জেরি হ্যাজলিট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জেরি হ্যাজলিট
জেরি হ্যাজলিট.jpg
ক্রিকেট তথ্য
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম
ডানহাতি অফ ব্রেক
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৫৭
রানের সংখ্যা ৮৯ ৮৭৬
ব্যাটিং গড় ১১.১২ ১২.৬৯
১০০/৫০ ০/০ ০/৫
সর্বোচ্চ রান ৩৪* ৮২*
বল করেছে ১৫৬৩ ১০৩৬৩
উইকেট ২৩ ১৮৮
বোলিং গড় ২৭.০৮ ২৬.০৯
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৭/২৫ ৭/২৫
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৪/০ ৩২/০
উৎস: ক্রিকইনফো, ১৬ আগস্ট ২০১৭

জার্ভিস রিগনল্ড হ্যাজলিট (ইংরেজি: Gerry Hazlitt; জন্ম: ৪ সেপ্টেম্বর, ১৮৮৮ -মৃত্যু: ৩০ অক্টোবর, ১৯১৫) নিউ সাউথ ওয়েলসের এনফিল্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি মিডিয়াম-পেস ও অফ-স্পিন বোলারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন তিনি। এছাড়াও, নিচেরসারির কার্যকরী ব্যাটসম্যান ছিলেন। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯০৭ থেকে ১৯১২ সময়কালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ৯ টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন ‘জেরি’ ডাকনামে পরিচিত জেরি হ্যাজলিট

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯০৫-০৬ থেকে ১৯১০-১১ মৌসুম পর্যন্ত ভিক্টোরিয়ার পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলেন।[১] এরপর তিনি সিডনিতে চলে যান ও পরমাত্মার কিংস স্কুলে শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত থাকেন।[২] এ সময় সেন্ট্রাল কাম্বারল্যান্ড ডিস্ট্রিক্ট ক্রিকেট ক্লাবে খেলেন। ১৯১১-১২ থেকে ১৯১২-১৩ মৌসুমে নিউ সাউথ ওয়েলসের পক্ষে খেলেন।[৩]

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

১৯০৭-০৮ মৌসুমে সিডনিতে অনুষ্ঠিত টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তার অভিষেক ঘটে। ঐ টেস্টে তিনি অপরাজিত ৩৪* রান তুলেন। এ সময় নবম উইকেট জুটিতে টিবি কটারকে সাথে নিয়ে ৫৬ রানের জুটি গড়েন। এরফলে তার দল দুই উইকেটে জয়লাভ করে।[৪] ১৯১২ সালে অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড সফরে যান তিনি। ওভালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৭/২৫ পান।[৫]

জেরি তার টেস্ট খেলোয়াড়ী জীবনে আকস্মিকভাবে খেলা শেষ করার জন্য পরিচিত ছিলেন। ১৯১২ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ত্রি-দেশীয় প্রতিযোগিতার শেষ খেলাসহ জীবনের শেষ খেলায় চমকপ্রদ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেন। লন্ডনের ওভালে বৃষ্টিবিঘ্নিত খেলায় তার কাটারগুলো বিরাট প্রভাব ফেলে। শেষ ১৭ বলে ১ রান দিয়ে ৫ উইকেট তুলে নেন ও ২১.৪ ওভারে ৭/২৫ নিয়ে নিজস্ব সেরা বোলিং পরিসংখ্যান গড়েন। তাস্বত্ত্বেও ইংল্যান্ড ২৪৪ রানে জয় পেয়ে ত্রি-দেশীয় সিরিজের শিরোপা জয় করে। দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া এ সিরিজের অপর দল ছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হবার পরই অস্ট্রেলিয়া খেলায় নামতে সক্ষম হয়। দূর্ভাগ্যজনকভাবে এ সময়েই হ্যাজলিটের দেহাবসান ঘটে। [৬] দূর্বল হৃদয় নিয়ে তিনি জন্মেছিলেন।

৩০ অক্টোবর, ১৯১৫ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের পরমাত্মা এলাকায় মাত্র ২৭ বছর বয়সে হৃদযন্ত্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা যান।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. CricketArchive Player Oracle, Retrieved 12 August, 2017
  2. The Oxford Companion to Australian Cricket, Oxford, Melbourne, 1996, p. 237.
  3. "List of Players who have played for New South Wales". www.cricketarchive.com. Retrieved 12 August, 2017
  4. Australia v England, Sydney 1907-08
  5. England v Australia, The Oval 1912
  6. "Ask Steven- Bowler who took five wickets from the last 17 balls he bowled in Test cricket"ESPN Cricinfo। ৯ আগস্ট ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১১ আগস্ট ২০১৬ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]