টাংস্টেন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

টাংস্টেন (ইংরেজি: Tungsten, উলফ্রাম নামেও পরিচিত) একটি মৌলিক পদার্থ যার সংকেত W ও পারমাণবিক সংখ্যা ৭৬। টাংস্টেন একটি দৃঢ়, দুষ্প্রাপ্য ধাতু। প্রকৃতিতে একে বিশুদ্ধ মৌল রূপে পাওয়া যায় না, তবে আকরিক যৌগ হিসেবে পাওয়া যায়। এর প্রধাণ আকরিক দুইটি-- উলফ্রামাইট ও শিলাইট। টাংস্টেনকে মৌল হিসেবে চিহ্ণিত করা হয় ১৮৭১ সালে এবং প্রথম নিষ্কাশন করা হয় ১৮৭৩ সালে[১][২]। বিশুদ্ধ টাংস্টেন অত্যন্ত দৃঢ়, কিন্তু নমনীয়। এর গলনাংক ৩,৬৯৫ কেলভিন, যা মৌলসমূহের মধ্যে সর্বোচ্চ।

বিদ্যুত-বাতির ফিলামেন্ট, এক্স-রে টিউবের টার্গেট ও ফিলামেন্ট ও টিআইজি ওয়েল্ডিং-এর ইলেকট্রোড হিসেবে টাংস্টেন-জাত শংকরের বহুল প্রচলন রয়েছে। ক্ষেপনাস্ত্রের ছেদন-ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্যও টাংস্টেন ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন টাংস্টেন যৌগ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় প্রভাবক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

প্যাটেন্ট বিতর্ক[সম্পাদনা]

মার্কিন পদার্থবিদ উইলিয়াম কুলিজ জেনারেল ইলেকট্রিক কোম্পানিতে কর্মরত অবস্থায় বৈদ্যুতিক বাতির ফিলামেন্ট হিসেবে নমনীয় টাংস্টেন তৈরির প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৩ সালে (মার্কিন পেটেন্ট ১০,৮২,৯৩৩ ) এর পেটেন্ট লাভ করেন। ১৯২৮ সালে মার্কিন আদালতের সিদ্ধান্তে পেটেন্টটি বাতিল হয়ে যায়[৩][৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ITIA Newsletter" (PDF)। International Tungsten Industry Association। June 2005। সংগৃহীত 2008-06-18 
  2. "ITIA Newsletter" (PDF)। International Tungsten Industry Association। December 2005। সংগৃহীত 2008-06-18 
  3. General Electric Co. v. De Forest Radio Co., 28 F.2d 641, 643 (3rd Cir. 1928)
  4. Lakshman D. Guruswamy; Jeffrey A. McNeely (1998)। Protection of global biodiversity: converging strategies। Duke University Press। পৃ: 333–। আইএসবিএন 978-0-8223-2188-0। সংগৃহীত 7 August 2011