বারুয়াখালী ইউনিয়ন

স্থানাঙ্ক: ২৩°৪০′১৮″ উত্তর ৯০°০৪′৩৪″ পূর্ব / ২৩.৬৭১৫৬৯° উত্তর ৯০.০৭৬০৮৪° পূর্ব / 23.671569; 90.076084
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বারুয়াখালী ইউনিয়ন
ইউনিয়ন
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সীল.svg ৩নং বারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ।
বারুয়াখালী ইউনিয়ন ঢাকা বিভাগ-এ অবস্থিত
বারুয়াখালী ইউনিয়ন
বারুয়াখালী ইউনিয়ন
বারুয়াখালী ইউনিয়ন বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
বারুয়াখালী ইউনিয়ন
বারুয়াখালী ইউনিয়ন
বাংলাদেশে বারুয়াখালী ইউনিয়নের অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°৪০′১৮″ উত্তর ৯০°০৪′৩৪″ পূর্ব / ২৩.৬৭১৫৬৯° উত্তর ৯০.০৭৬০৮৪° পূর্ব / 23.671569; 90.076084
দেশবাংলাদেশ
বিভাগঢাকা বিভাগ
জেলাঢাকা জেলা
উপজেলানবাবগঞ্জ উপজেলা, ঢাকা উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
সরকার
 • চেয়ারম্যানইঞ্জিনিয়ার আরিফুর রহমান শিকদার
আয়তন
 • মোট১০.৫৪ বর্গকিমি (৪.০৭ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী)
 • মোট১৩,৫২০
 • জনঘনত্ব১,৩০০/বর্গকিমি (৩,৩০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৭৫%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
মানচিত্র

বারুয়াখালী ইউনিয়ন বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার অন্তর্গত একটি ইউনিয়ন।[১]

আয়তন ও জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

গ্রামের সংখ্যা: ৩৫টি
মৌজার সংখ্যা: ৩০টি
মোট জনসংখ্যা: ২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৩,৫২০ জন।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

সাক্ষরতার হার: ২০০১ এর শিক্ষা জরীপ অনুযায়ী সাক্ষরতার হার ৭৫%।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:

  • সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়: ০৪টি
  • বে-সরকারী রেজি:প্রাথমিক বিদ্যালয়: ০৩টি
  • উচ্চ বিদ্যালয়: ০১টি
  • মাদ্রাসা: ০৬টি।

গ্রামসমূহের নাম[সম্পাদনা]

উত্তর আলালপুর, উত্তর বারুয়াখালী, করপাড়া, কাঞ্চননগর, কান্দাবাড়িল্যা, কুমারবাড়িল্যা, চক বাড়িল্যা, ছত্রপুর, ছোট কাউনিয়াকান্দি, জাহানাবাদ, জৈনতপুর, ডাক্তারকান্দা, দক্ষিণ আলালপুর, দক্ষিণ বারুয়াখালী, দীর্ঘগ্রাম, নবগ্রাম, পৃথ্বিনোয়াদ্দা, বড় কাউনিয়াকান্দি, বড় দড়িকান্দি, বড় বাড়িল্যা, বাহেরচর, ব্রাহ্মণখালী, ভাঙ্গাপাড়া, ভেড়ামুড়িয়া, মাদলা, মুন্সিনগর, রতনপুর, রামনগর, শিয়ালজান।[২]

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

বক্তারনগর জমিদার বাড়ি: ইছামতি নদীর তীরে একটি পরিত্যাক্ত ভবন দেখতে পাবেন তবে কোন শিলালিপি না থাকায় এই ভবনটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি। তবে, ভবনের স্থাপত্যশৈলী দেখে বোঝা যায় এটি ছিল একটি জমিদার বাড়ি। এই ভবনটির অভ্যন্তরে বেশকয়েকটি কক্ষ রয়েছে। জমিদারবাড়ির সামনের দিকটি এখনও মজবুত থাকলেও পেছনের দিকটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

ওয়েবসাইট