জাভেদ আখতার (ক্রিকেটার)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
একই নামের অন্যান্য ব্যক্তির জন্য দেখুন জাভেদ আখতার (দ্ব্যর্থতা নিরসন)
জাভেদ আখতার
জাভেদ আখতার.jpg
১৯৯৮ সালের সংগৃহীত স্থিরচিত্রে জাভেদ আখতার
ব্যক্তিগত তথ্য
জন্ম(১৯৪০-১১-২১)২১ নভেম্বর ১৯৪০
দিল্লি, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু৮ জুলাই ২০১৬(2016-07-08) (বয়স ৭৫)
রাওয়ালপিন্ডি, পাঞ্জাব, পাকিস্তান
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি অফ ব্রেক
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
একমাত্র টেস্ট
(ক্যাপ ৩৯)
৫ জুলাই ১৯৬২ বনাম ইংল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৫১
রানের সংখ্যা ৮৩৫
ব্যাটিং গড় ৪.০০ ১৫.৭৫
১০০/৫০ -/- -/-
সর্বোচ্চ রান ৮৮
বল করেছে ৯৬ ৯১৪৮
উইকেট - ১৮৭
বোলিং গড় - ১৮.২১
ইনিংসে ৫ উইকেট - ১২
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং - ৭/৫৬
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং -/- ৩৮/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১০ জুলাই ২০১৬

জাভেদ আখতার (উর্দু: "جاوید اختر (کرکٹ کھلاڑی)‎‎; জন্ম: ২১ নভেম্বর, ১৯৪০ - মৃত্যু: ৮ জুলাই, ২০১৬) ব্রিটিশ ভারতের দিল্লিতে জন্মগ্রহণকারী পাকিস্তানের বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন।[১] পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে রাওয়ালপিন্ডি ও সার্ভিসেস দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতে অফ স্পিন বোলিং করতেন। এছাড়াও ডানহাতে ব্যাটিংয়ে পারদর্শিতা দেখিয়েছেন।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

দীর্ঘদেহী জাভেদ আখতার তার সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। ৫ জুলাই, ১৯৬২ তারিখে ২১ বছর বয়সে স্বাগতিক ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে হাসিব আহসানের পরিবর্তে পাকিস্তান দলে অন্তর্ভূক্ত হন। লিডসের হেডিংলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ঐ টেস্টে সর্বমোট চার রান তুলতে সক্ষম হন যাতে একবার অপরাজিত ছিলেন ২* রান নিয়ে। কিন্তু কোন উইকেট লাভে সক্ষমতা দেখাতে পারেননি। ঐ খেলায় তার দল ইনিংস ও ১১৭ রানের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল। তবে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটেই সফলতা পেয়েছেন বেশী। ১৯৫৯-৬৯ মৌসুম থেকে ১৯৭৫-৭৬ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে সময় কাঁটান। প্রতি উইকেট নিয়েছেন ১৮.১৭ গড়ে।

আম্পায়ার[সম্পাদনা]

খেলোয়াড়ী জীবন থেকে অবসর নিয়ে আম্পায়ার হিসেবে অংশ নেন। ১৯৮০ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত ১৮ টেস্ট ও ৪০ ওডিআইয়ে আম্পায়ারিত্ব করেন।[২] শিয়ালকোটে পাকিস্তান বনাম নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ওডিআইয়ের মাধ্যমে তার আম্পায়ার জীবনের সূচনা ঘটে। ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৯ পর্যন্ত আইসিসি প্যানেলে ছিলেন। সর্বশেষ ১৯৯৯ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড বনাম ভারতের মধ্যে গ্রুপ পর্যায়ের খেলায় তার সর্বশেষ অংশগ্রহণ ছিল।[১]

শীর্ষস্থানীয় আম্পায়ার হিসেবে খ্যাতি কুড়ালেও ১৯৯৮ সালে হেডিংলিতে টেস্ট সিরিজ নির্ধারণী খেলায় আটটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত প্রদান করেন যা ইংল্যান্ডের অনুকূলে ছিল। পরবর্তীতে ২০০০ সালে আলী বাখেরের নেতৃত্বে কিং কমিশনে ঐ খেলার বিষয়ে জাভেদ তার নির্দোষ দাবী করেন। শুক্রবার, ৮ জুলাই, ২০১৬ তারিখে রাওয়ালপিন্ডিতে তার দেহাবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Former Pakistan Test player and umpire Javed Akhtar dies"ESPN Cricinfo। ৮ জুলাই ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০১৬ 
  2. "Javed Akhtar"ESPN Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মে ২০১৪ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]