আবদুল খালেক (শিক্ষাবিদ)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ড. আবদুল খালেক
জন্মআগস্ট ১৯, ১৯৩৭
জাতীয়তাবাংলাদেশী
নাগরিকত্ববাংলাদেশ Flag of Bangladesh.svg
পেশাঅধ্যাপনা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজনীতি
উপাধিরাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য
মেয়াদ১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৭ - ০৩ আগস্ট, ১৯৯৯
দাম্পত্য সঙ্গীরাশেদা খালেক
সন্তানশাওন, নিক্কন, শুভ, গুঞ্জন

আবদুল খালেক (জন্ম: ১৯ আগস্ট ১৯৩৭) বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক, কলামনিস্ট ও রাজনীতিবিদ। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য[১] সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরে করতোয়া কলেজ নামে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। রাজশাহীর নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির তিনি প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য।[২] বর্তমানে দ্বিতীয় মেয়াদে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

ক) প্রভাষক, বাংলা বিভাগ, সরকারী এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা, ১৯৬২-১৯৬৪; খ) প্রভাষক, বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯৬৪-১৯৭২; গ) সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯৭২-১৯৮৩; ঘ) সহযোগী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯৮৩-১৯৮৯; ঙ) প্রফেসর, বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯৮৯-২০০২।

ক) উপাচার্য, নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, রাজশাহী ২০১৩ থেকে অদ্যাবধি; খ) উপাচার্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ৩-১২-৯৭ থেকে ৪-৮-৯৯; গ) উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৭-২-৯৭ থেকে ২-১২-৯৭; ঘ) উপ-উপাচার্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ৭-১০-৯৬ থেকে ১৬-২-৯৭; ঙ) ডীন, কলা অনুষদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ২১-১-৯৫ থেকে ৬-১০-৯৬; চ) সভাপতি, বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৮৬-১৯৮৯; ছ) হাউস টিউটর, শেরে বাংলা হল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭২-১৯৭৫; জ) ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৬৯-১৯৭০; ঝ) সহকারী প্রক্টর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৬৭-১৯৬৯; ঞ) সদস্য, পরিচালনা পরিষদ/সিন্ডিকেট, বিআইটি/ রুয়েট, রাজশাহী-১৯৯৭-২০০১; ট) সদস্য, শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিশন ১৯৯৭-১৯৯৮; ঠ) সদস্য, জাতীয় বেতন কমিশন ১৯৮৪-১৯৮৫; ড) সদস্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট ১৯৮৩-১৯৮৯; ঢ) সদস্য, কার্যনির্বাহী পরিষদ, বাংলা একাডেমী ১৯৮৬-১৯৮৮; ণ) সদস্য, এশিয়াটিক সোসাইটি বাংলাদেশ ১৯৯৮-২০০০; ত) উপাচার্য, কুইন্স ইউনিভার্সিটি, ঢাকা ২০০৯-২০১১।

শিক্ষাবিদ[সম্পাদনা]

খালেক একজন যশস্বী শিক্ষাবিদ। তিনি চতুর্ভাষিক; তিনি বাংলা, ইংরেজি, সংস্কৃতচীনা ভাষায় পারদর্শী; এই সুবাদে তিনি চারটি সাহিত্যে ব্যুৎপত্তি অর্জনকারী। তিনি প্রথমে পাবনা এ্যাডওয়ার্ড কলেজের বাংলার প্রভাষক দায়িত্ব পালন করেন। অতঃপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে পরপর সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও প্রফেসর ছিলেন।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

গণচীন সরকারের স্কলারশিপে ড. খালেক ১৯৬৫ সালে চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ে তার পিএইচ.ডি. ডিগ্রি করার কথা ছিল। কিন্তু একটি ডিপ্লোমা নিয়ে তাকে দেশে প্রত্যাবর্তন করতে হয়। ১৯৬৬ সালে চীনে সাংস্কৃতিক বিপ্লব আরম্ভ হয়। সাংস্কৃতিক বিপ্লব কর্তৃক সৃষ্ট অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে ড. খালেককে ডিপ্লোমা দিয়ে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

সম্মাননা ও পুরস্কার[সম্পাদনা]

  1. গুণীজন সংবর্ধনা-১৯৯৯, পশ্চিমবঙ্গ বাংলা একাডেমী।
  2. Who's who in the world 1997-এ নাম প্রকাশিত।
  3. মীর মোশাররফ হোসেন স্বর্ণপদক-২০০৫, মীর মোশাররফ হোসেন স্মৃতি সংসদ, কুষ্টিয়া।
  4. স্মৃতি স্মারক-২০১০ (পরমাণুবিজ্ঞানী ড. এম.এ. ওয়াজেদ মিয়ার ১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে), ড. ওয়াজেদ রিসার্চ ইন্সটিটিউট, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।
  5. রবীন্দ্র মেলা সম্মাননা স্মারক-২০১৫, জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ, সিরাজগঞ্জ শাখা।
  6. আজীবন সম্মাননা, বাংলা বিভাগ অ্যালামনাই, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ২৭ জানুয়ারি ২০১৭।
  7. বাংলা সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য ‘সম্মাননা স্মারক-২০১৭’, বাংলা বিভাগ অ্যালামনাই, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ০৮-০৯ এপ্রিল ২০১৭।
  8. ফোকলোর গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য ‘ড. আসাদুজ্জামান সাহিত্য পদক’, ২৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও সাহিত্য সম্মেলন-২০১৭, দৃষ্টি সাহিত্য সংসদ, রাজশাহী।
  9. জোহরা-শামসুন্নাহার সাহিত্য গবেষণা পুরস্কার, ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ২০১৭।
  10. ড. আসাদুজ্জামান সাহিত্য পদক (ফোকলোর গবেষণায়), দৃষ্টি সাহিত্য সংসদ এর ২৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও সাহিত্য সম্মেলন-২০১৭।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]