বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
|
|
যাচাইযোগ্যতার জন্য এই নিবন্ধের বাড়তি তথ্যসূত্র প্রয়োজন। অনুগ্রহ করে নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র যোগ করে নিবন্ধটি উন্নয়নে সহায়তা করুন। উৎস বা তথসূত্র বিহীন বিষয়বস্তুসমূহ চ্যালেঞ্জ করা হতে পারে এবং অপসারিত হতে পারে। |
| বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী | |
|---|---|
| নেতা | মতিউর রহমান নিজামী |
| সদর দপ্তর | ঢাকা, বাংলাদেশ |
| রাজনৈতিক মতাদর্শ | ইসলামী |
| ওয়েবসাইট | |
| jamaat-e-islami.org | |
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, যার পূর্বনাম ছিলো জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ[১] বাংলাদেশের একটি কুখ্যাত[২] [৩]রাজনৈতিক দল যাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতার[৪] অভিযোগ আছে।[৫][৬][৭] এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল। ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে এটি ৩০০ আসনের মধ্যে ১৮ টি আসন লাভ করে।পরবর্তীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বে গঠিত চার দলীয় ঐক্যজোটের অন্যতম শরিক হিসেবে সরকার গঠনে ভূমিকা পালন করে। এরপর ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে এটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২ টি আসন লাভ করে। এই দলটির ছাত্র শাখার নাম বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। দলটির বর্তমান প্রধান কুখ্যাত[৮] যুদ্ধাপরাধী[৯] মতিউর রহমান নিজামী। ২০১০ সালের ২৯শে জুন তিনি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন।[১০] বাংলাদেশবিরোধী জামায়াতিরাই একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী[১১] সেটা নানা প্রমাণের[১২]মাধ্যমে আমরা দেখতে পাই।[১৩] তাই জামায়াত আর রাজাকার সমার্থক শব্দ।[১৪] শীর্ষ ৫০ যুদ্ধাপরাধীদের প্রাথমিক তালিকাতে ৩য় অবস্থানে আছেন মতিউর রহমান নিজামী যা ২০০৮ সালে প্রকাশ করেছে সেক্টর কমান্ডার ফোরাম ।[১৫]
পরিচ্ছেদসমূহ |
[সম্পাদনা] বাংলাদেশ পূর্ব অধ্যায়
সৈয়দ আবুল আলা মওদুদী সূচিত এই সংগঠনটির মূল নাম ছিল জামায়াতে ইসলামী হিন্দ। ১৯৪১ সালের ২৬ আগস্ট এর প্রতিষ্ঠা। ১৯৬২ সালে আইয়ুব খান প্রণিত মুসলিম পরিবার আইন অধ্যাদেশের বিরোধিতা করার কারণে ১৯৬৪ সালের ৪ জানুয়ারি জামায়াতে ইসলামীর কর্মকান্ডের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। মওদুদী সহ ৬০ জন জামায়াত নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের ১৩ জন জামায়াত নেতা ছিলেন। অধ্যাপক গোলাম আযম তাদের একজন। ঐ বছর অক্টোবরেই আবার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ প্রদত্ত ছয় দফা এবং মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ঘোষিত ১১ দফার তারা তীব্র বিরোধিতা করে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী পশ্চিম পাকিস্তানে ৪ টি আসন লাভ করে। মুক্তিযুদ্ধকালীন ১৯৭১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ডাঃ আব্দুল মালিক কে গভর্নর করে ১৭ই সেপ্টেম্বার একটি প্রাদেশিক সরকার গঠন করা হয়। [১৬]সে সরকারের মন্ত্রী সভায় পরবর্তীকালে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর আব্বাস আলী খান ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী।[১৭]
[সম্পাদনা] বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা
১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের তীব্র বিরোধিতা করে। ২৫ মার্চ রাতে সংঘটিত অপারেশন সার্চলাইট এর ছয় দিন পর গোলাম আযম ঢাকা বেতার কেন্দ্র থেকে একটি ভাষণ দেন। এ ভাষণে তিনি ভারতের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, " ভারত সশস্ত্র অনুপ্রবেশকারী প্রেরণ করে কার্যত পূর্ব পাকিস্তানীদের দেশপ্রেমকে চ্যালেঞ্জ করেছে।...আমি বিশ্বাস করি যে, এই অনুপ্রবেশকারীরা পূর্ব পাকিস্তানী মুসলমানদের নিকট হতে কোন প্রকার সাহায্য পাবে না। [১৮]
জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সাহায্য করতে রাজাকার, আলবদর, আলশামস্ প্রভৃতি বাহিনী গড়ে তোলেন। এরা পুরো মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী বাহিনীর পক্ষে কাজ করে। ৩০ জুন লাহোরে সাংবাদিকদের কাছে গোলাম আযম বলেন, "তাঁর দল পূর্ব পাকিস্তানে দুস্কৃতকারীদের (মুক্তিযোদ্ধা) তৎপরতা দমন করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছে এবং এ কারণেই দুস্কৃতকারীদের হাতে বহু জামায়াত কর্মী নিহত হয়েছে। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল পাকিস্তানের অখন্ডতা রক্ষার উদ্দেশ্য ঢাকায় শান্তি কমিটি গঠন করা হয়। এর সদস্য ছিলেন পাকিস্তানপন্থী রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বরা। গোলাম আযম ও এই কমিটির সদস্য ছিলেন।
১৯৭১ সালের ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর দৈনিক সংগ্রাম এ গোলাম আযমের পশ্চিম পাকিস্তান সফরকালের একটি সাক্ষাৎকারের পূর্ণ বিবরণ দুই কিস্তিতে ছাপা হয়। এই সাক্ষাতকারে তিনি মুক্তিবাহিনীর সাথে তার দলের সদ্স্যদের সংঘর্ষের বিভিন্ন বিবরণ ও পূর্ব পাকিস্তান পরিস্থতির ওপর মন্তব্য করেন। তিনি বলেন বিচ্ছিন্নতাবাদীরা জামায়াতকে মনে করতো পহেলা নম্বরের দুশমন। তারা তালিকা তৈরি করেছে এবং জামায়াতের লোকদের বেছে বেছে হত্যা করছে, তাদের বাড়িঘর লুট করছে জ্বালিয়ে দিয়েছে এবং দিচ্ছে। এতদসত্বেও জামায়াত কর্মীরা রেজাকারে ভর্তি হয়ে দেশের প্রতিরক্ষায় বাধ্য। কেননা তারা জানে 'বাংলা দেশে' ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য কোন স্থান হতে পারে না। জামায়াত কর্মীরা শহীদ হতে পারে কিন্তু পরিবর্তিত হতে পারে না। [১৯]
[সম্পাদনা] বাংলাদেশ অধ্যায়
১৯৭১ সালের পর ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হলে জামায়াত ও এর আওতায় পড়ে। ১৯৭৬ সালের আগস্টে জিয়াউর রহমান সরকার সকল ধরণের রাজনৈতিক দলের রাজনীতি উন্মুক্ত করে রাজনৈতিক দল অধ্যাদেশ ঘোষণা করেন। এ সময় ইসলামিক ডেমোক্র্যাটিক পার্টি নামক একটি দলের সাথে জামায়াতে ইসলামী যুক্ত ছিল। পরে গোলাম আযম বাংলাদেশে ফিরে এলে ১৯৭৯ সালের মে মাসে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ গঠিত হয়। এর ভারপ্রাপ্ত আমীর পদ লাভ করেন আব্বাস আলি খান।
[সম্পাদনা] বর্তমান নেতৃত্ব
আমীর (দলীয় প্রধান)- মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী।
সিনিয়র নায়েবে আমীর- মাওলানা আবুল কালাম মুহম্মদ ইউসুফ।
নায়েবে আমীর- জনাব মকবুল আহমদ।
নায়েবে আমীর- অধ্যাপক এ. কে. এম নাযির আহমদ।
সেক্রেটারী জেনারেল- আলী আহসান মুহম্মদ মুজাহিদ।
এসিস্টেন্ট সেক্রেটারী জেনারেল- মুহাম্মদ কামারুজ্জামান।
এসিস্টেন্ট সেক্রেটারী জেনারেল- আব্দুল কাদের মোল্লা।
এসিস্টেন্ট সেক্রেটারী জেনারেল- এ. টি. এম. আজহারুল ইসলাম।
[সম্পাদনা] সংগঠনের মৌলিক বিশ্বাস
|
|
এই নিবন্ধ এমনভাবে লেখা হয়েছে মনে হচ্ছে তা একটি ব্যক্তিগত প্রতিবিম্ব বা রচনা এবং হয়তো এর পরিচ্ছন্নতা প্রয়োজন। অনুগ্রহ করে নিবন্ধটিকে বিশ্বকোষীয় শৈলীতে পুনর্লিখন করে মানোন্নয়নে সহায়তা করুন। |
"(লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ) অর্থাৎ আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নাই, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর রাসূল।
ব্যাখ্যা: (ক) এই আকীদার প্রথমাংশ অর্থাৎ আল্লাহর একমাত্র ইলাহ হওয়া এবং আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাহারও ইলাহ না হওয়ার অর্থ এই যে, আকাশমণ্ডল ও পৃথিবীর মধ্যে যাহা কিছু আছে সেই সব কিছুর সৃষ্টিকর্তা, প্রতিপালক, মা’বুদ এবং প্রাকৃতিক ও বিধিগত সার্বভৌম সত্ত্বা হইতেছেন একমাত্র আল্লাহ। এই সবের কোন এক দিক দিয়াও তেহই তাহার সহিত শরিক নাই।"
ধারা-২
এই সংগঠনের মৌলিক আকিদাগুলো এভাবে বর্ণিত আচ্ছে,
"এই মৌলিক সত্য কথাটি জানিয়া ও মানিয়া লইলে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অনিবার্যরূপে গ্রহণ করিতে হয়:
১। মানুষ আল্লাহ ব্যতীত আর কাহাকেও নিজোর পৃষ্ঠপোষক , কার্য সম্পাদনকারী, প্রয়োজন পূরণকারী, বিপদ দূরকারী, ফরিয়াদ শ্রাবণকারী ও গ্রহণকারী এবং সাহায্যদাতা ও রক্ষাকর্তা মনে করিবে না। কেননা তিনি ব্যতীত আর কাহারও নিকট কোন ক্ষমতা নাই।
২। আল্লাহ ব্যতীত আর কাহাকেও কল্যাণকারী মনে করিবে না, কাহারও সম্পর্কে অন্তরে ভীতি অনুভব করিবে না, কাহারও উপর ইনর্ভর করিবে না, কাহারও প্রতি কোন আশা পোষন করিবে না এবং এই কথা বিশ্বাস করিবে না যে, আল্লাহর অনুমোদন ব্যতীত কাহারও উপর কোন বিপদ-মুসীবত আপর্তিত হইতে পারে। কেননা সকল প্রকার ক্ষমতা ও ইখতিয়ার একমাত্র আল্লাহরই।
৩। আল্লাহ ব্যতীত আর কাহারও নিকট দোয়া বা প্রার্থনা করিবে না, কাহারও নিকট আশ্রয় খুঁজিবে না, কাহাকেও সাহায্যের জন্য ডাকিবে না এবং আল্লাহর ব্যবস্থাপনায় কাহাকেও এতখানি প্রভাবশালী বা শক্তিমান মনে করিবে না যে, তাহার সুপারিশে আল্লাহর ফায়সালা পরিবর্তিত হইতে পারে। কেননা তাঁহার রাজ্যে সকলেই ক্ষমতাহীন প্রজা মাত্র।
৪। আল্লাহ ব্যতীত আর কাহারও সম্মুখে মাথা নত করিবে না এবং কাহারও উদ্দেশে মানত করিবে না। কেননা এক আল্লাহ ব্যতীত ইবাদত (দাসত্ব আনুগত্য ও উপাসনা) পাইবার অধিকারী আর কেহই নাই।
৫। আল্লাহ ব্যতীত অপর কাহাকেও বাদশাহ, রাজাধিরাজ ও সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক মানিয়া লইবে না, কাহাকেও নিজস্বভাবে আদেশ ও নিষেধ করিবার অধিকারী মনে করিবে না, কাহাকেও স্বয়ংসম্পূর্ণ বিধানদাতা ও আইনপ্রণেতা মানিয়া লইবে না এবং আল্লাহর আনুগত্য ও তাঁহার দেওয়া আইন পালনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত নয় এমন সকল আনুগত্য মানিয়া লইতে অস্বীকার করিবে। কেননা স্বীয় সমগ্র রাজ্যের নিরঙ্কুশ মালিকানা ও সৃষ্টিলোকের সার্বভৌমত্বের অধিকার আল্লাহ ব্যতীত অপর কাহারও আসলেই না।" [২০]
[সম্পাদনা] উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য
|
|
এই নিবন্ধ এমনভাবে লেখা হয়েছে মনে হচ্ছে তা একটি ব্যক্তিগত প্রতিবিম্ব বা রচনা এবং হয়তো এর পরিচ্ছন্নতা প্রয়োজন। অনুগ্রহ করে নিবন্ধটিকে বিশ্বকোষীয় শৈলীতে পুনর্লিখন করে মানোন্নয়নে সহায়তা করুন। |
গঠনতন্ত্রের ধারা ৩ অনুসারে
জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ-এর দৃষ্টিতে দ্বীন ও ইসলামী জীবন বিধান একই অর্থবোধক পরিভাষা। তাই ইসলামী জীবন বিধান কায়েম করাই কুরআন মজীদে ব্যবহৃত ‘ইকামাতে দ্বীন’ পরিভাষাটির সঠিক অর্থ।
আল্লাহর দ্বীন কায়েম করিবার অর্থ উহার অংশবিশেষ কায়েম করা নয়, বরং পরিপূর্ণ দ্বীন কায়েম করা। নামাজ, রোজা, হজ্জ ও ও যাকাত, অর্থনীতি, সমাজনীতি, তামাদ্দুন, রাজনীতি ও আধ্যাত্মিকতা ইত্যাদি সবকিছু লইয়াই পূর্নাংগ ইসলাম। মু’মিন ব্যিক্তর কাজই হইতেছে এই ইসলামকে বিভিন্ন অংশে বিভক্ত অথবা ইহার কেন অংশ বর্জন না করিয়া উহাকে উহাকে সম্পূর্ণরূপে কায়েম করিবার জন্য চেষ্টা ও সাধনা করা।
উপরিউক্ত উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হাসিলের জন্য জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ-এর কার্যক্রম নিম্নরূপ হইবে:
১। ইসলামী মূল্যবোধের উজ্জীবন ও ঐক্য সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সর্বপ্রকার আভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক হুমকি এবং বিশৃংখলা হইতে রক্ষা করিবার প্রচেষ্টা চালান।
ব্যাখ্যা: এইখানে সার্বভৌমত্ব শব্দটি ভৌগলিক অর্থে ব্যবহার করা হইয়াছে। ইসলামে আইনগত সার্বভৌমত্বের অধিকারী একমাত্র আল্লাহ।
২। দায়িত্বশীল নাগরিক এবং চরিত্রবান ও যোগ্য নেতৃত্ব সৃষ্টির মাধ্যমে শোষনহীন, ইনসাফভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন করিয়া জনসাধারণের সামগ্রিক কল্যাণ সাধন করা।
৩। ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে বিশ্ব মুসলিম ভ্রাতৃত্ব গড়িয়া তোলা এবং বিশ্বের সকল রাষ্ট্রের সংগে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করা। [২১]
[সম্পাদনা] সাংগঠনিক কাঠামো
|
|
এই নিবন্ধ এমনভাবে লেখা হয়েছে মনে হচ্ছে তা একটি ব্যক্তিগত প্রতিবিম্ব বা রচনা এবং হয়তো এর পরিচ্ছন্নতা প্রয়োজন। অনুগ্রহ করে নিবন্ধটিকে বিশ্বকোষীয় শৈলীতে পুনর্লিখন করে মানোন্নয়নে সহায়তা করুন। |
জামায়াতের সাংগঠনিক ম্তর নিম্নরূপ:
কেন্দ্রিয় সংগঠন, জিলা সংগঠন, থানা সংগঠন ও ইউনিঙন/ পৌরসভা সংগঠন।
জামায়াতে ইসলামী বাঙলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সংগঠন নিম্নলিখিত সংস্থা ও পদের সমন্বয়ে গঠিত
১। কেন্দ্রীয় রুকন (সদস্য) সম্মেলন,
২। আমীরে জামায়াত,
৩। কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা;
৪। কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ এবং
৫। কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ।
[সম্পাদনা] কেন্দ্রীয় রুকন (সদস্য) সম্মেলন
১। জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ- এর সকল বিষয়ে রুকন (সদস্য) সম্মেলনই চুড়ান্ত ক্ষমতার অধিকারী হবে।
২। আমীরে জামায়াত কিংবা মজলিসে শুরা যখন প্রয়োজন মনে করবেন রুকন (সদস্য) সম্মেলন আহবান করতে পারবেন।
[সম্পাদনা] আমীরে জামায়াত
|
|
এই নিবন্ধ এমনভাবে লেখা হয়েছে মনে হচ্ছে তা একটি ব্যক্তিগত প্রতিবিম্ব বা রচনা এবং হয়তো এর পরিচ্ছন্নতা প্রয়োজন। অনুগ্রহ করে নিবন্ধটিকে বিশ্বকোষীয় শৈলীতে পুনর্লিখন করে মানোন্নয়নে সহায়তা করুন। |
ধারা-১৫ তে আমীরে জামায়াত সম্পর্কে বলা আচ্ছে,
"১। জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ-এর একজন আমীর থাকিবেন।
২। রুকনগণের (সদস্যগণের) সরাসরি গোপন ভোটে আমীরে জামায়াত তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হইবেন।
৩। আমীরে জামায়াতের নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্যগণ তিনজনের একটি প্যানেল নির্বাচন করিবেন। তবে আমীর নির্বাচনে প্যানেল বহির্ভূত যে কোন রুকনকে (সদস্যকে) ভোট দেয়ার অধিকার ভোটারগণের থাকিবে।
৪। নির্বাচিত হওয়ার পর আমীরে জামায়াত কেন্দ্রীয় মজলিসে শূলার নির্বাচিত সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রধান নির্বাচন পরিচালকের সম্মুখে শপথ গ্রহণ করিবেন।
৫। সকল মা’রুফ কাজে রুকনগণ (সদস্যগণ) আমীরে জামায়াতের আনুগত্য করিয়া চলিতে বাধ্য থাকিবেন।
৬। আমীরে জামায়াত যদি অনুর্ধ্ব ছয় মাসের জন্য দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন, তাহা হইলে তিনি কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের পরামর্শক্রমে নায়েবে আমীরগণের মধ্য হইতে েকান একজনকে উক্ত সময়ের জন্য ভারপ্রাপ্ত আমীর নিয়োগ করিবেন। কান্তু আমীরের অক্ষমতাকাল ছয় মাসের বেশী হইলে অথবা আকস্মিকভাবে আমীরের পদ শূণ্য হইলে কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অনুমোদন সাপেক্ষে নায়েবে আমীরগণের মধ্য হইতে কোন একজনকে অস্থায়ীভাবে ভারপ্রাপ্ত আমীর নিযুক্ত করিবে। এইরূপ নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত আমীর অনূর্ধ্ব ছয় মাসের মধ্যে অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য নতুন আমীর নির্বাচেনর ব্যবস্থা করিবেন। কিন্তু বিশেষ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা যুক্তিযুক্ত করিলে এইরূপ নির্বাচন যুক্তিসঙ্গত সময়সীমা পর্যন্ত স্থগিত করিয়া অস্থায়ী ভারপ্রাপ্ত আমীরের কার্যক্রম বর্ধিত করিতে পারিবে, তবে এইরূপ স্থগিতকরণ ও কার্যকাল বর্ধিতকরণ গঠনতন্ত্রের স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী অনুষ্ঠিতব্য আমীরের জামায়াত নির্বাচনের সময়সীমা অতিক্রম করিতে পারিবে না।
৭। আমীরে জামায়াত কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করিবেন। কিন্তু দৈনন্দিন কার্য সম্পাদন এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সিদ্ধান্ত নাই এমন কোন বিষয়ে তিনি কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার পরবর্তী প্রথম অধিবেশেনর অনুমোদন সাপেক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের পরামর্শক্রমে জরুরী ও সাময়িক পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন।"
তার দায়িত্ব সম্পর্কে বলা আচ্ছে,
জামায়াতের সংগঠন ও আন্দোলন চালাইয়া যাওয়ার প্রধান দায়িত্ব আমীরে জামায়াতের উপর অর্পিত থাকিবে। (ক) আমীরে জামায়াত কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা বো রুকন (সদস্য) সম্মেলনের নিকট দায়ী থাকিবেন। (খ) আমীরে জামায়াতে কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সহিত পরামর্শ করিয়া জামায়াতের নীতি-নির্ধারণ ও সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফায়সালা করিবেন
[সম্পাদনা] তথ্য সূত্র
- ↑ জামায়াত তার নাম পরিবর্তন করেছে। দ্য ডেইলি নিউ নেশন, ২১ অক্টোবর, ২০০৮
- ↑ জনতার আদালতে জামাতে ইসলামী- দিব্য প্রকাশ, ৩৮/২ ক, বাংলাবাজার, ঢাকা, পৃষ্ঠা-১৮
- ↑ দৈনিক পাকিস্তান, ২৮শে নভেম্বর, ১৯৭১ , সাভারে রাজাকার বাহিনীর কমান্ডারদের ট্রেনিং শেষে জেনারেল নিয়াজী বলেনঃ"একদিকে তাদের ভারতীয় চরদের সকল চিহ্ন মুছে ফেলতে হবে, অন্যদিকে বিপথগামী যুবকদের সঠিক পথে আনতে হবে।"
- ↑ http://www.genocidebangladesh.org/?page_id=16 রাজাকার ও তাদের সহযোগীরা
- ↑ জনতার আদালতে জামাতে ইসলামী- দিব্য প্রকাশ, ৩৮/২ ক, বাংলাবাজার, ঢাকা, পৃষ্ঠা-২৯
- ↑ http://www.genocidebangladesh.org/?page_id=246 তারা যা বলেছিল ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে
- ↑ http://www.mukto-mona.com/Articles/Ali_Akbar_Tabu/sangram1.pdf দৈনিক সংগ্রামের ভূমিকা ১৯৭১ সালে
- ↑ জনতার আদালতে জামাতে ইসলামী- দিব্য প্রকাশ, ৩৮/২ ক, বাংলাবাজার, ঢাকা, পৃষ্ঠা-২০
- ↑ http://www.library.shuchinta.com/nizamiRole71.pdf নিজামীর ভূমিকা ১৯৭১ সালে
- ↑ [১]
- ↑ 'একাত্তরের ঘাতক দালালরা কে কোথায়' (সম্পাদনাঃ ডঃ আহমদ শরীফ, কাজী নূর-উজ্জামান, শাহরিয়ার কবির), মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বিকাশ কেন্দ্র
- ↑ 'একাত্তরের দুঃসহ স্মৃতি'- সম্পাদনাঃশাহরিয়ার কবির, প্রকাশকঃ কাজী মুকুল, সাধারণ সম্পাদক-একাত্তরের ঘাতক দালাল নরর্মূল কমিটি, ঢাকা, ১৯৯৯, পৃষ্ঠা-২০)
- ↑ ১৮ই নভেম্বর ১৯৭১ সালে মতিউর রহমান নিজামী লিখেছেন দৈনিক সংগ্রামেঃ "সেদিন আর খুব দূরে নয় যেদিন আল-বদরের তরুণ যুবকরা আমাদের সশস্ত্রবাহিনীর পাশাপাশি দাঁড়িয়ে হিন্দু বাহিনীকে পর্যুদস্ত করবে।"
- ↑ [২]
- ↑ [৩]
- ↑ http://profile-bengal.com/mnnews/sep01.html#dr_a_m_malik
- ↑ http://profile-bengal.com/mnnews/sep18.html#ten_member_council
- ↑ দৈনিক সংগ্রাম, ৭ এপ্রিল ১৯৭১
- ↑ দৈনিক সংগ্রাম ৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭১
- ↑ http://shujan.org/2009/07/20/জামায়াতে-ইসলামী-বাংলাদেশ/
- ↑ http://shujan.org/2009/07/20/জামায়াতে-ইসলামী-বাংলাদেশ/
- ↑ http://shujan.org/category/political-party/

