বানৌজা সুরমা (২০১৩)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ইতিহাস
বাংলাদেশ
নাম: বানৌজা সুরমা
নির্মাণাদেশ: ২ মে ২০১০
নির্মাতা: খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড
অভিষেক: ২৩ জানুয়ারি ২০১৩
অর্জন: ৬ মে ২০১৩
কমিশন লাভ: ২৯ আগস্ট ২০১৩
মাতৃ বন্দর: খুলনা
শনাক্তকরণ: পরিচিতি সংখ্যা: পি ৩১৩
অবস্থা: সক্রিয়
সাধারণ বৈশিষ্ট্য
প্রকার ও শ্রেণী: পদ্মা–শ্রেণির টহল জাহাজ
ওজন: ৩৫০ টন
দৈর্ঘ্য: ৫০.৪ মিটার (১৬৫ ফু)
প্রস্থ: ৭.৫ মিটার (২৫ ফু)
গভীরতা: ৪.১ মিটার (১৩ ফু)
প্রচালনশক্তি: ২ শ্যাফট, ২ ডিজেল
গতিবেগ: ২৩ নট (৪৩ কিমি/ঘ)
সহনশীলতা: ৭ দিন
লোকবল: ৪৫ জন
রণসজ্জা:
  • ২ × ৩৭ মিমি কামান;
  • ২ × ২০ মিমি বিমান বিধ্বংসী কামান
  • সামুদ্রিক মাইন

বানৌজা সুরমা হচ্ছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পদ্মা শ্রেণির একটি টহল জাহাজ। এটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে ২০১৩ সাল থেকে যুক্ত আছে।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

২০১০ সালের ২ মে, এই জাহাজটির নির্মাণাদেশ দেয়া হয়। ২৩ জানুয়ারি ২০১৩ সালে জাহাজটিকে প্রথম বারের মত পানিতে ভাসানো হয়।[১] ৬ মে ২০১৩ সালে জাহাজটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করা হয়।[২] ২৯ আগস্ট ২০১৩-তে বানৌজা সুরমা বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কমিশন পায়।[৩]

ডিজাইন[সম্পাদনা]

বানৌজা সুরমা ৫০.৪ মিটার (১৬৫ ফু) দীর্ঘ, ৭.৫ মিটার (২৫ ফু) প্রশস্থ এবং ৪.১ মিটার (১৩ ফু) গভীরতা বিশিষ্ট। এই টহল জাহাজটির ওজন ৩৫০ টন। এর সর্বোচ্চ গতি ২৩ নট (৪৩ কিমি/ঘ)। নৌযানটি ৪৫ জনকে নিয়ে একনাগাড়ে এক সপ্তাহ মিশন পরিচালনা করতে পারে।

রণসজ্জা[সম্পাদনা]

এই জাহাজটি একজোড়া ৩৭ মিমি কামান এবং একজোড়া ২০ মিমি বিমান-বিধ্বংসী কামান দ্বারা সজ্জিত। সুরমা সামুদ্রিক মাইন এবং কাধে বহনযোগ্য বিমান-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও বহন করতে পারে।[৪]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "First Bangladesh made warship launched"। The Daily Star। ৯ অক্টোবর ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ 
  2. "Navy gets another patrol craft"Daily Sun। Dhaka। ৭ মে ২০১৩। ২৪ আগস্ট ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০১৮ 
  3. "'Padma' latest Bangladesh Navy warship"। BDNews24.com। ২৪ জানুয়ারি ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০১৬ 
  4. "Bangladesh still aiming for sub purchases"upi.com। United Press International, Inc। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০১৫