জন ট্রিম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জন ট্রিম
জন ট্রিম.jpg
১৯৫১ সালের সংগৃহীত স্থিরচিত্রে জন ট্রিম
ব্যক্তিগত তথ্য
জন্ম(১৯১৫-০১-২৫)২৫ জানুয়ারি ১৯১৫
কোরেনটাইন, বারবাইস, ব্রিটিশ গায়ানা
মৃত্যু১২ নভেম্বর ১৯৬০(1960-11-12) (বয়স ৪৫)
নিউ আমস্টারডাম, ওয়েস্ট ব্যাংক, বারবাইস, ব্রিটিশ গায়ানা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৬৩)
৩ মার্চ ১৯৪৮ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট৩১ ডিসেম্বর ১৯৫১ বনাম অস্ট্রেলিয়া
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৩৪
রানের সংখ্যা ২১ ৩৮৬
ব্যাটিং গড় ৫.২৫ ১১.৬৯
১০০/৫০ ০/০ ০/১
সর্বোচ্চ রান ১২ ৭৮*
বল করেছে ৭৯৪ ?
উইকেট ১৮ ৯৫
বোলিং গড় ১৬.১৬ ৩০.৩২
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৫/৩৪ ৭/৮০
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ২/০ ১৭/০
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭

জন ট্রিম (ইংরেজি: John Trim; জন্ম: ২৫ জানুয়ারি, ১৯১৫ - মৃত্যু: ১২ নভেম্বর, ১৯৬০) ব্রিটিশ গায়ানার বারবাইসে জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা ছিলেন।[১] ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সময়কালে চার টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ হয় তাঁর। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ব্রিটিশ গায়ানার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ছোটখাঁটো মুখাকৃতির ট্রিম ডানহাতে ফাস্ট মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিং করতেন।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

১৯৪৭-৪৮ মৌসুমে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে ট্রিমের। এরফলে প্রথম বারবাইসিয়ান হিসেবে টেস্ট ক্রিকেট খেলার সৌভাগ্য হয় তাঁর।[১] গাবি অ্যালেনের নেতৃত্বাধীন ইংল্যান্ড দল ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে আসে। প্রথমবারের মতো বোলিং করতে নেমে প্রথম ইনিংসে ছয় রানের মিতব্যয়ী বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করে দুই উইকেট পান। দ্বিতীয় ইনিংসে আরও একটি উইকেট পান।[২] ঐ সিরিজে ট্রিমের এটিই একমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল।

জানুয়ারি, ১৯৪৯ সালে ভারত সফরে আসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। চেন্নাই টেস্টে ৪/৪৮ ও ৩/২৮ এবং মুম্বইয়ে ৩/৬৯ পান।[৩] এরপর ১৯৫১-৫২ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের সদস্য মনোনীত হন তিনি। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫/৩৫ লাভ করেন। এটিই তাঁর খেলোয়াড়ী জীবনের সেরা বোলিং পরিসংখ্যান ছিল ও প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেট দখল করেন তিনি।[৩] তবে, ব্যাটহাতে দূর্ভাগ্যবশতঃ উভয় ইনিংসে রান-আউটের শিকারে পরিণত হয়ে জোড়া শূন্য লাভ করেন।

পূর্ণাঙ্গ টেস্ট জীবনের বোলিং গড়
চার্লস ম্যারিয়ট (ইংল্যান্ড)
৮.৭২
ফ্রেডরিক মার্টিন (ইংল্যান্ড)
১০.০৭
জর্জ লোহম্যান (ইংল্যান্ড)
১০.৭৫
লরি ন্যাশ (অস্ট্রেলিয়া)
১২.৬০
জন ফেরিস (অস্ট্রেলিয়া/ইংল্যান্ড)
১২.৭০
টম হোরান (অস্ট্রেলিয়া)
১৩.০০
হ্যারি ডিন (ইংল্যান্ড)
১৩.৯০
আলবার্ট ট্রট (অস্ট্রেলিয়া/ইংল্যান্ড)
১৫.০০
মাইক প্রোক্টর (দক্ষিণ আফ্রিকা)
১৫.০২
জ্যাক আইভারসন (অস্ট্রেলিয়া)
১৫.২৩
টম কেন্ডল (অস্ট্রেলিয়া)
১৫.৩৫
অ্যালেক হারউড (অস্ট্রেলিয়া)
১৫.৪৫
বিলি বার্নস (ইংল্যান্ড)
১৫.৫৪
জন ট্রিম (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
১৬.১৬
বিলি বেটস (ইংল্যান্ড)
১৬.৪২

তথ্য: ক্রিকইনফো
যোগ্যতা: পূর্ণাঙ্গ টেস্ট জীবনে কমপক্ষে ১০ উইকেট।

অর্জনসমূহ[সম্পাদনা]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে তাঁর স্বল্পকালীন অংশগ্রহণ ছিল। তবে, এ সময়ে ১৮ উইকেট তুলে নিয়েছেন তিনি। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম সর্বনিম্ন বোলিং গড়ের অধিকারী হচ্ছেন জন ট্রিম। উইকেট প্রতি ১৬.১৬ গড়ে খেলোয়াড়ী জীবনের সমাপ্তি ঘটিয়েছেন তিনি। প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন আরও সংক্ষিপ্ত প্রকৃতির ছিল। ব্রিটিশ গায়ানার পক্ষে চৌত্রিশ খেলায় অংশ নিয়ে ৯৬ উইকেট দখল করেন। ব্যাটহাতে একমাত্র অর্ধ-শতক করেছেন তিনি।[৪]

দেহাবসান[সম্পাদনা]

ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে ট্রিম তাঁর ক্রিকেট খেলোয়াড়ী জীবন ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত চালিয়ে যেতে থাকেন। ইস্ট ব্যাংক বারবাইসের নিউ অ্যামস্টারড্যামে ৪৫ বছর বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. George, p. 20.
  2. "England tour of West Indies, 1947/48 – 3rd Test"। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০১৪ 
  3. "Statistics / Statsguru / J Trim / Test matches"। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০১৪ 
  4. "Player Profile: John Trim"। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০১৪ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

  • George, M. (2012) A time in our history: Berbice Cricket from 1939 to 2012, Lulu.com.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]