টাপি ওয়েন-স্মিথ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
টাপি ওয়েন-স্মিথ
টাপি ওয়েন-স্মিথ.jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামহ্যারল্ড জিওফ্রে ওয়েন ওয়েন-স্মিথ
জন্ম(১৯০৯-০২-১৮)১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯০৯
রন্দেবশ, কেপ টাউন, দক্ষিণ আফ্রিকা
মৃত্যু২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯০(1990-02-28) (বয়স ৮১)
রোজব্যাংক, কেপ প্রদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনলেগ ব্রেক
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১২৬)
১৫ জুন ১৯২৯ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট১৭ আগস্ট ১৯২৯ বনাম ইংল্যান্ড
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯২৭/২৮-১৯৪৯/৫০ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স
১৯৩১–১৯৩৩অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
১৯৩৫–১৯৩৭মিডলসেক্স
১৯৩৭এমসিসি
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ১০১
রানের সংখ্যা ২৫২ ৪০৫৯
ব্যাটিং গড় ৪২.০০ ২৬.৮৮
১০০/৫০ ১/১ ৩/২৩
সর্বোচ্চ রান ১২৯ ১৬৮*
বল করেছে ১৫৬ ১৩৪৪৫
উইকেট ৩১৯
বোলিং গড় ২৩.২২
ইনিংসে ৫ উইকেট ২০
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৭/১৫৩
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৪/- ৯২/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৯ জুলাই ২০১৮

হ্যারল্ড জিওফ্রে ওয়েন টাপি ওয়েন-স্মিথ (ইংরেজি: Tuppy Owen-Smith; জন্ম: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯০৯ - মৃত্যু: ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯০) কেপ টাউনের রন্দেবশ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী খ্যাতিমান দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা ছিলেন। ১৯২৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের পক্ষে স্বল্পকালীন সময়ের জন্য অংশগ্রহণ করেন তিনি। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, ইংরেজ প্রথম-শ্রেণীর কাউন্টি ক্রিকেটে মিডলসেক্স, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে খেলার সুযোগ হয় তার। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, লেগ ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন টাপি ওয়েন-স্মিথ

দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে ক্রিকেট খেলার পাশাপাশি ইংল্যান্ড রাগবি ইউনিয়ন দলের অধিনায়কত্ব করেছেন।[১]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯২৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সদস্যরূপে ৫ টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ হয় তার। সবগুলোই সফরকারী ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে ছিল। ১৫ জুন, ১৯২৯ তারিখে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক ঘটে টাপি ওয়েন-স্মিথের।

১৯৩০ সালে উইজডেন কর্তৃক অন্যতম বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মাননা লাভ করেন তিনি।[২]

রাগবি ইউনিয়নে অংশগ্রহণ[সম্পাদনা]

১৯৩৪ থেকে ১৯৩৭ সময়কালে ১০বার ইংল্যান্ডের পক্ষে রাগবি ইউনিয়নে অংশ নেন। তন্মধ্যে, ১৯৩৭ সালে অনুষ্ঠিত হোম নেশন্স চ্যাম্পিয়নশীপে দলের অধিনায়কত্ব করেন। ফলে, ইংল্যান্ডের পক্ষে তিন খেলায় নেতৃত্ব দিয়েছেন টাপি ওয়েন-স্মিথ। ফুল ব্যাক এলাকায় চমকপ্রদভাবে আক্রমণ পরিচালনা করতেন। এছাড়াও, ইংল্যান্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন মুষ্টিযুদ্ধ ও অ্যাথলেটিক্সে অংশ নিয়ে পদক পেয়েছেন।

চিকিৎসা কর্ম[সম্পাদনা]

রোডস বৃত্তি নিয়ে অক্সফোর্ডের মাগদালেন কলেজে চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন করেন ওয়েন-স্মিথ। এরপর সেন্ট মেরি হসপিটাল মেডিক্যাল স্কুলে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করেন।[৩][৪] অক্সফোর্ডে অবস্থানকালে রাগবি ও ক্রিকেট খেলা চালিয়ে যেতে থাকেন।

ডিগ্রি লাভের পর জন্মভূমি দক্ষিণ আফ্রিকায় ফিরে যান। সেখানে দীর্ঘদিন বিশেষ করে নিজ এলাকা রন্দেবশে চিকিৎসা কর্ম চালিয়ে যান।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

রন্দেবশ এলাকায় অবস্থিত ডিওসেসান কলেজে অধ্যয়ন করেন। এরপর কেপটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সর্ব-ক্রীড়ায় পারদর্শীতা দেখিয়েছেন টাপি ওয়েন-স্মিথ। বিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্যায়ের ক্রিকেট ও রাগবি খেলায় অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও অন্যান্য ক্রীড়াতেও অংশগ্রহণ ছিল তার।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত টাপি ওয়েন-স্মিথের সংসারে মাইকেল ওয়েন-স্মিথ নামীয় পুত্রসন্তান দক্ষিণ আফ্রিকার বিশিষ্ট সাংবাদিক। তিনি ২০০৭ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকার গণমাধ্যম ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেছেন।[৫]

২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯০ তারিখে ৮১ বছর বয়সে কেপ প্রদেশের রোজব্যাংক এলাকায় টাপি ওয়েন-স্মিথের দেহাবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Tuppy Owen-Smith"। www.cricketarchive.com। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জানুয়ারি ২০১২ 
  2. "Wisden Cricketer of the Year 1930 – Tuppy Owen-Smith"ESPN Cricinfo 
  3. Early, Robert E (১৯৮৪)। Weavers and War: A True StoryRoutledge। পৃষ্ঠা 19। আইএসবিএন 9780710201867 
  4. "St Mary's Paddington a rugby powerhouse"Daily Telegraph। ২০ মার্চ ২০০৮। 
  5. "Owen-Smith appointed South Africa's media manager"Cricinfo। ৭ আগস্ট ২০০৭। 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]