বানৌজা শহীদ দৌলত (২০২২)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইতিহাস
বাংলাদেশ
নাম: বানৌজা শহীদ দৌলত
নির্মাণাদেশ: ৯ মে ২০১৯
নির্মাতা: খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড
নির্মাণের সময়: ২ ডিসেম্বর ২০১৯
অভিষেক: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২
শনাক্তকরণ: পি ৪১১
সাধারণ বৈশিষ্ট্য
প্রকার ও শ্রেণী: পদ্মা–শ্রেণির টহল জাহাজ
দৈর্ঘ্য: ৫১.৬ মি (১৬৯.৩ ফু)
প্রস্থ: ৭.৫ মি (২৪.৬ ফু)
ড্রাফট: ২ মি (৬.৬ ফু)
প্রচালনশক্তি:
  • ২ x ৩০৪১ অশ্বশক্তি(২২৭০ কিলো ওয়াট) বিশিষ্ট জার্মানির এমটিইউ ডিজেল ইঞ্জিন
  • ২ x (১৮ কিলো ওয়াট) বিশিষ্ট যুক্তরাজ্যের সিএটি জেনারেটর
গতিবেগ: ২১ নট (৩৯ কিমি/ঘ; ২৪ মা/ঘ)
সহনশীলতা: ৭ দিন
লোকবল: ৩৩
রণসজ্জা:
  • ১ × ৩০ মিমি অ্যাসেলসান স্ম্যাশ রিমোট কন্ট্রোলড গান
  • ২ × ১২.৭ মিমি সিআইএস-৫০ মেশিনগান

বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ (সংক্ষেপেঃ বানৌজা) শহীদ দৌলত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি পদ্মা শ্রেণির দ্বিতীয় ব্যাচের প্যাট্রোল ক্রাফট। এটি বাংলাদেশের খুলনা শিপইয়ার্ডে নির্মিত।[১] খুলনা শিপইয়ার্ড যুদ্ধ জাহাজটি নির্মাণের পর ২০২২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে। এটি ২০১৯ সালের পরিকল্পনা অনুসারে নির্মিত ৫ প্যাট্রোল ক্রাফটের প্রথমটি।[২] বাংলাদেশ সরকারের 'ফোর্সেস গোল' ২০৩০ -এর আওতায় নৌবাহিনীর ত্রিমাত্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য নৌবহরে সংযোজন করা হয়েছে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

২০১৯ সালের ১৯ মে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্য ৫টি প্যাট্রোল ক্রাফট নির্মাণের জন্য প্রতিরক্ষা ক্রয় মহাপরিদপ্তরের সঙ্গে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড প্রায় ৫৩২ কোটি টাকা প্রকল্পের চুক্তি হয়। প্রকল্পের অংশ হিসেবে বানৈজা শহীদ দৌলত নির্মিত হয়। চায়না ক্ল্যাসিফিকেশন সোসাইটি (সিসিএস) জাহাজটি নির্মাণে যুক্ত ছিল। ২০২২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি প্যাট্রোল ক্রাফটটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।[৩][৪] এটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্য খুলনা শিপইয়ার্ড নির্মিত একাদশ যুদ্ধজাহাজ।[৫]

বৈশিষ্ট্য ও যান্ত্রিক কাঠামো[সম্পাদনা]

বানৈজা শহীদ দৌলতের দৈর্ঘ্য ৫১ দশমিক ৬৫ মিটার ও প্রস্থ ৭ দশমিক ৫০ মিটার। এটির গভীরতা ৪ দশমিক ২০ মিটার।[৬] ৩৫০ টন ওজনের প্যাট্রোল ক্রাফটের দুটি ইঞ্জিন রয়েছে, যার প্রতিটির শক্তি ৩ হাজার ৪১ অশ্বক্ষমতা সম্পন্ন। এটির সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২১ নটিক্যাল মাইল।[২][৩] এটি ৩৩ জন নাবিক নিয়ে টানা একসপ্তাহ সমুদ্রে অবস্থান করতে সক্ষম।[৫]

রণসজ্জা[সম্পাদনা]

বানৌজা শহীদ দৌলত-এর আকার আয়তন অপেক্ষাকৃত ছোট হলেও এর সক্ষমতা আধুনিক বিশ্বে ব্যবহৃত সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ।[২][৩]

  • ১টি ৪০মিমি বোফোর্স গান। (১ × ৩০ মিমি অ্যাসেলসান স্ম্যাশ রিমোট কন্ট্রোলড গান পরবর্তীতে সংযোজিত হবে।) [৭][১]
  • ২টি ১২.৭মিমি সিআইএস-৫০ বিমান বিধ্বংসী মেশিনগান। [৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Shahi, Asaf (২০২১-০৮-১৬)। "Bangladesh Navy purchasing Turkish weapons systems"The Bangladesh Defence Analyst (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২২-০২-১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০২-১৪ 
  2. "খুলনা শিপইয়ার্ডে তৈরি অত্যাধুনিক যুদ্ধ জাহাজ 'শহীদ দৌলত' হস্তান্তর"চ্যানেল টুয়েন্টিফোর। ২০২২-০২-১৪। ২০২২-০২-১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০২-১৪ 
  3. "'বিদেশি যুদ্ধজাহাজ বানাতে সক্ষম খুলনা শিপইয়ার্ড'"প্রথম আলো। ২০২২-০২-১৪। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০২-১৪ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  4. "5 x Patrol Craft BN – Khulna Shipyard Ltd" (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২১-০৭-০৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০২-১৪ 
  5. "নৌ-বাহিনীর তৈরি যুদ্ধ জাহাজ 'শহীদ দৌলত' এর উদ্বোধন"সময় টিভি। ২০২২-০২-১৪। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০২-১৪ইউটিউব-এর মাধ্যমে। 
  6. "খুলনা শিপইয়ার্ডে পাঁচটি প্যাট্রোল ক্র্যাফটের কিল লেয়িং করলেন নৌবাহিনী প্রধান"প্রতিরক্ষা ক্রয় মহাপরিদপ্তর। ২০১৯-১২-০২। ২০২১-১২-০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০২-১৪ 
  7. "5 x Patrol Craft BN – Khulna Shipyard Ltd" (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২১-০৭-০৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০২-১৪