রোমান প্রজাতন্ত্র
| রোমান প্রজাতন্ত্র মুদ্রায় লেখা হয়: রোমা ১০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের পর: Senatus PopulusQue Romanus ("রোমের সিনেট এবং জনগণ") |
|||||
|
|||||
|
৪০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জুলিয়াস সিজার নিহত হওয়ার প্রাক্কালে রোমান প্রজাতন্ত্রের প্রদেশসমূহের মানচিত্র]]
|
|||||
| রাজধানী | রোম | ||||
| ভাষাসমূহ | লাতিন, গ্রিক | ||||
| ধর্ম | রোমান বহুত্ববাদ | ||||
| সরকার | গোষ্ঠীশাসিত প্রজাতন্ত্র | ||||
| কনসুল | |||||
| - | ৫০৯ - ৫০৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দ | লুশিয়ুস ইউনিয়ুস ব্রুতুস, লুশিয়ুস তার্কুইনিয়ুস কোলাতিনুস | |||
| - | ২৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দ | সম্রাট আউগুস্তুস, মার্কুস ভিপসানিয়ুস আগ্রিপ্পা |
|||
| আইন-সভা | রোমান সংসদ | ||||
| ঐতিহাসিক যুগ | ধ্রুপদী প্রাচীন যুগ | ||||
| - | লুক্রেশিয়ার ধর্ষণ | ৫০৯ | |||
| - | সিজারের নিজেকে চিরন্তন একনায়ক ঘোষণা | ৪৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দ | |||
| - | আকশিয়ুমের যুদ্ধ | ২রা অক্টোবর, ৩১ খ্রিস্টপূর্বাব্দ | |||
| - | অক্টাভিয়ানের নিজেকে আউগুস্তুস ঘোষণা | ১৬ই জানুয়ারি ২৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দ | |||
| আয়তন | |||||
| - | ৩২৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ[১] | বর্গ কি.মি. ( বর্গ মাইল) | |||
| - | ২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ[১] | বর্গ কি.মি. ( বর্গ মাইল) | |||
| - | ১৪৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ[১] | বর্গ কি.মি. ( বর্গ মাইল) | |||
| - | ১০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ[১] | বর্গ কি.মি. ( বর্গ মাইল) | |||
| - | ৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ[১] | বর্গ কি.মি. ( বর্গ মাইল) | |||
| মুদ্রা | রোমান মুদ্রা | ||||
| বর্তমানে অংশ |
বর্তমানের দেশসমূহ
|
||||
| সতর্কবাণী: "মহাদেশের" জন্য উল্লিখিত মান সম্মত নয় | |||||
রোমান প্রজাতন্ত্র (লাতিন ভাষায়: Res Publica Romana, ইতালীয় ভাষায়: Repubblica romana, ইংরেজি ভাষায়: Roman Republic) বলতে আনুমানিক ৫০৯ থেকে ২৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত অস্তিত্বশীল একটি প্রজাতন্ত্রকে বোঝায় যার রাজধানী ছিল রোম নগরী। রোমে প্রজাতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এই সভ্যতার সরকার পরিচালিত হতো। ৫০৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোমান রাজতন্ত্র উৎখাতের পর একটি সিনেটের উপদেশে নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত দুইজন কনসালের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হতে থাকে, একেই বলা যায় প্রজাতন্ত্রের সূচনা। ক্ষমতার ভাগাভাগি এবং বিশ্লেষণ ও ভারসাম্যের নীতির উপর ভিত্তি করে শীঘ্রই একটি সংবিধান গড়ে ওঠে। খুব বেশি জরুরি অবস্থা দেখা না দিলে সকল সরকারি কর্মকর্তা মাত্র এক বছরের জন্য নির্বাচিত হতেন যাতে কোন একজন ব্যক্তি জনগণকে বেশি প্রভাবিত করে ফেলতে না পারে।
অবশ্য বাস্তবে রোমান সমাজে উঁচু-নিচুর অনেক ভেদাভেদ ছিল। রোমের ভূমিমালিক অভিজাত (পাত্রিকিয়ুস) এবং সংখ্যায় অনেক বেশি সাধারণ নাগরিকদের (প্লেবায়ুস) মধ্যে দ্বন্দ্ব নতুন সংবিধানটিকে অনেক প্রভাবিত করেছিল। উল্লেখ্য, পাত্রিকিয়ুসরা রোমান রাজত্বের যুগের রাজাদের উত্তরাধিকার হিসেবে নিজেদের দাবী করতেন। সময়ের সাথে সাথে যেসব আইন পাত্রিকিয়ুসদেরকে রোমের ঊর্ধ্বতন পদগুলো অধিগ্রহণের একচ্ছত্র অধিকার দিয়েছিল সেগুলো দুর্বল হতে থাকে এবং প্লেবায়ুসদের মধ্য থেকে একটি নতুন অভিজাত গোষ্ঠীর জন্ম হয়। সে সময় সামরিক ও রাজনৈতিক সফলতা একে অপরের সাথে উতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। প্রথম দুই শতাব্দীতে নতুন মিত্র তৈরি ও যুদ্ধের মাধ্যমে মধ্য ইতালি থেকে এক সময় সমগ্র ইতালীয় উপদ্বীপ প্রজাতন্ত্রের অধীনে আসে। তৃতীয় শতকে দখলে আসে উত্তর আফ্রিকা, আইবেরীয় উপদ্বীপ, গ্রিস এবং বর্তমান ফ্রান্সের দক্ষিণাংশ। এরও দুই শতাব্দী পরে ১ম খ্রিস্টপূর্বাব্দের শেষদিকে সমগ্র ফ্রান্স, এবং প্রাচ্যের বেশ কিছু অঞ্চল প্রজাতন্ত্রের অধিকারে চলে আসে। প্রজাতন্ত্রে কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির অতিরিক্ত প্রভাব-প্রতিপত্তি অর্জনে বাধানিষেধ থাকলেও এই পর্যায়ে রোমান সমাজ আসলে গুটিকয়েক নেতা ও তাদের মিত্রদের দ্বারাই শাসিত হতো।