অমলেন্দু দাশগুপ্ত

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
অমলেন্দু দাশগুপ্ত
জন্ম৮ আগস্ট, ১৯৩০
মৃত্যু৮ আগস্ট, ১৯৫৫
(বর্তমান ভারত ভারত)
জাতীয়তাভারতীয়, পাকিস্তানি
নাগরিকত্ব ব্রিটিশ ভারত (১৯৪৭ সাল পর্যন্ত)
 পাকিস্তান (১৯৬৪ সাল পর্যন্ত)
 ভারত
শিক্ষাবি.এ.
পেশারাজনীতিবিদ
নিয়োগকারীসাংবাদিকতা
পরিচিতির কারণব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী
আন্দোলনব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন
পিতা-মাতা
  • জগৎচন্দ্র দাশগুপ্ত (পিতা)

অমলেন্দু দাশগুপ্ত (৮ আগস্ট,১৯০৩- ৮ আগস্ট, ১৯৫৫) বাঙালি সাহিত্যিক ও ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী। তিনি স্বদেশী মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিপ্লবী কর্মকান্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। তার জন্ম তৎকালীন বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুরে[১]

জন্ম ও প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

অমলেন্দু দাশগুপ্তর জন্ম ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে র ৮ ই আগস্ট বৃটিশ ভারতের অধুনা বাংলাদেশের মাদারীপুরে। পৈতৃক বাড়ি ছিল ওই জেলারই খৈয়ারভাঙায়। পিতার নাম জগৎচন্দ্র দাশগুপ্ত। মাদারীপুরে ছাত্রাবস্থাতেই স্বদেশী মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দেন। সেকারণে পড়াশোনার জন্য চলে আসেন বহরমপুরে। এখানে আই.এ পড়তে শুরু করেন। কিন্তু এখানে জেলে মাদারীপুর দলের বন্দী বিপ্লবীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষায় প্রফুল্ল চ্যাটার্জি ও কালীপদ রায়চৌধুরীর সহযোগী ছিলেন। এই কাজে লিপ্ত থাকার কারণে অকস্মাৎ ধরা পড়েন ও কারারুদ্ধ হন। কারমুক্তির পর আই.এ পাশ করেন। ১৯২৩ - ২৪ খ্রিস্টাব্দে বি.এ ক্লাসে ভর্তি হন।

রাজনৈতিক কাজ[সম্পাদনা]

বিপ্লবী সংগঠনের নির্দেশে দক্ষিণ কলকাতা কংগ্রেস কমিটির কাজে কলকাতায় আসেন। করপোরেশনের স্কুলে শিক্ষকতা করেন। ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দে বি.এ পরীক্ষার কয়েকদিন পর গ্রেফতার হয়ে আট বৎসর বিভিন্ন জেলে কাটে। জেল থেকে মুক্তির পর ফজলুল হকের 'নবযুগ' পত্রিকার সম্পাদক হন। এখানে তার সহযোগী ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম। ১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দে সুভাষচন্দ্র বসুর হলওয়েল মনুমেন্ট অপসারণ আন্দোলনে যোগ দিয়ে কারারুদ্ধ হন এবং ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে ছাড়া পান।[২] তখন থেকে আমৃত্যু আনন্দবাজার পত্রিকার সম্পাদকীয় বিভাগে কাজ করেন।

উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ[সম্পাদনা]

  • বকশা ক্যাম্প
  • ডেটিনিউ
  • বন্দীর বন্দনা

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু সম্পাদিত, সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান, প্রথম খণ্ড, সাহিত্য সংসদ, কলকাতা, আগস্ট ২০১৬ পৃষ্ঠা ৩৮, আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭৯৫৫-১৩৫-৬
  2. স্বাধীনতা সংগ্রামী চরিতাভিধান - ডাঃ ননীগোপাল দেবদাস