আসিফ এম. আহসানুল হক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আসিফ এম আহসানুল হক
স্থপতি আসিফ এম. আহসানুল হক.jpg
স্থপতি
জন্ম১৯৭৬ (বয়স ৪৪–৪৫)
জাতীয়তাবাংলাদেশ বাংলাদেশি
মাতৃশিক্ষায়তনখুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
পুরস্কারআর্কএশিয়া এওয়ার্ড ২০১৮
স্থাপত্য প্রতিষ্ঠানভেন্না আর্কিটেক্টস
ভবনসমুহরিজিয়া পরম্পরা, উইকেন্ড এড্রেস ফর হারুনস ফ্যামিলি

আসিফ এম. আহসানুল হক (জন্ম ১৯৭৬ সালে কক্সবাজার, বাংলাদেশ ) সমসাময়িক বাংলাদেশী স্থপতি। বাংলাদেশের নিজস্ব ধারা ও সংস্কৃতিকে বিবেচনা করে আধুনিক স্থাপত্য চর্চায় নিয়োজিত আছেন। একক ও বহু পরিবার ভিত্তিক আবাসন স্থাপত্যের জন্য তিনি সমাদৃত এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পুরস্কারপ্রাপ্ত স্থপতি।

জীবনী[সম্পাদনা]

কক্সবাজারে তিনি তার শৈশব অতিবাহিত করেন। বাবা মায়ের পঞ্চম সন্তান। কক্সবাজার সরকারি উচ্চবিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে ১৯৯৫ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্যে অধ্যয়ন শুরু করেন। ২০০০ সালে স্নাতক শেষ করে পেশাগত চর্চা শুরু করেন। স্থপতি আসিফ এম. আহসানুল হক তার সৃস্টিশীল প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে বিভিন্ন প্রকল্পের সাথে যুক্ত হন। আর্কএশিয়া পুরস্কার, বার্জার পুরস্কার ইত্যাদি বিভিন্ন সম্মাননা অর্জন করেন।

পেশাজীবন[সম্পাদনা]

স্থাপত্যে স্নাতক শেষ করার পরই স্ত্রী আরিফা আকতারকে সংগে নিয়ে ভেন্না আর্টেক্টস নামে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।[১] তার স্ত্রীও একজন স্থপতি। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের সাথে কাজ করেন।বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের ২১তম কার্যকরী কমিটিতে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন।[২]

উল্লেখযোগ্য কাজ[সম্পাদনা]

পুরস্কার[সম্পাদনা]

  • ২০১৩: একক পরিবার আবাসন বিভাগে স্থাপত্যশিল্পের জন্য বার্জার পুরস্কার[৪]
  • ২০১৭: বহু পরিবার আবাসন বিভাগে স্থাপত্যশিল্পের জন্য বার্জার পুরস্কার[৫]
  • ২০১৮: বহুতল আবাসিক ভবন রিজিয়িা পরম্পরার ডিজাইনের জন্য আর্কএশিয়া এওয়ার্ড[৬]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. http://vennaarchitects.com/about-us
  2. IAB Newsletter, issue-01/21 EC,published by Institute of Architects Bangladesh (April'15)
  3. টেমপ্লেট:Https://www.showcase.com.bd/architect-column/identity-of-yesteryear-rizia-porompora-architect-column/
  4. http://vennaarchitects.com/award&competition
  5. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০১৯ 
  6. http://www.iab.com.bd/Site/News?nid=24