আম্রপালি (আম)
| ম্যাঙ্গিফেরা 'আম্রপালি' | |
|---|---|
| গণ | ম্যাঙ্গিফেরা |
| প্রজাতি | ম্যাঙ্গিফেরা ইন্ডিকা |
| সংকর | 'দশেরী' × 'নিলম' |
| চাষকৃত উদ্ভিদ | 'আম্রপালি' |
| উৎস | ভারত, ১৯৭১ |
আম্রপালি আম ভারত ও বাংলাদেশে একটি জনপ্রিয় ও বাণিজ্যিকভাবে চাষযোগ্য আমের একটি জাত। ১৯৭১ সালে এই হাইব্রিড জাতটি উদ্ভাবন করা হয়। ভারতীয় কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী ড. পিযুষ কান্তি মজুমদার 'দশেরী' এবং 'নিলম' জাতের দুটি আমের সংকরায়নের মাধ্যমে নতুন এ জাতটি উদ্ভাবন করেন। যার নাম দেয়া হয় আম্রপালি।
উদ্ভব
[সম্পাদনা]আম্রপালি আমের উদ্ভব ভারতের লখনউ-স্থিত সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট ফর সাব-ট্রপিকাল হর্টিকালচার (CISH)-এ। এই জাতটি হাইব্রিড, যার পিতৃ আম 'দশেহরি' এবং মাতৃ আম 'নেহাল'। আম্রপালি আম উদ্ভাবনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল উচ্চ ফলনশীল, মিষ্টি স্বাদযুক্ত এবং ঘন গূঢ় রঙের আম উৎপাদন।
পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার চাকদহে আম্রপালি আম প্রথম রোপণ করা হয়। এ জাতটি বাংলাদেশে আসে ১৯৮৪ সালে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ এনামুল হক এবং চুয়াডাঙ্গার আজাদ হাইব্রিড নার্সারির কর্ণধার আবুল কালাম আজাদের যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে এই জাতটি আমদানি করা হয়।
বৈশিষ্ট্য
[সম্পাদনা]এই জাতের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। উন্নত জাতের আম এক গাছে এক বছর ফলে, পরের বছর ফলে না। কিন্তু আম্রপালি প্রতিবছর ফলে। এর মিষ্টতার পরিমাণ ল্যাংড়া বা হিমসাগরের চেয়ে বেশি। আম গাছটি গঠন ছোট, গাছে ছোট আকারের আমের গুচ্ছ ধরতে দেখা যায়। আমের রং কমলা-লাল এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক জাতের আমের তুলনায় এতে প্রায় ২.৫-৩.০ গুণ বেশি বিটা ক্যারোটিন থাকে। তবে এই গাছের জীবনকাল সংক্ষিপ্ত। গড় ফলন প্রতি হেক্টরে ১৬ টন।[১]
চিত্র
[সম্পাদনা]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ সিং, রঞ্জন কুমার; সিং, আর এন (২০১০)। "Effect of Post Harvest Treatments on Shelf life of Mango (Mangifera indica L.) Fruits cv. Amrapali"। রিসার্চ জার্নাল অফ এগ্রিকালচারাল সায়েন্সেস (ইংরেজি ভাষায়)। ১ (৪): ৪১৫–৪১৮।
