জ্যাকোবাস ডুমিনি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জ্যাকোবাস ডুমিনি
জ্যাকোবাস ডুমিনি.jpg
১৯৬৫ সালের অঙ্কিত প্রতিকৃতিতে জ্যাকোবাস ডুমিনি
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামজ্যাকোবাস পেট্রাস ডুমিনি
জন্ম(১৮৯৭-১২-১৬)১৬ ডিসেম্বর ১৮৯৭
বেলভিল, কেপ টাউন, দক্ষিণ আফ্রিকা
মৃত্যু৩১ জানুয়ারি ১৯৮০(1980-01-31) (বয়স ৮২)
কেপ টাউন, দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনস্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স
ভূমিকাঅল-রাউন্ডার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১১৫)
২৪ ডিসেম্বর ১৯২৭ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট১৩ জুলাই ১৯২৯ বনাম ইংল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ১৩
রানের সংখ্যা ৩০ ৫৫৭
ব্যাটিং গড় ৫.০০ ২৯.৩১
১০০/৫০ ০/০ ১/৩
সর্বোচ্চ রান ১২ ১৬৮*
বল করেছে ৬০ ৯১৫
উইকেট ১২
বোলিং গড় ৩৯.০০ ৩০.৬৬
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ১/১৭ ৬/৪০
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ২/- ১১/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৪ জুন ২০২০

জ্যাকোবাস পেট্রাস ডুমিনি (ইংরেজি: Jacobus Duminy; জন্ম: ১৬ ডিসেম্বর, ১৮৯৭ - মৃত্যু: ৩১ জানুয়ারি, ১৯৮০) কেপ প্রদেশের বেলভিল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯২০-এর দশকে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ট্রান্সভাল ও ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স এবং ইংরেজ ক্রিকেটে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলতেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন জ্যাকোবাস ডুমিনি

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

টাইগারবার্গ হিলসের একটি খামারে জ্যাকোবাস ডুমিনি তার শৈশবকাল অতিবাহিত করেন। ১৯৭৯ সালে টুইলাইট ওভার দ্য টাইগারবার্গ শীর্ষক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থে এ সম্পর্কে উল্লেখ করেন।[১][২] ২৩ বছর বয়সে অক্সফোর্ডের ইউনিভার্সিটি কলেজে রোডস বৃত্তিধারী হিসেবে পড়াশুনো সম্পন্ন করেন।[৩] তরুণ বয়সে ক্রিকেট খেলার সাথে যুক্ত ছিলেন।

১৯১৯-২০ মৌসুম থেকে ১৯২৮-২৯ মৌসুম পর্যন্ত জ্যাকোবাস ডুমিনি’র প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল।

ক্রিকেটার হিসেবে জ্যাকোবাস ডুমিনি বামহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান কিংবা মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, স্লো অর্থোডক্স স্পিন বোলারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতেন তিনি। তার ক্রিকেট খেলোয়াড়ী জীবন বেশ অনিয়মিত পর্যায়ের ছিল। ১৯১৯-২০ মৌসুমে দুইটি, ১৯২১ সালে একটি এবং ১৯২৭-২৮ ও ১৯২৮-২৯ মৌসুমে আরও কয়েকটি খেলায় অংশগ্রহণের পর ১৯২৯ সালে অপ্রত্যাশিত ঘটনায় তিনটি খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান।[৪]

১৯১৯-২০ মৌসুমে সফররত অস্ট্রেলিয়ান ফোর্সেস দলের বিপক্ষে দুই খেলায় অংশ নিলেও সফলতা পাননি। ১৯২১ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সদস্যরূপে একটিমাত্র প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়ে ০ ও ২ রান তুলেন। এ সময়ে তিনি রোডস বৃত্তিধারী হিসেবে সেখানে অবস্থান করছিলেন। তাসত্ত্বেও, বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় একাদশ ক্রিকেট দলের সদস্যরূপে হার্লেকুইন ক্যাপ লাভে সক্ষম হন।[৫]

নিজস্ব ৩০তম জন্মদিন উদযাপনের এক সপ্তাহ পূর্বে রনি স্ট্যানিফোর্থের নেতৃত্বাধীন এমসিসি ১৯২৭-২৮ মৌসুমে ট্রান্সভালের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে পুনরায় অংশ নেন। এ মৌসুমে সফররত এমসিসি দলের বিপক্ষে ট্রান্সভালের সদস্যরূপে দুইটি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অবতীর্ণ হন। প্রথম খেলায় অপরাজিত ৯৫ ও দ্বিতীয়টিতে ৫৫ ও অপরাজিত ৭৪ রান করেন। এরফলে, খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হয়।[৬][৭]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে তিনটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন জ্যাকোবাস ডুমিনি। ২৪ ডিসেম্বর, ১৯২৭ তারিখে জোহেন্সবার্গে সফরকারী ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ১৩ জুলাই, ১৯২৯ তারিখে লিডসে একই দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

১৯২৭ থেকে ১৯২৯ সালে তিন টেস্টে অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি।[৮] ব্যাটিং প্রতিভার অধিকারী জ্যাকোবাস ডুমিনিকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে অংশগ্রহণকৃত তিন টেস্টের কোনটিতেই প্রতিফলন ঘটাতে দেখা যায়নি।

প্রস্তুতিমূলক খেলায় সুন্দর ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজের প্রথম টেস্টে প্রথমবারের মতো অংশ নেন তিনি। তবে, জোহেন্সবার্গে অনুষ্ঠিত ঐ টেস্টে ব্যাট হাতে সফল হননি। ০ ও ৪ রান তুলেন। তবে, বামহাতে স্পিন বোলিংয়ে অগ্রসর হন তিনি। ষষ্ঠ দক্ষিণ আফ্রিকান বোলার হিসেবে আক্রমণে নামেন এবং হার্বার্ট সাটক্লিফআর্নেস্ট টিল্ডসলে’র গড়া দ্বিতীয় উইকেট জুটি ভাঙতে ভূমিকা রাখেন। এ পর্যায়ে সফরকারী দল মাত্র এক উইকেট হারিয়েই দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংসের রান অতিক্রম করেছিল।[৯] সিরিজের দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় টেস্টে তাকে দলে রাখা হয়নি। তবে, জানুয়ারির শেষার্ধ্বে পুনরায় জোহেন্সবার্গে খেলা আয়োজন করা হলে চতুর্থ টেস্টে তাকে দলে ফিরিয়ে আনা হয়। এ সময়ে তিনি কোন প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নেননি। দলে ফিরে আবারও ব্যর্থ হন। মাত্র ৭ ও ৫ রান তুলতে সক্ষম হন।[১০] ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমে তিন ইনিংসে অংশ নিয়ে কোনটিতেই দুই অঙ্কের কোটা স্পর্শ করতে দেখা যায়নি।

অবসর[সম্পাদনা]

১৯২৮-২৯ মৌসুমে কারি কাপের কোন খেলার আয়োজন করা হয়নি। তাসত্ত্বেও, ট্রান্সভালের পক্ষে তিনটি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। তন্মধ্যে, তৃতীয় খেলায় বর্ডারের বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের একমাত্র সেঞ্চুরির সন্ধান পান। অপরাজিত ১৬৮ রান সংগ্রহের পাশাপাশি এক ইনিংসে ৬/৪০ লাভ করেন। উইকেট সংগ্রহের এ হারটি তার খেলোয়াড়ী জীবনের অর্ধেক ছিল।[১১] দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে এটিই তার সর্বশেষ প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় অংশ নেয়া ছিল। কিন্তু, দুইটি যাচাইবাছাইয়ের খেলায় দৃষ্টিনন্দন খেলা উপহার দিতে পারেননি।

১৯২৯ সালে ইংল্যান্ড গমনার্থে তাকে দলে রাখা হয়নি। তবে, ১৯২৯ সালের গ্রীষ্মে ইউরোপ সফরে যান। সমসাময়িক উইজডেনের প্রতিবেদনগুলোয় এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করে যে, তিনি ব্যবসায়িক কিংবা পেশাদারী কারণে ইউরোপ গমন করেছিলেন। ১৯৮১ সালে জ্যাকোবাস ডুমিনি’র শোকসংবাদে এ বিষয়ে আরও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় যে, সুইজারল্যান্ডে অবকাশ পালনে তিনি যান। কিন্তু, আঘাতে জর্জরিত দলে অংশগ্রহণের জন্যে তাকে দলে যুক্ত করা হয়েছিল।[৫][১২] লিডসের হেডিংলি ক্রিকেট মাঠে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজের তৃতীয় খেলায় সরাসরি যুক্ত হন। আবারও ব্যর্থ হন। ২ ও ১২ রান তুলেছিলেন তিনি।[১৩] ঐ টেস্টের শেষ উইকেট জুটিতে টাপি ওয়েন-স্মিথস্যান্ডি বেল এক ঘণ্টার অল্প সময় বেশি নিয়ে ১০৩ রানের জুটি গড়েছিলেন। গালি অঞ্চলে ডাইভ দিয়ে এক হাতে মরিস লেল্যান্ডের ক্যাচ তালুবন্দীর বিষয়টিও স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

এ টেস্টের পর দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সাথে পরবর্তীতে আরও দুইটি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। তবে, দেশে প্রত্যাবর্তনের পর আর কোন প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নেননি।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

বিভিন্ন শিক্ষানুক্রমিক কমিশনে সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন তিনি।[১৪][১৫][১৬] তিনি শিক্ষানুরাগী হিসেবে অধ্যক্ষ ও পরবর্তীকালে কেপ টাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।[৫][১৭]

কেপটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্বে থাকাকালে কিছুটা ব্যক্তিগত ঝুঁকি নিয়ে বর্ণবৈষম্যবাদের বিপক্ষে অবস্থান করেছিলেন। এছাড়াও, বহু-বর্ণভিত্তিক বালক ও বালিকাদের নিয়ে সাপ্তাহিক ক্রিকেট খেলা আয়োজনে সহায়তা করেন।[১৮]

৩১ জানুয়ারি, ১৯৮০ তারিখে ৮২ বছর বয়সে কেপ টাউনের গ্রুট শার এলাকায় জ্যাকোবাস ডুমিনি’র দেহাবসান ঘটে। কেপ টাউনের শহরতলী এলাকা বেলভিলে তার জন্ম ও গ্রুট শার হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুসংবাদ প্রকাশে উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালমেনাকে উল্লেখ করা হয় যে, তার নাম জোহানেস পেট্রাস ডুমিনি[১৯][২০][২১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. The Tygerberg: the story of the Tygerberg Hills 1998 Page 49 "A 1905 snapshot of farming on parts of "Lobenstein" is contained in J. P. Duminy's reminiscences, Twilight over the Tygerberg. His family was still concentrating on grain-farming and vines, but the grain was mainly oats, possibly for feeding the ..."
  2. South Africa's yesterdays Reader's Digest Association South Africa 1981 Page 87 "In his book, Twilight over the Tygerberg, J.P. Duminy recalled the splendid parties and 'delicious old-time delicacies' which graced the long family dining table: 'Among the meats I remember were a whole roast sucking-pig with the traditional roast potato in its mouth,.. "
  3. J.P. Duminy The call for reappraisal 1961 "... The first occasion on which I met any Non-White who was not a farm-labourer , or a dock-worker or a semi-skilled artisan was when I went to Oxford at the age of 23"
  4. "First-class Matches played by Jacobus Duminy"। www.cricketarchive.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০১-৩১ 
  5. "Obituaries"। Wisden Cricketers' Almanack (1981 সংস্করণ)। Wisden। পৃষ্ঠা 1141 
  6. "Scorecard: Transvaal v MCC"। www.cricketarchive.com। ৯ ডিসেম্বর ১৯২৭। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০১-৩১ 
  7. "Scorecard: Transvaal v MCC"। www.cricketarchive.com। ১৬ ডিসেম্বর ১৯২৭। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০১-৩১ 
  8. "Jacobus Duminy"। www.cricketarchive.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০১-১৯ 
  9. "Scorecard: South Africa v England"। www.cricketarchive.com। ২৪ ডিসেম্বর ১৯২৭। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০১-৩১ 
  10. "Scorecard: South Africa v England"। www.cricketarchive.com। ২৮ জানুয়ারি ১৯২৮। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০১-৩১ 
  11. "Scorecard: Border v Transvaal"। www.cricketarchive.com। ২২ ডিসেম্বর ১৯২৮। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০২-০১ 
  12. "South Africans in England"। Wisden Cricketers' Almanack। Part II (1930 সংস্করণ)। Wisden। পৃষ্ঠা 2। 
  13. "Scorecard: England v South Africa"। www.cricketarchive.com। ১৩ জুলাই ১৯২৯। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০২-০১ 
  14. Baruch Hirson, Year of fire, year of ash: the Soweto revolt, roots of a revolution?, 1979, p.58: "1935, contains in summary form some of the recommendations of the Commission under Professor J.P. Duminy"
  15. Paul Dobson. Doc: the life of Danie Craven, 1994, p.77: "First of all dances at the university were stopped because J P Duminy, in accordance with government decree, forbade racially mixed dances"
  16. D. McKenzie, Medical education U.C.T., 1938–1978 1978, p.6: "He was followed by Dr J. P. Duminy in 1959 who had to contend with the student unrest of the postwar period."
  17. East Africa and Rhodesia Volumes 42–43 – Page 857 1966 "... and Dr. Jacobus Duminy, principal of Cape Town University, the guest of honour."
  18. The Cricketer, May 1980, p. 60.
  19. Keith A. P. Sandiford & Brian Stoddart, The Imperial Game: Cricket, Culture and Society 1998 Page 58 "While it is unwise to assign community on the basis of language, it would appear that after 1907 no Afrikaner appeared in a test for South Africa until Iacobus Petrus Duminy in 1927–28."
  20. Ray Knowles South Africa versus England: a test cricket history Page 95 1995 "John Nicolson (Natat) and Jacobus Duminy (Transvaal), both left-handed batsmen, made their Test debuts in the 1927/28 series."
  21. Jonty Winch, Bella Forsyth Wits sport: an illustrated history of sport at the University of ... 1989 Page 95 "The visiting team was captained by the 1927 Springbok lefthander, Jacobus Duminy, who was a professor at the university. He made top score of 47 in Pretoria's total of 106 and did well to fend off the fiery opening attack of Neville Rankin and ..."

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

অ্যাকাডেমিক অফিস
পূর্বসূরী
আরডব্লিউ জেমস
কেপটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য
১৯৫৮ – ১৯৬৭
উত্তরসূরী
রিচার্ড লাইট