বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

ধর্ম নিরপেক্ষতা (ইংরেজি: Secularism) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশের প্রাথমিক সংবিধানের চারটি প্রধান মূল ভিত্তির মধ্যে একটি।[১]ধর্ম নিরপেক্ষতা ভিত্তিটি ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমান সংবিধান থেকে সরিয়ে ফেলেন যা পুনস্থাপন করেন " পরিপূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস সর্বশক্তিমান আল্লাহ্‌র উপর " দ্বারা এবং ১৯৮৮ সালে ইসলামকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসাবে ঘোষণা করা হয়। ২০১০ সালে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ আদালতধর্ম নিরপেক্ষতাকে সংবিধানের একটি মূল মতবাদ হিসাবে পুনঃস্থাপন করেন। [২] তবে ইসলাম রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসেবে বহাল ছিল।[৩] বাংলাদেশর ৯০ ভাগেরও বেশি মানুষ মুসলিম,বাকি অংশ হচ্ছে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং অন্যান্য।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] বছরজুরে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ বিভিন্ন ধরনের ধর্ম নিরপেক্ষ অনুষ্ঠান উৎযাপন করে। দক্ষিণ এশিয়ার ধর্ম নিরপেক্ষতা পশ্চিমা দের থেকে অনেক ক্ষেত্রেই পৃথক যেখানে তারা নিশ্চিতভাবে রাষ্ট্র এবং উপাসনালয়কে পৃথক অবস্থায় রাখে। এর পরিবর্তে এখানে কোন রাষ্ট্র বা সাম্প্রদায়িক বৈষম্যের স্বীকার না হয়ে যেকোনো ধর্ম চর্চা করা একটি ব্যক্তির স্বাধীনতা ।

সংবিধানে ধর্ম নিরপেক্ষতা[সম্পাদনা]

ধর্ম নিরপেক্ষতা ১৯৭২ সালের বাংলাদেশের সনবিধানের চারটি মূল ভিত্তির একটি। ধর্ম নিরপেক্ষতা ভিত্তিটি ১৯৭৭ সালে ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে জিয়াউর রহমান মুছে ফেলেন এবং হুসেইন মুহাম্মাদ এরশাদ ১৯৮৮ সালে ইসলামকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসেবে ঘোষণা করেন।[৪] ২০১০ সালে বাংলাদেশর সর্বোচ্চ আদালত ৫ম সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে এবং ধর্ম নিরপেক্ষতাকে সংবিধানের একটি মৌলিক মতবাদ হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করে।[২]

বর্তমানে বাংলাদেশের সংবিধান ৮ নং অনুচ্ছেদের দ্বিতীয় অংশে ধর্ম নিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র তন্ত্রের একটি ভিত্তি হিসেবে ঘোষণা করে [৫] এবং অনুচ্ছেদ ২ক এর প্রথম অংশে ইসলামকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসেবে ঘোষণা করে।[৬] সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২ এর দ্বিতীয় অংশে যা ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে পুনঃস্থাপিত হয়েছিল তাতে বলা আছে -

ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি উপলব্ধি করা হবে নিম্ন লিখিত বিষয় গুলো বর্জন দ্বারা -

  1. যেকোনো প্রকারের সাম্প্রদায়িকতা;
  2. রাষ্ট্রের কোন রাজনৈতিক অবস্থায় কোন ধর্মের স্বপক্ষতা;
  3. রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মের অবৈধ ব্যবহার;
  4. নির্দিষ্ট কোন ধর্ম চর্চার কারনে যেকোনো ধরনের বৈষম্য অথবা নিপীড়ন।"[৭]

সাংবিধানিক পরিবর্তনের প্রভাব[সম্পাদনা]

সংবিধান থেকে ধর্ম নিরপেক্ষতা মুছে ফেলাকে বর্ণনা করা হয় বাঙ্গালীত্তের সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে এবং তা বাঙালি সমাজ ও সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ছিল, উভয়কেই বহুত্ববাদী ও প্রগতিশীল হিসেবে দেখা হয়। যাইহোক,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পার্টির নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং কেন্দ্র-অধিকার এবং রক্ষণশীল রাজনৈতিক দল ঘোষণা করে যে, বাংলাদেশী জাতীয়তাবোধ নির্দেশ করে ৮৯ ভাগ জনগণ মুসলিম হওয়ায় এটি একটি ইসলামি রাষ্ট্র।[৮] ২০০৮ সালে নতুন নির্বাচিত আওয়ামীলীগ সরকার বাংলাদেশের সনবিধানের মূল চারটি ভিত্তি ভুমিকাতে উল্লেখের ঘোষণা করে। যদিও জাতিসংঘের কাছে বাংলাদেশ একটি মধ্যম মুসলিম গনতাত্নত্রিক দেশ তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী দিপু মনি বলেন " বাংলাদেশ ধর্ম নিরপেক্ষ, মধ্যম মুসলিম রাষ্ট্র নয়"।[৯]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

পহেলা বৈশাখ, ঢাকাতে একটি ধর্ম নিরপেক্ষ অনুষ্ঠান উদযাপন

যদিও দেশটি একবার সাংবিধানিক ভাবে ধর্ম নিরপেক্ষতা স্থগিত রাখে, ২০১০ সালে ধর্ম নিরপেক্ষতা ফিরে আসে এবং আদিকাল থেকে বাংলায় ধর্ম নিরপেক্ষতার চর্চা করা হয়।[১০] প্রাচীন এবং মধ্যযুগীয় শাসকরা, বিশেষকরে পাল সম্রাজ্জ এবং বাংলার নবাবেরা আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ধর্ম নিরপেক্ষতার চর্চা করতেন। শাসককে সাহায্য করার জন্য উভয় মুসলমান এবং হিন্দু থেকে বিশিষ্ট নেতারা থাকতেন। ১৮ শতকে যখন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি আসে, তখন তারা হিন্দু, মুসলিম এবং খ্রিষ্টান দের জন্য পৃথক নিয়ম নীতি ঠিক করে দেয়। এটা করতে গিয়ে তারা সামাজিক নিয়ম নীতির ভিত্তি স্থাপন করে যার বেশিরভাগ এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে।

বাংলাদেশী শিল্পী ঐতিহ্যবাহী নাচ করছেন। বাঙ্গালী সংস্কৃতিকে প্রচণ্ডভাবে ধর্ম নিরপেক্ষ হিসেবে দেখা হয়।

যাইহোক, ব্রিটিশরা বিভাগ এবং শাসনের মাধ্যমে বাঙ্গালীদের ভিতর পৃথকীকরণকে চিরস্থায়ী করেছে। বাঙ্গালী হিন্দুদেরকে দেখা হত সমৃদ্ধিশালী, শিক্ষিত এবং বেসামরিক চাকুরিতে তাদের গ্রহণ করা হত। অপরপক্ষে বাঙ্গালী মুসলিমরা বিশেষ করে যারা পূর্ব বাংলায় বসবাস করতো তাদেরকে অনেক বৈষম্য করা হত। বেশিরভাগ পূর্ব বাঙ্গালী মুসলিমরা ছিল কৃষক এবং ব্রিটিশদের সমর্থনে হিন্দু জমিদার কর্তৃক নিপীড়িত হত। এইসব কারন পূর্ব বাংলায় বেশ কিছু ধর্মীয় আন্দোলনকে চালিত করে যেমন ফরাইজি আন্দলন যার উদ্দেশ্য ছিল হিন্দু এবং জমিদার শাসক শ্রেণিকে প্রতিরোধ করা। ১৯০৫ সালে ঢাকার নবাব স্যার খাজা সালিমুল্লাহ পূর্ব বাংলার অধিকাংশ নিপীড়িত মানুষ এবং যার মধ্যে অধিকাংশই মুসলমান ছিল তাদের জন্য সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে ভিন্ন প্রদেশের বাংলা ভাগের প্রস্তাবনা করেন। ব্রিটিশরা এই বিভক্তিকে মেনে নেয় পূর্ব বাংলা এবং আসাম নামে নতুন প্রদেশ গঠন করে। যাইহোক ১৯১১ সালের বাংলার একীকরণের জন্য পশ্চিম বাংলার স্বদেশী আন্দোলনের বিরোধিতার কারনে বাতিল হয়ে যায়। ১৯৪৭ সালে বাংলা আবারও সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে বিভক্ত হয়, পশ্চিম বাংলা (বর্তমানে বাংলাদেশ) পাকিস্তানের সাথে যুক্ত হয় এবং পূর্ব বাংলা ভারতের অংশ থাকে যদিও হিন্দু অধ্যুষিত খুলনা জেলা পাকিস্তানকে দেয়া হয় এবং মুসলিম অধ্যুষিত মালদা ও মুর্শিদাবাদ এলাকা দেয়া হয় পূর্ব বাংলাকে। হিন্দুদের জাতিগত নির্মূল বিশেষ করে ১৯৫০ সালে বরিশালের দাঙ্গা এবং ১৯৬৪ সালে পূর্ব বাংলার দাঙ্গার পটভূমি হিন্দুদের বাধ্য করে ভারতে যেতে। পাকিস্তান গঠনের পর বাঙ্গালীরা চরম বৈষম্য এবং অর্থনৈতিক ভোগান্তির সম্মুখীন হয়। প্রতি মুহূর্তে বৃদ্ধি পাওয়া সংস্কৃতি এবং ভাষাতাত্ত্বিক জাতীয়তাবাদ যা সবসময় ধর্ম নিরপেক্ষ ছিল এর মাধ্যমে বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের আন্দোলন নতুন মাত্রা লাভ করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে সব ধর্মের বাঙ্গালীরা অংশগ্রহণ করে।

বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ, বায়তুল মোকাররাম (ঢাকা). নকশাটি মক্কার ক্বাবা শরীফের অনুরূপ।

বিজয় অর্জনের পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশর সংবিধান লিপিবদ্ধ করা হয় নতুন রাষ্ট্রের চারটি বৈশিষ্টের ভিত্তিতে। সেগুলো ছিল জাতীয়তাবাদ, গনতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষতা এবং সমাজতন্ত্রবাদ। ১৯৭৫ সালে দেশের প্রতিষ্ঠাতা জনক শেখ মুজিবুর রহমান সৈন্য বাহিনীর উচ্চ শ্রেণির দেশ প্রেমিক কর্মকর্তা দ্বারা নিহত হন এবং সামরিক শাসন জারি করা হয়। এরূপ পরিস্থিতিতে বিরোধী শক্তি মোস্তাক আহমেদকে সরিয়ে ফেলে এবং স্বাধীনতার যুদ্ধের নায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান (শহিদ জিয়া নামে পরিচিত) রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

রাষ্ট্রপতির কাজ শুরু করার পর জিয়া স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কার শত্রুদের সাথে মৈত্রীতার বন্ধন গড়ে তুলেন যাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল শাহ্‌ আজিজুর রহমান, সবুর খান এবং কাজী আব্দুল কাদের। নিহত শেখ মুজিবুর রহমানের আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে ভালো করার জন্য স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তির সাথে মৈত্রীতার সম্পর্ক ছিল একটি প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক কৌশল। যদিও ১৯৭৫ সালের অস্থির অবস্থার পর স্থায়িত্ব আনার জন্য জিয়া পরিচিত ছিল, তিনি রাজনীতিতে ধর্মকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠন করেন যা পুনঃস্থাপন করে ধর্ম নিরপেক্ষ বাঙ্গালী জাতিওতাবাদকে নামমাত্র ইসলামীক "বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদ" দ্বারা। ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশের সংসদ চারটি মূল ভিত্তি পরিবর্তনের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন করে। সংশোধনীটি ধর্ম নিরপেক্ষ বিষয় টিকে" সকল কাজের ভিত্তি হইবে পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর " দ্বারা পুনস্থাপন করে এবং ধর্ম স্বাধীনতার তথ্যটি মুছে ফেলে।

সর্বশেষ ১৯৮৮ সালে দেশের দ্বিতীয় সামরিক শাসক হুসেইন মুহাম্মাদ এরশাদ বাংলাদেশে ইসলামকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসেবে ঘোষণা করেন।[১১] এটি ছিল দেশের সাংবিধানিক ধর্ম নিরপেক্ষতার বিরুদ্ধে সর্বশেষ কাজ। বি এন পি এবং সেনাবাহিনীর সমর্থকেরা সংখ্যালঘু কার্যক্রমের বিরুদ্ধে বিশেষকরে দেশের হিন্দু এবং নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নিজেদেরকে যুক্ত করে, উল্লেখযোগ্য হিসেবে ১৯৮৮, ১৯৯০, ১৯৯২ এবং ২০১৩ সালের হিন্দু বিরোধী আন্দোলন যা সারা দেশের মধ্যে ক্ষতি এবং ধ্বংস যজ্ঞের কারন।

যাইহোক ১৯৯১ সালে গনতন্ত্রে ফিরে আসার পর "স্বাধীনতা পূর্ব শক্তি ", বিশাল ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ এবং মুক্তিযোদ্ধারা এছারাও তরুণ প্রজন্ম সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য চাপ প্রয়োগ করছে। ২০০৯ সালে আওয়ামীলীগ সরকার ঘোষণা করে যে তারা সংবিধান সংশোধন করবে এবং চারটি মূল ভিত্তি প্রতিস্তা করবে।

সর্বোচ্চ আদালত দ্বারা পুন:প্রতিষ্ঠা[সম্পাদনা]

২০০৫ সালে বাংলাদেশের সরবচ্চো আদালত ৫ম সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে,[১২] সরকার ১৯৭২ সালের সংবিধানের আলোকে একটি সংবিধান পুন:প্রতিষ্ঠা করে।[১৩] যার মধ্যে ধর্ম নিরপেক্ষতার রাষ্ট্রীয় ভিত্তিটি ছিল। তা সত্ত্বেও, শুরুর বাক্য 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম' ( পরম করুণাময় এবং অতি দয়ালু আল্লাহ্‌ তালার নামে শুরু করছি) বহাল ছিল যা ১৯৯৭ সালে যুক্ত করা হয়। [১৪] ২০১০ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত ২০০৫ সালের ৫ম সংশোধনী অবৈধ হওয়ার রায় সমর্থন করে।[১৫][১৬][১৭] প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন তিনি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর অনুমোদনকে সমর্থন করেন।[১৮]

উচ্চ আদালতের আবেদন[সম্পাদনা]

৭ জুন, ১৯৮৮ সালের ৮ম সংশোধনীর পর ১৫ জন ব্যক্তি রাষ্ট্রের ধর্ম আইনকে অভিযুক্ত করে মামলা করেন।[১৯] ২০১৫ সালের পহেলা আগস্ট সমেন্দ্রনাথ গোস্বামী নামক একজন সর্বোচ্চ আদালতের উকিল উচ্চ আদালতে সংবিধানিক আইনে রাষ্ট্রীয় ধর্ম ইসলাম রাখার বৈধতা নিয়ে অন্য একটি মামলা করেন; যদিও ২০১১ সালের সংবিধান সংশোধনীতে মূল ভিত্তি হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতা আছে।[২০] ২০১৬ সালের ২৮ মার্চ উচ্চ আদালতে এই মামলা খারিজ কর দেয় এবং ইসলামকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসেবে বহাল রাখে।[২১][২২]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Peoples' Republic of Bangladesh (১৯৭২)। "Part II - Fundamental Principles of State Policy"। 8. Secularism and freedom of religion। Bangladesh: Government of Bangladesh 
  2. "Bangladesh`s court restores `secularism` in Constitution"। ২৯ জুলাই ২০১০। 
  3. Peoples' Republic of Bangladesh (১৯৭২)। "Part I-The Republic"। 2A.The state religion। Bangladesh: Government of Bangladesh 
  4. Al-Mahmood, Syed Zain। "Bangladesh Court Rejects Challenge to Islam as State Religion"Wall Street Journalআইএসএসএন 0099-9660। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০৩-৩০ 
  5. Part II, Article: 8, The Constitution of Bangladesh
  6. Part II, Article: 2A, The Constitution of Bangladesh
  7. Part II, Article: 12, The সংবিধান of বাংলাদেশ
  8. "CIA - The World Factbook"। Cia.gov। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০১-২৩ 
  9. "বাংলাদেশ is secular, not moderate Muslim country: FM"। SNN Media Limited। ২০০৯-০৪-১২। ২০১৭-০৪-০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১৩ 
  10. "12. Secularism and freedom of religion"Legislative and Parliamentary Affairs Division। Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs। সংগ্রহের তারিখ ২০১৫-১১-০৪ 
  11. "Bangladesh considering abandoning Islam as its official religion following wake of extremist attacks" 
  12. "Special body sits today to review constitution"। ২৮ জুলাই ২০১০। 
  13. "Constitution to get back on '72 track"। ২ ফেব্রুয়ারি ২০১০। 
  14. "The secularity of Bangladesh Constitution after 15th Amendment"। ১৭ মার্চ ২০১৩। 
  15. "Bangladesh is secular again: HC - Rediff.com India News" 
  16. Habib, Haroon (২৫ জুন ২০১১)। "Bangladesh: restoring secular Constitution" – The Hindu-এর মাধ্যমে। 
  17. "A 'secular' Bangladesh: Country's top court lifts 4-year stay on order banning religion in politics"Indian Express 
  18. AsiaNews.it। "BANGLADESH Bangladeshi Premier to keep Islam as state religion" 
  19. "Bangladesh court rejects petition to scrap Islam as state religion"Deccan ChronicleAgence France-Presse। ২০১৬-০৩-২৮। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০৩-২৮ 
  20. "Islam to stay state religion"Prothom Alo। 2016-03-28। ২০১৬-০৩-২৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০৩-২৮ 
  21. "Bangladesh court rejects scrapping Islam as state faith"The Daily Star Newspaper - Lebanon। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০৩-২৮ 
  22. "Writ challenging ইসলাম as state religion rejected"The Daily Star। ২৮ মার্চ ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০৩-২৮