জবা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

জবা
Carolus Linnaeus
Hibiscus 15 03 2012.jpg
পূর্ণাঙ্গ ফুল
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: উদ্ভিদ
(শ্রেণীবিহীন): সপুষ্পক উদ্ভিদ
(শ্রেণীবিহীন): Eudicots
(শ্রেণীবিহীন): রোসাইডস
বর্গ: Malvales
পরিবার: Malvaceae
গণ: Hibiscus
প্রজাতি: H. rosa-sinensis
দ্বিপদী নাম
Hibiscus rosa-sinensis
L.

জবা ফুল হল মালভেসি গোত্রের অন্তর্গত একটি চিরসবুজ পুষ্পধারী গুল্ম, যার উৎপত্তি পূর্ব এশিয়াতে। এটি চীনা গোলাপ নামেও পরিচিত।[১]

বর্ণনা[সম্পাদনা]

জবা একটি চিরসবুজ গুল্ম যার উচ্চতা ২.৫-৫ মি(৮-১৬ ফিট) ও প্রস্থ ১.৫-৩ মি(৫-১০ ফিট)। এর পাতাগুলি চকচকে ও ফুলগুলি উজ্জ্বল লাল বর্ণের ও ৫টি পাপড়ি যুক্ত। ফুলগুলির ব্যাস ১০ সেমি(৪ ইঞ্চি) এবং গ্রীষ্মকাল ও শরতকালে ফোটে[২]

জবাফুল

চাষ[সম্পাদনা]

লাল জবার কুঁড়ি
সাদা জবার কুঁড়ি, রাতের চিত্র।

বাগানের গাছ হিসেবে জবাকে গ্রীষ্মমণ্ডল এবং উপগ্রীষ্মমণ্ডল অঞ্চলে সর্বত্র ব্যবহার করা হয়। যেহেতু জবা ১০°সেলসিয়াসের নিচের তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে না, তাই নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে জবা গাছকে গ্রীনহাউসে রাখা হয়। জবা গাছের বিভিন্ন রকমের সংকর প্রজাতি আছে, যাদের ফুলের রঙ সাদা, হলুদ,কমলা, ইত্যাদি হতে পারে।

নামকরণ[সম্পাদনা]

বৈজ্ঞানিক ক্যারলাস লিনেয়াস জবার নাম দেন হিবিস্কাস রোসা-সিনেন্সিস। লাতিন শব্দ 'রোসা সিনেন্সিস'-এর অর্থ 'চীন দেশের গোলাপ', যদিও জবার সঙ্গে গোলাপের সম্পর্ক নেই। চীনদেশে এই গাছটি 'zhū jǐn 朱槿' নামে পরিচিত। ভারতীয় উপমহাদেশে জবা গাছ বিভিন্ন ভাষায় বিভিন্ন নামে পরিচিত, যেমন বাংলায় জবা, তামিলে செம்பருத்தி (সেম্বারুথি), হিন্দিতে जवा कुसुम (জবা কুসুম), মালয়লমে ചെമ്പരത്തി (সেম্পারাত্তি), ইত্যাদি।

চিত্রাবলি[সম্পাদনা]

জবা ফুুলের একটি ছবি

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "USDA GRIN Taxonomy"। ৮ আগস্ট ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১৪ 
  2. দ্বিজেন শর্মা লেখক; বাংলা একাডেমী ; ফুলগুলি যেন কথা; মে, ১৯৮৮; পৃষ্ঠা-৫৩-৫৪, আইএসবিএন ৯৮৪-০৭-৪৪১২-৭

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]