উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
| 180px | |
| সংস্থাপিত | ১৯৯২ (১৯৫৫ পুরানো ফরম্যাটে) |
|---|---|
| অঞ্চল | ইউরোপ (উয়েফা) |
| দলের সংখ্যা | ৩২ (গ্রুপ পর্যায়) ৭৬ বা ৭৭ (সর্বমোট) |
| বর্তমান চ্যাম্পিয়নসমূহ | |
| সর্বাধিক সফল দল(সমূহ) | |
ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়ন ক্লাবস' কাপের উত্তরসূরী উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ ইউরোপের ক্লাব পর্যায়ের শীর্ষ দলগুলোকে অনুষ্ঠিত একটি ফুটবল প্রতিযোগিতা, ১৯৫৫ সাল থেকে যেটির আয়োজন করে আসছে ইউনিয়ন অব ইউরোপীয়ান ফুটবল এসোসিয়েশন (উয়েফা)। এই প্রতিযোগিতার পুরস্কার ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়ন ক্লাব'স কাপ (ইউরোপীয়ান কাপ নামে সমধিক পরিচিত) ক্লাব ফুটবলে জগতে সবচেয়ে গৌরবজনক হিসেবে বিবেচিত হয়। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ উয়েফা কাপ ও উয়েফা কাপ উইনার্স কাপ থেকে আলাদা প্রতিযোগিতা।
প্রতিযোগিতাটি কয়েকটি স্তরে বিভক্ত। বর্তমান ফরম্যাট অনুযায়ী মধ্য-জুলাই মাসে তিনটি প্রাথমিক নকআউট বাছাইপর্ব রয়েছে। বাছাই পর্ব থেকে উন্নীত ১৬টি দল আগে থেকে বাছাই করা ১৬টি দলের সাথে গ্রুপ পর্যায়ে প্রবেশ করে। গ্রুপ পর্যায়ের আটটি গ্রুপের বিজয়ী ও রানার্স-আপ নিয়ে ১৬টি দল মূল নকআউট স্তরে প্রবেশ করে। এই রাউন্ড ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে শুরু হয় এবং মে মাসে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। আগে কেবল বিভিন্ন লীগের চ্যাম্পিয়নদেরকেই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে দেয়া হত। ১৯৯৭ সাল থেকে বড় লীগের চ্যাম্পিয়নদের পাশাপাশি রানার্স-আপদেরও অংশ নিতে দেয়া হয়।
বিভিন্ন দল এই শিরোপা জিতেছে এবং অনেক দল একাধিক বার এই শিরোপা লাভ করেছে। এপর্যন্ত অনুষ্ঠিত আসর গুলোর মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদ রেকর্ড ৯ বার এই শিরোপা জিতেছে। এসি মিলান জিতেছে ৭ বার, লিভারপুল ৫ বার, আয়াক্স আমস্টারডাম ও বায়ার্ন মিউনিখ ৪ বার এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড জিতেছে ৩ বার।
বর্তমান উয়েফা চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা , যারা ২০০৯ সালে গতবারের চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়।
পরিচ্ছেদসমূহ |