ঢাকার অর্থনীতি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ঢাকা-এর অর্থনীতি
পরিসংখ্যান
স্থুআউ$৯২ বিলিয়ন (nominal, ২০২০)[১]
$১৬২ বিলিয়ন (PPP, ২০২০)[১]
বৈদেশিক বাণিজ্য
সরকারি অর্থসংস্থান
মুদ্রা অনুল্লেখিত থাকলে তা মার্কিন ডলার এককে রয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।

ঢাকার অর্থনীতি বলতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা মহানগরীর অর্থনৈতিক ককর্মকাণ্ড বোঝায়। অর্থনীতির বৃহত্তম জোগানদার। যা, ২০২০ সালে স্থুল অভ্যন্তরীণ উৎপাদনে $৯২ বিলিয়ন ডলার এবং ক্রয় ক্ষমতা সমতায় $১৬২ বিলিয়ন ডলার অবদান রেখেছে। [২] ঢাকার অর্থনীতি বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের ৪০% অবদান রাখে। ঢাকা যদি একটি সার্বভৌম দেশ হতো তবে এটি মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান এবং ভারত, বাংলাদেশপাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বিশ্বের পঞ্চাদশতম অর্থনীতি এবং দক্ষিণ এশিয়ার চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হিসাবে স্থান পেত। দক্ষিণ এশিয়ার মাথাপিছু জিডিপিতেও ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বেক্সিমকো, বসুন্ধরা গ্রুপ, প্রান-আরএফএল গ্রুপের মতো বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আঞ্চলিক সদর দফতর দেশের আর্থিক কেন্দ্র হিসাবে কাজ করে। গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, রেকিট বেনকিসার, এইচএসবিসি, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো এবং নেসলে এর মতো বহু-জাতীয় প্রতিষ্ঠানের আঞ্চলিক সদর দফতরও ঢাকায় অবস্থিত। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ হল বাংলাদেশের বৃহত্তম স্টক এক্সচেঞ্জ এবং দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার মূলধন। এতে শেয়ারের পরিমাণ প্রায় $৪৮ বিলিয়ন ডলার।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

কয়েকটি প্রধান নদীর রুটের পাশে অবস্থানের কারণে, বাংলাদেশে ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে ঢাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রাচীনকালে ঢাকাতে মসলিন উৎপাদিত ও লেনদেন হতো। [৩]

ইতালীয় ভ্রমণকারী নিকোলাও মানুচি ১৯৬২–সালে ঢাকায় এসেছিলেন। তাঁর মতে এখানে কেবল দুটি কুঠি ( ট্রেডিং পোস্ট ) ছিল - একটি ইংরেজদের এবং অন্যটি ডাচদের। জাহাজগুলো সূক্ষ্ম সাদা সুতি এবং সিল্কের কাপড় দিয়ে বোঝাই থাকতো। [৪]

ঢাকায় অবস্থিত সিটিব্যাংক এনএ এর আঞ্চলিক সদর দফতর

খাত[সম্পাদনা]

প্রকাশ্য শীর্ষস্থানীয় ব্যবসা সংস্থাগুলো



২০১৫ সাল অনুযায়ী[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
বেক্সিমকো
ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড
আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড
প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড
ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ
মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড
বেক্সিমকো ফার্মা
সামিট পাওয়ার লিমিটেড

ঢাকার শহরতলিতে তৈরী ইট মোট জাতীয় পণ্যে সামান্য রাখে উপরন্তু বাতাসে PM এর মান ২.৫ পর্যন্ত বৃদ্ধি করে। যা বায়ু দূষণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। [৫]

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং অন্যান্য খাত[সম্পাদনা]

ঢাকায় অবস্থিত ঔষধবিজ্ঞান, টেক্সটাইল, ফার্মাসিউটিক্যালস্ এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য রপ্তানি আয় অর্জন করে। ঢাকায় তৈরি পণ্য রফতানি আয় ২০১২ সালে ছিলো আনুমানিক $১০ বিলিয়ন ডলার। সম্প্রতি ফার্মাসিউটিক্যালস এবং বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি ১৫.৬৮% এবং ৭.২৮% বৃদ্ধি পেয়েছে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Dhaka, Bangladesh GDP and Income Distribution"www.canback.com। ১ জুলাই ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০২০ 
  2. "Dhaka, Bangladesh GDP and Income Distribution"www.canback.com। ১ জুলাই ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০২০ 
  3. Akter, Sayeeda (৩ মার্চ ২০১০)। "Economic life carved in history"The Daily Star। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০১৫ 
  4. Aniruddha Ray। "Manucci, Niccolao"। Banglapedia। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মে ২০১৫ 
  5. Sohara Mehroze Shachi (সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৮)। "Bangladesh's Air Pollution Problem Grows, Brick by Brick"Undark। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৮The kiln operations alone — while representing just 1 percent of the country’s GDP — generate nearly 60 percent of the particulate pollution in Dhaka, according to Bangladesh’s Department of Environment (DOE).