বিষয়বস্তুতে চলুন

আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া কাছেমুল উলুম চারিয়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া কাছেমুল উলুম চারিয়া
ধরনকওমি মাদ্রাসা
স্থাপিত১৯৪৩ ইং
প্রতিষ্ঠাতাসাঈদ আহমদ সন্দ্বীপি
মূল প্রতিষ্ঠান
দারুল উলুম দেওবন্দ
অধিভুক্তিআল হাইআতুল উলয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ
ধর্মীয় অধিভুক্তি
ইসলাম
বাজেট২,০০,০০,০০০ (১৯-২০)
আচার্যওসমান সাঈদি (ভারপ্রাপ্ত)
শিক্ষায়তনিক ব্যক্তিবর্গ
৬০+ (২০২০)
শিক্ষার্থী১২০০+ (২০২০)
অবস্থান
সংক্ষিপ্ত নামচারিয়া মাদ্রাসা
ওয়েবসাইটchariamadrasha.org
মানচিত্র

আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া কাছেমুল উলুম চারিয়া সংক্ষেপে চারিয়া মাদ্রাসা চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার চারিয়া গ্রামে অবস্থিত একটি কওমি মাদ্রাসা। মুফতি সাইদ আহমদ ১৯৪৩ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে ইস্তফা দিয়ে এই মাদ্রাসা পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তার সাথে আব্দুল জলিল হাটহাজারী মাদ্রাসার শিক্ষকতা থেকে অব্যহতি নিয়ে অত্র মাদ্রাসায় যােগদান করেন। এই মাদ্রাসার বৈশিষ্ট্য হল প্রতিষ্ঠার বছরই এখানে দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স) খোলা হয়। পরে পর্যায়ক্রমে নিচের শ্রেণিগুলাে চালু হয়। ১৯৮৭ থেকে শায়খুল হাদিস হিসেবে কর্মরত ছিলেন আবু তালেব। প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুফতি সাইদ আহমদের মৃত্যুবরণের পর পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন বজল আহমদ। মাদ্রাসার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ওসমান সাঈদি। ছাত্রসংখ্যা ১২ শতাধিক।

অবস্থান

[সম্পাদনা]
চারিয়া মাদ্রাসার মসজিদ

চট্টগ্রাম হতে ২২ কি. মি. উত্তরে নাজিরহাট রোড সংলগ্ন চারিয়া গ্রামে মাদ্রাসাটি অবস্থিত।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

১৯৪৩ সালে সাইদ আহমদ এই মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন। যা দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স) হতেই শুরু হয়। পরে অন্যান্য বিভাগ সমূহ খোলা হয়।[][][][][]

শিক্ষা বিভাগ

[সম্পাদনা]

বর্তমান শিক্ষাধারায় শিশু শ্রেণী (নূরানী) হতে সর্বোচ্চ দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স) পর্যন্ত এবং তাফসির, ফিকহ, আরবী সাহিত্য, বাংলা সাহিত্য, মুতাফারিরকা (শটকোর্স) ও হিফজুল কুরআন বিভাগ রয়েছে।[]

প্রকাশনা

[সম্পাদনা]

জামিয়ার ছাত্রদের পক্ষ হতে প্রবন্ধ, ছোট গল্প ও কবিতার সমাহারে ‘আস সাঈদ’ নামে একটি বাংলা ও আরবী দেয়ালিকা নিয়মিত প্রকাশিত হয়।

তাবলীগ

[সম্পাদনা]

একজন শিক্ষকের তত্ত্ববধানে ছাত্রদেরকে পালাক্রমে প্রত্যেক বৃহস্পতিবার আছরের পর হতে ২৪ ঘন্টার জন্য মাদ্রাসার পার্শবর্তী বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হয়।

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 সাইয়েদ, আহসান (২০০৬)। বাংলাদেশে হাদীছ চর্চা উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ। সেগুনবাগিচা, ঢাকা: অ্যাডর্ন পাবলিকেশন্স। পৃ. ১০২। আইএসবিএন ৯৮৪২০০০১৮৪। ৩ জুন ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০২১
  2. "আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া কাছেমুল উলুম চারিয়া"চারিয়ামাদ্রাসা.অর্গ। ১৩ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ আগস্ট ২০২০
  3. "মির্জাপুর ইউনিয়ন"তথ্য বাতায়ন। ৪ আগস্ট ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ আগস্ট ২০২০
  4. গোলাম ছরোয়ার, মুহাম্মদ (নভেম্বর ২০১৩)। "বাংলা ভাষায় ফিকহ চর্চা (১৯৪৭-২০০৬): স্বরূপ ও বৈশিষ্ঠ্য বিচার"। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: ২৮৫। {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: |সংগ্রহের-তারিখ= এর জন্য |ইউআরএল= প্রয়োজন (সাহায্য)
  5. আজমী, নূর মুহাম্মদ (২০০৮)। হাদিসের তত্ত্ব ও ইতিহাস। বাংলাবাজার, ঢাকা: এমদাদিয়া পুস্তকালয়। পৃ. ২৯৫।