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০২৩।
- ↑ ভট্ট্রাচার্য, আয়ুর্বেদাচার্য শিবকালি। চিরঞ্জীব বনৌষধি। আনন্দ পাবলিশারস প্রাইভেট। পৃ. ১।