অ্যালেক হারউড

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
অ্যালেক হারউড
Alec Hurwood c1930.jpg
আনুমানিক ১৯৩০ সালের গৃহীত স্থিরচিত্রে অ্যালেক হারউড
ক্রিকেট তথ্য
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম,
ডানহাতি অফ ব্রেক
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১৩৫)
১২ ডিসেম্বর ১৯৩০ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
শেষ টেস্ট১ জানুয়ারি ১৯৩১ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৪৩
রানের সংখ্যা ৫৭৫
ব্যাটিং গড় ২.৫০ ১১.২৭
১০০/৫০ ০/০ ০/৩
সর্বোচ্চ রান ৮৯
বল করেছে ৫১৭
উইকেট ১১ ১১৩
বোলিং গড় ১৫.৪৫ ২৭.৬২
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৪/২২ ৬/৮০
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ২/০ ২৯/০
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৫ ডিসেম্বর ২০১৭

আলেকজান্ডার অ্যালেক হারউড (ইংরেজি: Alec Hurwood; জন্ম: ১৭ জুন, ১৯০২ - মৃত্যু: ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮২) কুইন্সল্যান্ডের ক্যাঙ্গারু পয়েন্টে জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৩০ থেকে ১৯৩১ সময়কালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে দুই টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ ঘটে তার। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে কুইন্সল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।[১] দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতে মিডিয়াম কিংবা ডানহাতে অফ ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। এছাড়াও নিচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিংয়ে দক্ষতা প্রদর্শন করেছেন অ্যালেক হারউড

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

বৈচিত্র্যধর্মী বোলিং কৌশলের জন্য ব্যাপক পরিচিতি পান। মাত্র কয়েক পা দৌঁড়ে বল পিচে ফেলতেন। ১৯৩০-৩১ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের পক্ষে খেলার জন্য আমন্ত্রিত হন। দুই টেস্টে মানানসই বোলিং করা স্বত্বেও আঘাতপ্রাপ্ত খেলোয়াড়ের আরোগ্যহেতু তাকে পুণরায় মাঠের বাইরে অবস্থান করতে হয়।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন আলেক হারউড। নর্মা নাম্নী এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেন। এ দম্পতির জেনেট, রোজ ও ফিলিপ নামের তিন সন্তান ছিল। ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮২ তারিখে ৮০ বছর বয়সে নিউ সাউথ ওয়েলসের কফস হারবারে তার দেহাবসান ঘটে।

পূর্ণাঙ্গ টেস্ট জীবনের বোলিং গড়
চার্লস ম্যারিয়ট (ইংল্যান্ড)
৮.৭২
ফ্রেডরিক মার্টিন (ইংল্যান্ড)
১০.০৭
জর্জ লোহম্যান (ইংল্যান্ড)
১০.৭৫
লরি ন্যাশ (অস্ট্রেলিয়া)
১২.৬০
জন ফেরিস (অস্ট্রেলিয়া/ইংল্যান্ড)
১২.৭০
টম হোরান (অস্ট্রেলিয়া)
১৩.০০
হ্যারি ডিন (ইংল্যান্ড)
১৩.৯০
আলবার্ট ট্রট (অস্ট্রেলিয়া/ইংল্যান্ড)
১৫.০০
মাইক প্রোক্টর (দক্ষিণ আফ্রিকা)
১৫.০২
জ্যাক আইভারসন (অস্ট্রেলিয়া)
১৫.২৩
টম কেন্ডল (অস্ট্রেলিয়া)
১৫.৩৫
অ্যালেক হারউড (অস্ট্রেলিয়া)
১৫.৪৫
বিলি বার্নস (ইংল্যান্ড)
১৫.৫৪
জন ট্রিম (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
১৬.১৬
বিলি বেটস (ইংল্যান্ড)
১৬.৪২

তথ্য: ক্রিকইনফো
যোগ্যতা: পূর্ণাঙ্গ টেস্ট জীবনে কমপক্ষে ১০ উইকেট।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]