জন ট্রাম্বল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জন ট্রাম্বল
1886 Australia national cricket team.jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামজন উইলিয়াম ট্রাম্বল
জন্ম১৬ সেপ্টেম্বর, ১৮৬৩
কলিংউড, মেলবোর্ন, ভিক্টোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া
মৃত্যু১৭ আগস্ট, ১৯৪৪
ব্রাইটন, মেলবোর্ন, ভিক্টোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি অফ ব্রেক
ভূমিকাবোলার
সম্পর্কএইচ ট্রাম্বল (ভ্রাতা)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক১ জানুয়ারি ১৮৮৫ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট১২ আগস্ট ১৮৮৬ বনাম ইংল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৬৩
রানের সংখ্যা ২৪৩ ১৭৬১
ব্যাটিং গড় ২০.২৫ ১৮.৯৩
১০০/৫০ ০/১ ০/৭
সর্বোচ্চ রান ৫৯ ৮৭
বল করেছে ৬০০ ৭০৫০
উইকেট ১০ ১০৯
বোলিং গড় ২২.১৯ ২৪.১০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৩/২৯ ৬/৩৩
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৩/০ ৩৩/০
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৯

জন উইলিয়াম ট্রাম্বল (ইংরেজি: John Trumble; জন্ম: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৮৬৩ - মৃত্যু: ১৭ আগস্ট, ১৯৪৪) মেলবোর্নের কলিংউড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৮৮৫ থেকে ১৮৮৬ সময়কালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ভিক্টোরিয়া দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি অফ ব্রেক বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে কার্যকরী ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করতেন জন ট্রাম্বল

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৮৮৩-৮৪ মৌসুম থেকে ১৮৯৩ সাল পর্যন্ত জন ট্রাম্বলের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ১৮৮৪ সালে ভিক্টোরিয়ার পক্ষে প্রথম খেলেন। ঐ মৌসুমে ৪৮৬ রানসহ ৫২ উইকেট পান। খুবই উঁচুমানে বোলিং করতেন ও নিখুঁতভাব বজায় রাখতেন।

ভিক্টোরিয়ার পক্ষে অংশ নেয়া অফ ব্রেক বোলার ও তার সহোদর ভাই হিউ ট্রাম্বলের খেলার মানের সাথে নিজেকে নিয়ে যেতে পারেননি। তবে, ব্যাট হাতে কিছু উল্লেখযোগ্য ইনিংস খেলেছিলেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে সাতটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন জন ট্রাম্বল। অংশগ্রহণকৃত সাত টেস্টের সবগুলোই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেন। ১ জানুয়ারি, ১৮৮৫ তারিখে মেলবোর্নে সফরকারী ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ১২ আগস্ট, ১৮৮৬ তারিখে ওভালে একই দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি। ২০.২০ গড়ে ২৪৩ রান ও ২২.২০ গড়ে দশ উইকেট পেয়েছিলেন।

১৮৮৬ সালে এইচজেএইচ স্কটের অধিনায়কত্বে অস্ট্রেলিয়া দল ইংল্যান্ড গমন করে। তবে, দলীয় সঙ্গীদের সাথে নিজের সেরা খেলা উপহার দিতে পারেননি। ঐ মৌসুমে প্রতিপক্ষের তুলনায় স্বাগতিক ইংল্যান্ড দলের খেলার মান উন্নততর ছিল। তিন টেস্টের ঐ সিরিজের সবকটিতেই দলটি জয়ী হয়েছিল। স্বাগতিকরা দুইটি খেলায় খুব সহজেই ইনিংস ব্যবধানে ও অপরটিতে অনেক রানের ব্যবধানে জয়ী হয়ে সিরিজ বিজয়ী হয়।

অংশগ্রহণকৃত সাত টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে কিছু কার্যকরী খেলা উপহার দিলেও তেমন অসাধারণ ছিল না। ভিক্টোরিয়ায় খেলা চালিয়ে যান ও ঘরোয়া ক্রিকেটে কিছু প্রভাব ফেলেছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনশাস্ত্রে অধ্যয়ন করেছিলেন জন ট্রাম্বল। ভিক্টোরিয়ার নিল এলাকায় ‘ট্রাম্বল এন্ড পালমার’ প্রতিষ্ঠান গঠন করেন। আইন বিষয়ে মনোনিবেশ ঘটানোর কারণে তার ক্রিকেট খেলোয়াড়ী জীবন স্বল্পকালের ছিল।

আইনজীবী হওয়া স্বত্ত্বেও ক্রিকেটের সাথে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছিলেন। মেলবোর্ন ক্লাবের অন্যতম পুরনো সদস্য ছিলেন। তার লিখিত একটি চিঠি ক্রিকেট রিফর্ম থেকে টাইমসে আসে ও ১৯২৭ সালে উইজডেনে পুণঃমুদ্রিত হয়েছিল। এতে অস্ট্রেলিয়ায় পিচের উপর অতিরিক্ত পরিচর্যার বিষয়টি অধিক মনোনিবেশ ঘটানো হয়েছিল।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন। সুসান ডেভিস নাম্নী এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেন। এ দম্পতির সাত সন্তান ছিল। জীবনের শেষদিকে দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। তিন পুত্র ও তিন কন্যাকে রেখে ইহলোক ত্যাগ করেন।[১] ১৭ আগস্ট, ১৯৪৪ তারিখে ৮০ বছর বয়সে ভিক্টোরিয়ার ব্রাইটন এলাকায় জন ট্রাম্বলের দেহাবসান ঘটে।

তার ভ্রাতা হিউ ট্রাম্বল বিখ্যাত অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও অধিনায়ক ছিলেন। এছাড়াও, ভিক্টোরিয়ার পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Obituary: Mr. J. W. Trumble"The Argus: 3। ১৮ আগস্ট ১৯৪৪। 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]