জিম আল-খালিলি
জিম আল-খালিলি | |
|---|---|
লন্ডনে রয়েল সোসাইটিতে যোগদানের দিন জিম আল-খালিলি, জুলাই ২০১৮ | |
| জন্ম | জামিল সাদিক আল-খালিলি[১] ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৬২[২] |
| নাগরিকত্ব | যুক্তরাজ্য |
| মাতৃশিক্ষায়তন | সারে বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসসি, পিএইচডি) |
| পরিচিতির কারণ | দ্য লাইফ সায়েন্টিফিক |
| দাম্পত্য সঙ্গী | জুলি ফ্র্যাম্পটন[২] |
| পুরস্কার |
|
| বৈজ্ঞানিক কর্মজীবন | |
| কর্মক্ষেত্র | |
| প্রতিষ্ঠানসমূহ | |
| অভিসন্দর্ভের শিরোনাম | মধ্যবর্তী শক্তি ডিউটেরন একটি তিন-দেহের মডেলে নিউক্লিয়াস থেকে স্থিতিস্থাপক বিক্ষিপ্তকরণ (১৯৮৯) |
| ডক্টরাল উপদেষ্টা | জেফ টস্টেভিন |
| ওয়েবসাইট | |
জামিল সাদিক বা জিম আল-খালিলি সিবিই এফআরএস (আরবি: جميل صادق الخليلي; জন্ম ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৬২) একজন ইরাকি-ব্রিটিশ তাত্ত্বিক পদার্থবিদ, লেখক এবং সম্প্রচারক। তিনি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং সারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানবিষয়ক জনসংযোগ বিভাগের চেয়ারম্যান। তিনি একজন নিয়মিত সম্প্রচারক এবং বিবিসি রেডিও ও টেলিভিশনের বিজ্ঞান অনুষ্ঠানের উপস্থাপক এবং অন্যান্য ব্রিটিশ মাধ্যমগুলোর বিজ্ঞান সম্পর্কিত বিষয়সমূহের ভাষ্যকার।
২০১৪ সালে, খালিলিকে যুক্তরাজ্যের ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্সেস রিসার্চ কাউন্সিল দ্বারা রাইজের (রিকোগনাইজিং ইন্সপাইরেশনাল সায়েন্টিস্টস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারস) নেতা হিসেবে নাম যোগ করা হয়।[৫] তিনি ২০১৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত যুক্তরাজ্য মানবতাবাদীর সভাপতি ছিলেন।[৬][৭]
প্রারম্ভিক জীবন ও শিক্ষা
[সম্পাদনা]খালিলি ১৯৬২ সালে বাগদাদে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ছিলেন ইরাকি বিমান বাহিনীর একজন প্রকৌশলী এবং তার ইংরেজ মা ছিলেন একজন গ্রন্থাগারিক।[৮] খালিলি ১৯৭৯ সালে যুক্তরাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯৮২ সাল পর্যন্ত তিন বছরের মধ্যে এ-লেভেল শেষ করার পর[৮] তিনি সারে বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়ন করেন এবং ১৯৮৬ সালে বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ন্যাশনাল ফিজিক্যাল ল্যাবরেটরি থেকে চাকরির প্রস্তাব পেলেও তা গ্রহণ না করে নিউক্লিয়ার প্রতিক্রিয়া তত্ত্বে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের জন্য সারেতে থেকে যান, যা তিনি ১৯৮৯ সালে অর্জন করেন।
কর্মজীবন ও গবেষণা
[সম্পাদনা]
খালিলি ১৯৮৯ সালে ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে একটি বিজ্ঞান ও প্রকৌশল গবেষণা কাউন্সিল পোস্টডক্টরাল ফেলোশিপ লাভ করেন। ১৯৯১ সালে তিনি প্রথমে একজন গবেষণা সহকারী হিসেবে, তারপর একজন প্রভাষক হিসেবে সারে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে আসেন।[৯] ১৯৯৪ সালে খালিলিকে পাঁচ বছরের জন্য একটি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্সেস রিসার্চ কাউন্সিল (ইপিএসআরসি) অ্যাডভান্সড রিসার্চ ফেলোশিপ প্রদান করা হয়,[১০] এই সময়ে তিনি নিজেকে বহিরাগত পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের গাণিতিক মডেলের একজন নেতৃস্থানীয় বিশেষজ্ঞ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি তার ক্ষেত্রে নিজেকে ব্যাপকভাবে প্রকাশ করেছেন।[৪][১১]
খালিলি সারে বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের একজন অধ্যাপক, যেখানে তিনি বিজ্ঞানবিষয়ক জনসংযোগ বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করছেন।[১২] তিনি ব্রিটিশ সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশনের একজন ট্রাস্টি (২০০৬-২০১২) এবং সহ-সভাপতি (২০০৮-২০১১) ছিলেন।[১৩] তিনি একটি ইপিএসআরসি সিনিয়র মিডিয়া ফেলোশিপও অর্জন করেন।[১০]
খালিলি ২০০৭ সালে বিজ্ঞান যোগাযোগের জন্য রয়েল সোসাইটি অব লন্ডন মাইকেল ফ্যারাডে পুরস্কারে ভূষিত হন[১৪] এবং ব্রিটিশ অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অব সায়েন্সের সম্মানিত ফেলো নির্বাচিত হন। তিনি ২০০০ সাল পর্যন্ত ইনস্টিটিউট অব ফিজিক্সের ফেলো ছিলেন, যখন তিনি ইনস্টিটিউটের পাবলিক অ্যাওয়ারনেস অব ফিজিক্স পুরস্কার পান।[১৫] তিনি যুক্তরাজ্যসহ সারা বিশ্বে বিশেষ করে ব্রিটিশ কাউন্সিলের জন্য ব্যাপকভাবে বক্তৃতা দিয়েছেন। তিনি ব্রিটিশ কাউন্সিল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাডভাইজরি গ্রুপের সদস্য,[১৬] রয়েল সোসাইটির ইকুয়ালিটি অ্যান্ড ডাইভারসিটি প্যানেলের সদস্য,[১৭] ওপেন ইউনিভার্সিটির পদার্থবিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগের একজন বহিরাগত পরীক্ষক, ওপেন এক্সেস জার্নাল পিএমসি ফিজিক্স এ'র সম্পাদকীয় বোর্ডের সদস্য এবং অ্যাডভান্সড সায়েন্স লেটারের সহযোগী সম্পাদক। তিনি চেল্টেনহ্যাম বিজ্ঞান উৎসবের উপদেষ্টা কমিটিরও একজন সদস্য।
২০০৭ সালে তিনি ন-কাল্পনিকের জন্য বিবিসি বেলি গিফোর্ড পুরস্কারের[১৮] একজন বিচারক ছিলেন এবং দ্য বিগ ব্যাং ফেয়ারে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রকৌশল প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত ধাপের একজন খ্যাতিমান বিচারক ছিলেন। তিনি ২০০৮ সালের জন্মদিনের সম্মানে অর্ডার অফ দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ারের কর্মকর্তা নিযুক্ত হন। ২০১৩ সালে তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টর অব সায়েন্স (ডিএসসি) ডিগ্রি লাভ করেন।[১৯] খালিলি ২০১৮ সালে রয়েল সোসাইটির একজন ফেলো নির্বাচিত হন[২০] এবং ২০২৩ সালে রয়েল একাডেমি অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একজন সম্মানিত ফেলো নির্বাচিত হন।[২১]
তিনি ২০২১ সালের জন্মদিনের সম্মানে বিজ্ঞানের সেবা এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতে বিজ্ঞানবিষয়ক জনসংযোগ বিভাগের অর্ডার অফ দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (ওবিই) নিযুক্ত হন।[২২]
সম্প্রচার
[সম্পাদনা]একজন সম্প্রচারক হিসেবে, খালিলি প্রায়ই টেলিভিশন ও রেডিওতে থাকেন এবং ব্রিটিশ প্রেসের জন্য নিবন্ধ লেখেন।[২৩][২৪] ২০০৪ সালে তিনি আইকন ফিল্মস দ্বারা প্রযোজিত চ্যানেল ৪ এর তথ্যচিত্র দ্য রিডল অব আইনস্টাইনস ব্রেন সহ-উপস্থাপনা করেন।[২৫] উপস্থাপক হিসেবে তার জীবনে বড় বিরতি আসে ২০০৭ সালে, পরমাণু ও পারমাণবিক পদার্থবিদ্যা সম্পর্কে বোঝার ইতিহাস সম্পর্কে বিবিসি ফোর এ সম্প্রচারিত একটি তিন পর্বের ধারাবাহিক পরমাণুর মাধ্যমে।[২৬] এটি "দ্য বিগ ব্যাং" নামক হরাইজনের একটি বিশেষ সংগ্রহশালাভুক্ত সংস্করণকে অনুসরণ করে নির্মাণ করা হয়েছিল।[২৭]
২০০৯ সালের শুরুর দিকে খালিলি ৮ম থেকে ১৪শ শতাব্দীর মধ্যে ইসলামি বিশ্বে বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের উল্লম্ফন সম্পর্কে বিবিসি ফোরের তিন পর্বের ধারাবাহিক বিজ্ঞান ও ইসলাম উপস্থাপন করেন।[২৮] তিনি টুমরো'স ওয়ার্ল্ড, বিবিসি ফোর'স মাইন্ড গেমস, দ্য সাউথ ব্যাঙ্ক শো থেকে শুরু করে বিবিসি ওয়ানের ব্যাং গোজ দ্য থিওরি প্রোগ্রামে অবদান রেখেছেন।[২৯] ২০১১ সালের অক্টোবরে, তিনি রেডিও ফোরে বিখ্যাত সমসাময়িক বিজ্ঞানীদের নিয়ে একটি অনুষ্ঠান শুরু করেন, যার নাম দ্য লাইফ সায়েন্টিফিক।[৩০] এই ধারাবাহিকের প্রথম পর্বে স্যার পল নার্সের সাথে তার সাক্ষাৎকারটি দেখানো হয়।[৩১] এরপর থেকে তিনি রিচার্ড ডকিন্স, অ্যালিস রবার্টস, জেমস লাভলক, স্টিভেন পিংকার, মার্টিন রিস, জসলিন বেল বার্নেল, মার্ক ওয়ালপোর্ট এবং টিম হান্টসহ উল্লেখযোগ্য বিজ্ঞানীদের একটি ধারাবাহিকে সাক্ষাৎকার নেন এবং অ্যাডাম রাদারফোর্ডের শোতে তিনি নিজেই সাক্ষাৎকার দেন।
খালিলি সারে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি নিয়মিত "জিম মিটস..." সাক্ষাৎকারমূলক ধারাবাহিক হোস্ট করেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়। অতিথিদের মধ্যে স্যার ডেভিড অ্যাটনবারা, রবার্ট উইনস্টন, অধ্যাপক ব্রায়ান কক্স, রোয়ান উইলিয়ামস এবং ক্যান্টারবারির আর্চবিশপ অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।[৩২] ২০১১ সালে খালিলি বিবিসি ফোরে শক অ্যান্ড অ্যাওয়ে: দ্য স্টোরি অব ইলেক্ট্রিসিটি শিরোনামে একটি তিন পর্বের তথ্যচিত্র ধারাবাহিক হোস্ট করেন।[৩৩] ২০১২ সালে খালিলি বিবিসি টুতে একটি বিশেষ হরাইজন উপস্থাপন করেন, যেটি হিগস বোসন আবিষ্কারের অনুসন্ধানে সর্বশেষ বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি পরীক্ষা করে এবং সিইআরএন-এ বৃহৎ হ্যাড্রন সংঘর্ষক পরীক্ষার প্রাথমিক ফলাফলের সাথে পরামর্শ দেয় যে অধরা কণাটি সত্যিই বিদ্যমান।
পুরস্কার ও সম্মাননা
[সম্পাদনা]- ২০০৭ - বিজ্ঞান যোগাযোগের জন্য রয়েল সোসাইটি মাইকেল ফ্যারাডে পুরস্কার
- ২০০৮ - ২০০৮ সালের জন্মদিনের সম্মানে অর্ডার অফ দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (ওবিই) কর্মকর্তা নিযুক্ত
- ২০১৩ - লেখনীর জন্য ওয়ারউইক পুরস্কার, শর্টলিস্ট, পাথফাইন্ডার
- ২০১৩ – সম্মানিত ডক্টর অব সায়েন্স, রয়েল হলওয়ে, লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়[১৯]
- ২০১৪ – রাইজ দলনেতা পুরস্কার[৩৪]
- ২০১৬ – বিজ্ঞান যোগাযোগের জন্য স্টিফেন হকিং পুরস্কার বিজয়ী[৩৫]
- ২০১৭ – সম্মানিত ডক্টরেট, ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়[৩৬]
- ২০১৮ – রয়েল সোসাইটির ফেলো (এপআরএস) নির্বাচিত[২০]
- ২০১৯ – সম্মানিত ডক্টর অব সায়েন্স, সেন্ট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়[৩৭]
- ২০১৯ - এশিয়ান পুরস্কারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অসামান্য অর্জন[৩৮]
- ২০২১ - "বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল এবং গণিতে বিজ্ঞানবিষয়ক জনসংযোগ বিভাগের পরিষেবার জন্য" অর্ডার অফ দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (ওবিই) পুরস্কার[২২]
- ২০২২ - সম্মানিত ডক্টর অব সায়েন্স, বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়
- ২০২৩ - রয়েল একাডেমি অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সম্মানিত ফেলো নির্বাচিত
ব্যক্তিগত জীবন
[সম্পাদনা]খালিলি তার স্ত্রী জুলির সাথে পোর্টসমাথের সাউথসিতে থাকেন।[৮] তাদের একজন ছেলে ও একজন মেয়ে রয়েছে। খালিলি নিজেকে একজন নাস্তিক ও মানবতাবাদী হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং মন্তব্য করেছেন, "একজন প্রোটেস্ট্যান্ট খ্রিষ্টান মা ও একজন শিয়া মুসলিম পিতার সন্তান হয়েও আমি আমার শরীরে ধর্মীয় হাড় ছাড়াই শেষ হয়ে গেছি"।[৩৯] খালিলি ২০১৬ সালে যুক্তরাজ্য মানবতাবাদীর সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করে সহ-সভাপতি হন।[৪০] এছাড়াও তিনি গিল্ডফোর্ডভিত্তিক শিক্ষাগত, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সম্প্রদায়ের কেন্দ্র গিল্ডফোর্ড ইনস্টিটিউটের একজন পৃষ্ঠপোষক।[৪১]
তথ্যচিত্র
[সম্পাদনা]- আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের ধাঁধা (২০০৪)
- পরমাণু (২০০৭)
- শুরুর জন্য যুদ্ধ (২০০৮)
- বিজ্ঞান ও ইসলাম (২০০৮)
- ব্রিটেনের প্রতিভাবান: বিজ্ঞানী, যিনি বিশ্বকে পরিবর্তন করে দিয়েছেন (২০১০)
- বিশৃঙ্খলার গোপন জীবন (২০১০)
- রসায়ন: একটি উদ্বায়ী ইতিহাস (২০১০)
- সবকিছু এবং কিছুই নয় (২০১১)
- বিস্ময় ও ধাক্কা: বিদ্যুতের কাহিনী (২০১১)
- অর্ডার এবং ডিসঅর্ডার (২০১২)
- আলো এবং অন্ধকার (২০১৩)
- কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যার রহস্য (২০১৪)
- ব্রিটেনের নিউক্লিয়ার রহস্য: সেলাফিল্ডের অভ্যন্তরে (২০১৫)
- মহাবিশ্বের শুরু ও শেষ (২০১৬)
- ব্রিটেনের পারমাণবিক বোমা: ভেতরের গল্প (২০১৭)
- মাধ্যাকর্ষণ ও আমি: সেই শক্তি যা আমাদের জীবনকে আকার দেয় (২০১৭)
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জয় (২০১৮)
- সাফল্য: সেই ধারণা যা বিশ্বকে বদলে দিয়েছে (২০১৯)
- সৌরজগতের রহস্য (২০২০)
- আকারের রহস্য: পরমাণু থেকে সুপার গ্যালাক্সি (২০২২)
প্রকাশনা
[সম্পাদনা]জিম আল-খালিলির সমকক্ষ পর্যালোচনা করা গবেষণাপত্রের একটি তালিকা গুগল স্কলার[৪] এবং স্কোপাসে পাওয়া যাবে। তার প্রকাশিত বইগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- আল-খালিলি, জিম (১৯৯৯)। ব্ল্যাক হোলস, ওয়ার্মহোলস অ্যান্ড টাইম মেশিস।
- নিউক্লিয়াস: আ ট্রিপ ইন্টু দ্য হার্ট অব ম্যাটার (২০০১) (সহকারী লেখক)
- আল-খালিলি, জিম (২০০৪)। কোয়ান্টাম: আ গাইড ফর দ্য পারপ্লেক্সড।
- দ্য হাউজ অব উইজডোম: হাউ আরাবিক সায়েন্স সেভড অ্যানশেন্ট নলেজ অ্যান্ড গেভ আস দ্য রিন্যাইজেন্স (২০১০)
- দ্য হাউজ অব উইজডোম: দ্য ফ্লোরিশিং অব আ গ্লোরিয়াস সিভিলাইজেশন অ্যান্ড দ্য গোল্ডেন এইজ অব আরাবিক সায়েন্স হিসেবেও পরিচিত
- পাথফাইন্ডারস: দ্য গোল্ডেন এইজ অব আরাবিক সায়েন্স হিসেবেও পরিচিত[৪২]
- প্যারাডক্স: দ্য নাইন গ্রেটেস্ট ইনিগমাস ইন সায়েন্স (২০১২)[৪৩]
- লাইফ অন দ্য এজ: দ্য কামিং অব এইজ অব কোয়ান্টাম বায়োলজি (২০১৪) (সহকারী লেখক)
- আল-খালিলি, জিম (২৬ জানুয়ারি ২০১৭)। কোয়ান্টাম মেকানিক্স। ইলাস. জেফ কামিন্স অ্যান্ড ড্যান নিউম্যান। লেডিবার্ড বুকস। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭১৮১-৮৬২৭-২।
- আল-খালিলি, জিম (৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯)। গ্র্যাভিটি। ইলাস. জেফ কামিন্স। লেডিবার্ড বুকস। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭১৮১-৮৯০৩-৭।
- আল-খালিলি, জিম (১০ মার্চ ২০২০)। দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাকর্ডিং টু ফিজিক্স। প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি প্রেস। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৬৯১-১৮২৩০-৮।
- আল-খালিলি, জিম (৫ এপ্রিল ২০২২)। দ্য জয় অব সায়েন্স। প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি প্রেস। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৬৯১-২১১৫৭-২।
- সম্পাদক হিসেবে
- দ্য ইউরোস্কুল লেকচার অন ফিজিক্স উইথ এক্সোটিক বিমস, খন্ড. ১ (পদার্থবিজ্ঞানের বক্তৃতা নোট) (২০০৪)
- দ্য ইউরোস্কুল লেকচার অন ফিজিক্স উইথ এক্সোটিক বিমস, খন্ড. ২ (পদার্থবিজ্ঞানের বক্তৃতা নোট) (২০০৬)
- দ্য ইউরোস্কুল লেকচার অন ফিজিক্স উইথ এক্সোটিক বিমস, খন্ড. ৩ (পদার্থবিজ্ঞানের বক্তৃতা নোট) (২০০৮)
- পরামর্শক সম্পাদক হিসেবে
- আল-খালিলি, জিম (৮ জুন ২০০৪)। ইনভিজিবল ওয়ার্ডস: এক্সপ্লোরিং দ্য আনসিন। উইডেনফেল্ড অ্যান্ড নিকলসন। আইএসবিএন ৯৭৮-০-২৯৭-৮৪৩৪২-৯।
তার প্রবন্ধ, অধ্যায় এবং অন্যান্য অবদানের মধ্যে রয়েছে:
- দ্য কলিন্স এনসাইক্লোপিডিয়া অব দ্য ইউনিভার্স (২০০১)
- স্ক্যাটারিং অ্যান্ড ইনভার্স স্ক্যাটারিং ইন পিউর অ্যান্ড অ্যাপলাইড সায়েন্স (২০০১)
- কোয়ান্টাম অ্যাসপেক্টস অব লাইফ (২০০৮)
- ৩০ সেকেন্ড থিওরিস: দ্য ৫০ মোস্ট থট প্রোভোকিং থিওরিস ইন সায়েন্স (২০০৮)
- কল্পকাহিনী
জিম আল-খালিলি একটি কল্পবিজ্ঞান উপন্যাস লিখেছেন:
- আল-খালিলি, জিম (১৮ এপ্রিল ২০১৯)। সানফল। ব্যান্টাম প্রেস। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫৯৩-০৭৭৪২-৯।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ গণিত উদ্ভববিজ্ঞান প্রকল্পে জিম আল-খালিলি
- 1 2 Anon (২০১৮)। ","। হু'স হু (online Oxford University Press সংস্করণ)। এ অ্যান্ড সি ব্ল্যাক, ব্লুম্সবারি পাবলিশিং পিএলসি মুদ্রিত। ডিওআই:10.1093/ww/9780199540884.013.246627।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|website=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) (সাবস্ক্রিপশন বা ইউকে পাবলিক লাইব্রেরি সদস্যতা প্রয়োজন) - ↑ "2011 Kelvin Medal and Prize"। Institute of Physics। ২৯ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩।
- 1 2 3 গুগল স্কলার দ্বারা সূচীবদ্ধ জিম আল-খালিলির প্রকাশনাসমূহ
- ↑ "RISE Awards Announced"। EPSRC। ৩১ মার্চ ২০১৪। ১১ জুন ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০১৪।
- ↑ "Jim Al-Khalili named President-elect of British Humanist Association"। British Humanist Association। ১৪ ডিসেম্বর ২০১২। ২৯ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩।
- ↑ "Jim Al-Khalili | The Guardian"। the Guardian (ইংরেজি ভাষায়)। ১০ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০২৪।
- 1 2 3 Rutherford, Adam (২০১৯)। "Jim Al-Khalili on HIS life scientific"। BBC। ১৫ জুলাই ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩।
- ↑ "University of Surrey: Professor Jim Al-Khalili"। ৩ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩।
- 1 2 Bowater, Laura (২০১২)। Science Communication: A Practical Guide for Scientists। John Wiley & Sons। পৃ. ৭৪। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১১৮-৪০৬৬৬-৩।
- ↑ Al-Khalili, Jim S. Author details ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে, Scopus
- ↑ "Professor Jim Al-Khalili OBE, theoretical physicist, University of Surrey"। The Guardian। ২ ফেব্রুয়ারি ২০১২। ৮ মার্চ ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩।
- ↑ "Professor Jim Al-Khalili OBE"। Royal Society। ৩ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩।
- ↑ Al-Khalili, Jim (২১ জানুয়ারি ২০০৮)। "The Arabic Science That Prefigured Newton"। The Guardian। England। ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মার্চ ২০০৯।
- ↑ "RSA – Jim Al-Khalili"। Royal Society of Arts। ৪ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩।
- ↑ "Biographies of Science and Engineering Advisory Group members" (পিডিএফ)। British Council। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩।
- ↑ "Equality and Diversity Advisory Network"। The Royal Society। ২ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩।
- ↑ "Judges Announcement"। The Samuel Johnson Prize for Non-Fiction। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩।
- 1 2 "Honorary degrees recognise contributions to science"। Royal Holloway University of London। ২৬ মার্চ ২০১৩। ৩ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩।
- 1 2 "Distinguished scientists elected as Fellows and Foreign Members of the Royal Society"। Royal Society। ৯ মে ২০১৮। ৯ মে ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩।
- ↑ "Royal Academy of Engineering welcomes 73 new Fellows"। ২ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ অক্টোবর ২০২৩।
- 1 2 "নং. 63377"। দ্যা লন্ডন গেজেট (সম্পূরক) (ইংরেজি ভাষায়)। ১২ জুন ২০২১।
- ↑ ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে জিম আল-খালিলি (ইংরেজি)
- ↑ "Jim Al-Khalili"। Journalisted। ১৪ আগস্ট ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩।
- ↑ 2004-06-17T08:30:00। "C4 to unlock secrets of Einstein's brain"। Broadcast (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০২৪।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: সাংখ্যিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ Melville, Caspar (৭ মার্চ ২০১৩)। "Facing the future: an interview with Jim Al-Khalili"। Rationalist Association। ১১ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩।
- ↑ "Lost Horizons: The Big Bang"। BBC Four। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩।
- ↑ Jha, Alok (১২ জানুয়ারি ২০০৯)। "Science Weekly: What has the Islamic world ever done for science?"। The Guardian। ৯ মার্চ ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩।
- ↑ "Bang Goes the Theory: Top five weird physics facts"। BBC One। ১০ জুলাই ২০১১। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩।
- ↑ "The Life Scientific"। Radio Four। ১৯ জুলাই ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩।
- ↑ "Jim Al-Khalili's new science series starts on Radio 4"। University of Surrey। ৭ অক্টোবর ২০১১। ৩ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩।
- ↑ ইউটিউবে The University of Surrey চ্যানেল
- ↑ "Shock and Awe: The Story of Electricity"। BBC Four। ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩।
- ↑ "RISE Awards Announced"। ৩১ মার্চ ২০১৪। ২ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০১৪।
- ↑ Nicola Davis (১৬ জুন ২০১৬)। "Winners of inaugural Stephen Hawking medal announced"। The Guardian। ৮ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০১৭।
- ↑ Turnbull, Catherine (১২ জুলাই ২০১৭)। "York University honours global experts"। The Press। York। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০১৭।
- ↑ "Honorands 2019"। University of St Andrews। ২৮ জুন ২০১৯। ৮ মার্চ ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৯।
- ↑ "PROFESSOR JIM AL-KHALILI OBE"। The Asian Awards। ৫ মার্চ ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯।
- ↑ "It's time to herald the Arabic science that prefigured Darwin and Newton"। The Guardian। ৩০ জানুয়ারি ২০০৮। ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১০।
- ↑ "Humanists UK Patron: Professor Jim Al-Khalili OBE"। Humanists UK (ইংরেজি ভাষায়)। ১১ জুন ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
- ↑ "About: Find out more about the Guildford Institute and its mission"। guildford institute। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩।
- ↑ Retitled to avoid confusion with The House of Wisdom: How the Arabs Transformed Western Civilization by Jonathan Lyons.
- ↑ Heck, Peter (জুন ২০১৩)। "On Books"। আজিমভ'স সায়েন্স ফিকশন। ৩৭ (৬): ১০৮–১১১। Review of Paradox.