টমি মিচেল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
টমি মিচেল
Thomas Bignall Mitchell 1936.jpg
আনুমানিক ১৯৩৬ সালের গৃহীত স্থিরচিত্রে টমি মিচেল
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামটমাস বিগনল মিচেল
জন্ম(১৯০২-০৯-০৪)৪ সেপ্টেম্বর ১৯০২
ক্রেসওয়েল, ডার্বিশায়ার, ইংল্যান্ড
মৃত্যু২৭ জানুয়ারি ১৯৯৬(1996-01-27) (বয়স ৯৩)
হিকলটন, ডনকাস্টার, ইংল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনলেগ ব্রেক গুগলি
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৩ বনাম অস্ট্রেলিয়া
শেষ টেস্ট২৯ জুন ১৯৩৫ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯২৮–১৯৩৯ডার্বিশায়ার
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৩২৮
রানের সংখ্যা ২০ ২,৪৩১
ব্যাটিং গড় ৫.০০ ৭.৯৭
১০০/৫০ ০/০ ০/১
সর্বোচ্চ রান ৫৭
বল করেছে ৮৯৪ ৬২,৭৪১
উইকেট ১,৪৮৩
বোলিং গড় ৬২.২৫ ২০.৫৯
ইনিংসে ৫ উইকেট ১১৮
ম্যাচে ১০ উইকেট ৩০
সেরা বোলিং ২/৪৯ ১০/৬৪
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১/– ১৩৩/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৯ মে ২০১৯

টমাস বিগনল মিচেল (ইংরেজি: Tommy Mitchell; জন্ম: ৪ সেপ্টেম্বর, ১৯০২ - মৃত্যু: ২৭ জানুয়ারি, ১৯৯৬) ডার্বিশায়ারের ক্রেসওয়েল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন।[১] ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৫ সময়কালে ইংল্যান্ড দলের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ডার্বিশায়ার দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ লেগ স্পিন বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও নিচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিং করতেন টমাস মিচেল নামে পরিচিত টমি মিচেল

ডার্বিশায়ারের তৎকালীন অধিনায়ক ও খনি মালিক গাই জ্যাকসনের সুনজরে পড়েন। তিনি তখন সেঁতু নির্মাণে অংশগ্রহণকারী দলের পক্ষে খেলতেন। কাউন্টি দলটির পক্ষে ৩০৩ খেলায় অংশ নেন। ২০.২০ গড়ে ১৪১৭ উইকেট পেয়েছেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে পাঁচটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পেয়েছিলেন টমি মিচেল। ১৯৩২-৩৩ মৌসুমে ডগলাস জারদিনের অধিনায়কত্বে জর্জ ডাকওয়ার্থ, টমি মিচেল, পতৌদির নবাব, মরিস লেল্যান্ড, হ্যারল্ড লারউড, এডি পেন্টার, বিল ফার্গুসন, প্লাম ওয়ার্নার, লেস অ্যামেস, হেডলি ভেরিটি, বিল ভোস, বিল বোস, ফ্রেডি ব্রাউন, মরিস টেট, ডিক পালাইরেট, হার্বার্ট সাটক্লিফ, বব ওয়াট, গাবি অ্যালেনওয়ালি হ্যামন্ডকে নিয়ে গঠিত ইংরেজ দল অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড গমন করে। ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৩ তারিখে ব্রিসবেনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তাঁর। ২৯ জুন, ১৯৩৫ তারিখে লর্ডসে সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।

প্রাণবন্তভাবে শরীরকে পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার করতেন ও ব্যতিক্রমীপন্থায় কব্জী ও আঙ্গুলের ব্যবহার করতেন। বলা হয়ে থাকে যে, স্নুকার টেবিলে তিনি এ কৌশল শিখেছিলেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. [১] ESPNcricinfo, ESPN, সংগ্রহের তারিখ: ২১ নভেম্বর, ২০১৮

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]