কি সাঙ্গ ইয়াং

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কি সাঙ্গ ইয়াং
Ki Sung-Yueng from acrofan.jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
জন্ম (1989-01-24) ২৪ জানুয়ারি ১৯৮৯ (বয়স ৩০)
উচ্চতা ১.৮৭ মিটার (৬ ফুট   ইঞ্চি)
মাঠে অবস্থান মিডফিল্ডার
ক্লাবের তথ্য
বর্তমান ক্লাব সোয়ানসি সিটি
জার্সি নম্বর

কি সাঙ্গ ইয়াং (কোরীয়:기성용, জন্ম ২৪ জানুয়ারি ১৯৮৯) একজন দক্ষিণ কোরিয়ান পেশাদার ফুটবলার, যিনি বর্তমানে প্রিমিয়ার লিগে সোয়ানসি সিটিতে খেলছেন এবং দক্ষিণ কোরিয়ান জাতীয় ফুটবল দলে অধিনায়কের দায়িত্তে আছেন। তিনি সেন্ট্রাল মিডফিল্ড পজিশনে খেলে থাকেন। কি-সাঙ্গ তার লম্বা পাসিং এবং ভালো সেট পিচের জন্য পরিচিত।

ক্লাব ক্যারিয়ার[সম্পাদনা]

এফসি সিউল[সম্পাদনা]

২০০৬ সালে লিগ কাপের শেষ ম্যাচে সিউলের হয়ে বদলি হিসেবে নামেন। ২০০৭ সালে এফসি সিউলের হয়ে পুর্ন অভিষেক হয়।

২০০৮ মৌসুমে কি-সাঙ্গ দলের গুরুত্তপুর্ন খেলোয়াড় ছিলেন। ২৯ অক্টোবরে এফসি সিউলের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী সুয়ন সেমসাং ব্রুয়িংসের বিপক্ষে ৯২ মিনিটে গোল দিয়ে দলকে জেতান।

২০০৯ মৌসুমে কে লিগের প্রথম ম্যাচে চুন্নাম ড্রাগনের বিপক্ষে ৬-১ গোলের বিশাল জয় পায় এফসি সিউল, সেই ম্যাচে কি-সাঙ্গ একটি গোল করেন। এফসি সিউলের হয়ে সেই মৌসুমের পর বেশ কয়েকটি ইউরোপিয়ান ক্লাবের নজরে পড়ে কি-সাঙ্গ।

সেল্টিক[সম্পাদনা]

২০০৯ মৌসুমে স্কটিশ ক্লাব সেল্টিক ২.১ মিলিয়ন পাউন্ড দিয়ে কি-সাঙ্গকে দলে ভেড়ায়। কি-সাঙ্গ সেল্টিকে যোগ দেয়ার জন্য প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব পোর্টস্‌মাথের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। সেল্টিকের হয়ে তিনি ১৮ নম্বর জার্সি পড়ে খেলেন। ২০১০ সালের ১৬ জানুয়ারিতে ফালকির্কের বিপক্ষে অভিষেক হয়, সেই ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র হয় এবং কি-সাঙ্গ ম্যাচসেরা হন। সেই মৌসুমে তিনি সেল্টিকের হয়ে মাত্র ৪ টি ম্যাচ খেলেন।

কি-সাঙ্গ ২০১২ সাল পর্যন্ত স্কটিশ ক্লাব সেল্টিকের হয়ে ৬৪ ম্যাচে ৭ গোল করেন।

সোয়ানসি সিটি[সম্পাদনা]

২০১২ সালের ২৪ আগস্ট কি-সাঙ্গ ৩ বছরের চুক্তিতে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব সোয়ানসি সিটিতে যোগ দেয়। তাকে দলে নিতে ৬ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করে সোয়ানসি সিটি। ২০১২ সালের ২৮ আগস্ট বার্নসলির বিপক্ষে অভিষেক হয়, সেই ম্যাচে ৩-১ গোলে জয়লাভ করে লিগ কাপের ২য় পর্বে জায়গা পায় সোয়ানসি সিটি।

সান্ডারল্যান্ড[সম্পাদনা]

২০১৩ সালের ৩১ আগস্ট কি-সাঙ্গ লোনে সান্ডারল্যান্ডে যোগ দেয়। ১৭ ডিসেম্বরে লিগকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে সান্ডারল্যান্ডের হয়ে নিজের ১ম গোল দেয়, ঐ ম্যাচে শক্তিশালী চেলসিকে ২-১ গোলে হারায় সান্ডারল্যান্ড। ২০১৪ সালের ১০ এপ্রিল সান্ডারল্যান্ডের হয়ে নিজের শেষ ম্যাচ খেলেন। ২০১৩-১৪ মৌসুমে সান্ডারল্যান্ড পুরোটা সময়ে লিগের রেলিগেসন পজিশনে থাকলেও ১৪ তম হয়ে অবনমনের থেকে বেচে যায়।

সোয়ানসি সিটিতে ফেরা[সম্পাদনা]

কি-সাঙ্গ ২০১৪-১৫ মৌসুমে সোয়ানসি সিটিতে আবার যোগ দেয়। তিনি ১৬ আগস্টে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে প্রথম গোল দেয়, সে ম্যাচে ২-১ গোলে জয়লাভ করে সোয়ানসি সিটি। ২৮ আগস্ট তিনি সোয়ানসির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ ২০১৮ সাল পর্যন্ত বাড়ান।

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার[সম্পাদনা]

কি-সাঙ্গ ২০০৭ সালে অনুর্ধ-২০ বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার হয়ে খেলেন। ২০০৮ সালের ৭ জানুয়ারিতে ২০১০ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে জর্ডানের বিপক্ষে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হয়। কি-সাঙ্গ ২০১০ বিশ্বকাপে দলের হয়ে সব ম্যাচ খেলে ২ টি এসিস্ট করেন।

ব্যাক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

২০১৩ সালের মার্চে কি-সাঙ্গ জানায় তিনি অভিনেত্রী হান হিয়ে জিনের সাথে প্রেম করছেন এবং মে মাসে বিয়ে করেন। ২০১৩ সালের ২৫ জুন তারা বিবাহের রেজিস্ট্রেশন করেন। ২০১৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তাদের একমাত্র মেয়ে জন্মগ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

১.  K-League Official Match Report at K-League Website(Korean) 

২. Ki impresses on Celtic debut Asian Football Confederation, 18 January 2010

৩. Celtic 4 – 0 St Mirren BBC Sport, 22 August 2010

৪.  Celtic's Ki Sung Yueng wins October young player prize BBC Sport, 9 November 2010

৫. Ki wins Young Player of the Month award Celtic FC, 9 November 2010

৬. Celtic beat Motherwell in Scottish Cup final to end season on a high guardian.co.uk, 21 May 2011

৭. "Ki Sung Yueng". BBC Sport. Retrieved 29 January2011.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]