ওয়েলিংটন আঞ্চলিক স্টেডিয়াম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ওয়েলিংটন রিজিওন্যাল স্টেডিয়াম
ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়াম
'দ্য স্টেডিয়াম', 'দ্য কেক টিন'
ওয়াডেসটাউন থেকে ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়াম
প্রাক্তন নামওয়েস্টপ্যাকট্রাস্ট স্টেডিয়াম
অবস্থানওয়েলিংটন, নিউজিল্যান্ড
স্থানাঙ্ক৪১°১৬′২৩″ দক্ষিণ ১৭৪°৪৭′৯″ পূর্ব / ৪১.২৭৩০৬° দক্ষিণ ১৭৪.৭৮৫৮৩° পূর্ব / -41.27306; 174.78583স্থানাঙ্ক: ৪১°১৬′২৩″ দক্ষিণ ১৭৪°৪৭′৯″ পূর্ব / ৪১.২৭৩০৬° দক্ষিণ ১৭৪.৭৮৫৮৩° পূর্ব / -41.27306; 174.78583
মালিকওয়েলিংটন রিজিওন্যাল স্টেডিয়াম ট্রাস্ট
পরিচালকওয়েলিংটন রিজিওন্যাল স্টেডিয়াম ট্রাস্ট
ধারণক্ষমতা৩৪,৫০০[১]
মাঠের আয়তনদৈর্ঘ্য (উত্তর-দক্ষিণ) ২৩৫ মিটার
প্রস্থ (পূর্ব-পশ্চিম) ১৮৫ মিটার
উপরিভাগঘাস
নির্মাণ
কপর্দকহীন ভূমি১২ মার্চ, ১৯৯৮
উন্মোচন৩ জানুয়ারি, ২০০০
নির্মাণ খরচNZ$১৩০ মিলিয়ন
স্থপতিওয়ারেন এন্ড মাহানি
পপুলাস (তৎকালীন ব্লাই লব স্পোর্টস আর্কিটেকচার)
প্রকল্প ব্যবস্থাপকবেকা কার্টার হোলিংস এন্ড ফার্নার লিমিটেড
মূল ঠিকাদারফ্লেচার কন্সট্রাকশন লিমিটেড
ভাড়াটিয়া
হারিকেন্স (সুপার রাগবি) (২০০০-বর্তমান)
ওয়েলিংটন লায়ন্স (আইটিএম কাপ) (২০০০-বর্তমান)
ওয়েলিংটন ফায়ারবার্ডস (এনজেডসি) (২০০০-বর্তমান)
ওয়েলিংটন ফোনিক্স (এ-লীগ) (২০০৮-বর্তমান)
ওতাগো বিশ্ববিদ্যালয় [২]
সেন্ট কিল্ডা ফুটবল ক্লাব (এএফএল) (২০১৩-)
ওয়েবসাইট
http://www.westpacstadium.co.nz/

ওয়েলিংটন রিজিওন্যাল স্টেডিয়াম নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটনে অবস্থিত প্রধান খেলাধূলার মাঠ। বাণিজ্যিক চুক্তির কারণে স্টেডিয়ামটি ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়াম নামে পরিচিতি পাচ্ছে। স্থানীয় অধিবাসী ও অন্যান্য নিউজিল্যান্ডীয় মাঠটিকে দ্য কেক টিন নামে অভিহিত করে; বিশেষতঃ এর বাইরের দিকের আকার ও রূপালী রঙের কারণে।[৩] গোলাকৃতির এ স্টেডিয়ামের আয়তন ৪৮,০০০ বর্গমিটার।

১৯৯৯ সালে ফ্লেচার কনস্ট্রাকশন স্টেডিয়ামটি নির্মাণ করে।[৪] ওয়েলিংটন রেলওয়ে স্টেশন থেকে যাতায়াতের সুবিধাদি বিদ্যমান। রেলওয়ের জমির উপর এটি নির্মিত। অবস্থানগত কারণে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া অনুষ্ঠিত না হওয়ায় অ্যাথলেটিক পার্কের পরিবর্তে এটি নির্মিত হয়েছে।

ব্যাসিন রিজার্ভ গ্রাউন্ডে প্রয়োজনীয় খেলা না হওয়ায় অধিকসংখ্যক দর্শক আসন ক্ষমতাসম্পন্ন এ স্টেডিয়ামে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এছাড়াও, কনসার্টের জন্যও স্টেডিয়ামটি ব্যবহৃত হচ্ছে।

ব্যবহার[সম্পাদনা]

স্টেডিয়ামটি বহু-উদ্দেশ্যে ব্যবহার উপযোগী হলেও মূলতঃ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে। ওয়েলিংটন লায়ন্স আইটিএম কাপ রাগবি দল ও সুপার রাগবি হারিকেন্স দলের প্রধান অনুশীলনী মাঠ এটি। এছাড়াও, এ-লীগের ফুটবলে অংশগ্রহণকারী ওয়েলিংটন ফোনিক্স ফুটবল ক্লাব এ মাঠে খেলে থাকে। ২০১০ সালের ফিফা বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে বাহরাইনের বিপক্ষে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড জাতীয় ফুটবল দল অংশ নিয়েছিল।

গ্রীষ্মকালে সাধারণতঃ আন্তর্জাতিক ও মাঝে-মধ্যে ঘরোয়া সীমিত ওভারের ক্রিকেটের আয়োজন করা হয়। ব্ল্যাক ক্যাপস নামে পরিচিত নিউজিল্যান্ড দল ও ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় ওয়েলিংটন ফায়ারবার্ড এ মাঠে প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনের অন্যতম নবীন মাঠ হলেও এটি বেশ আধুনিক স্টেডিয়াম ।

একদিবসীয় কীর্তি[সম্পাদনা]

এখনো অব্দি ৩ এশীয় দেশ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই মাঠে জয় পেয়েছে ।

দেশ প্রথম জয়(সেরা খেলোয়াড়) সর্বশেষ জয়(সেরা খেলোয়াড়)
শ্রীলংকা ২০০১ (রাসেল আর্নল্ড) ২০১৫ (কুমার সাঙ্গাকারা)
পাকিস্তান ২০০১ (সাকলাইন মুশতাক) এখনো অব্দি একমাত্র জয়
ভারত ২০০৩ (জহির খান) এখনো অব্দি একমাত্র জয়

টি২০ আন্তর্জাতিক কীর্তি[সম্পাদনা]

এখনো অব্দি ১টি এশীয় দেশ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই মাঠে জয় পেয়েছে ।

দেশ প্রথম জয়(সেরা খেলোয়াড়) সর্বশেষ জয়(সেরা খেলোয়াড়)
শ্রীলংকা ২০০৬ (সনাথ জয়সুরিয়া) এখনো অব্দি একমাত্র জয়

অন্যান্য[সম্পাদনা]

২০০০ সালে ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়ামে এডিনবরা মিলিটারি টাট্টুর আয়োজন করে। স্কটল্যান্ডের এডিনবরার বাইরে এটিই এ ধরনের প্রথম আয়োজন করা হয়। ২০০২ সালে ইংল্যান্ড বনাম ব্ল্যাক ক্যাপ দলের মধ্যকার ক্রিকেট খেলা চলাকালীন পরিচালক পিটার জ্যাকসন ৩০,০০০ দর্শকদের কাছ থেকে উরুক-হাই আওয়াজ ধারণ করেন।

২০০৮ সালে নিউজিল্যান্ডে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ মহিলা বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। তন্মধ্যে গ্রুপ পর্বের ছয়টি খেলাসহ দুইটি স্থান নির্ধারণী খেলা ওয়েস্টপ্যাকে আয়োজিত হয়েছিল। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী ফিফা বহির্ভূত ব্যবসায়িক অংশীদারের সাথে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার প্রেক্ষিতে প্রতিযোগিতা চলাকালীন সময়ে আনুষ্ঠানিক ওয়েলিংটন স্টেডিয়াম নামে পরিচিত হয়েছিল।

২০ নভেম্বর, ২০১৩ তারিখে বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাইপর্বে আন্তঃকনফেডারেশনের স্থান নির্ধারণী খেলায় নিউজিল্যান্ড ফুটবল দল ২০১৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ব্যর্থ হয়।[৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ২৯ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  2. University of Otago Stadium Centre Wellington
  3. Maclean, Chris (৩ মে ২০১৩)। "Westpac Stadium -- Wellington region: Economic fall and rise: 1976–2006"। Te Ara - the Encyclopedia of New Zealand। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০১৪ 
  4. "Fletcher Construction website"। ১৪ অক্টোবর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৪ 
  5. "International Match Calendar 2013–2018" (PDF)। FIFA.com। 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]