বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন।[১] আদর্শিকভাবে এটি সর্ববৃহৎ ইসলামী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাথে সংযুক্ত। এই দলটির পূর্বতন নাম ছিল পাকিস্তান ছাত্র সংঘ[২]

ইতিহাস

১৯৭১ এর পূর্বে জামায়াতের তৎকালীন ছাত্রসংস্থার নাম ছিল ইসলামী ছাত্রসংঘ।১৯৭৭ সালে পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে তারা ইসলামী ছাত্রশিবির নামে আত্মপ্রকাশ করে।।১৯৭৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে শিবির প্রতিষ্ঠিত হয়।প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন মীর কাশেম আলী[৩]

ছাত্র শিবিরের কার্যক্রম

শিবির দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরিক্ষার জন্য গাইড ও কোচিং সেন্টারের ব্যবস্থা ছাড়াও মেধা যাচাই, ক্যারিয়ার গাইডলাইন কনফারেন্স, কম্পিউটার মেলা, বিজ্ঞান মেলা, সাধারণ জ্ঞানের আসর, আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, ক্রিকেট ও ফুটবল প্রতিযোগিতারও আয়োজন করে থাকে। ১৯৮৮, ১৯৯১, ১৯৯৮, ২০০০, ২০০১ এর প্রলয়ংকরী বন্যার পর শিবিরের ত্রাণবিতরণ কর্মসূচি পরিচালনা করে।২০০৭ এ সিডরে ক্ষতিগ্রস্থ দক্ষিনাঞ্চলের জনপদে ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি আটকে পড়া দুর্গত মানুষদের উদ্ধারেও অংশগ্রহণ করে। একই ভাবে ২০০৯ সালে পটুয়াখালী, সাতীরা ও খুলনা এলাকার আইলা আক্রান্ত মানুষদের জন্য ত্রাণবিতরণ কর্মসূচি পরিচালনা করে।[৪]

সমালোচনা

ছাত্র সংগঠনটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কতৃক যুদ্ধাপরাদের দায়ে দন্ডিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের মুক্তির দাবিতে ধংসাত্বক আন্দোলনের কারনে ব্যপক সমালোচিত হয়।[১][৫][৬][৭] ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি অধিভুক্ত ন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম ফর স্টাডি অব টেরোরিজম অ্যান্ড রেসপন্স টু টেরোরিজমের তৈরি ফাইলে ছাত্র শিবিরকে একটি ভয়ংকর জঙ্গি সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করা হয়। আরও বলা হয় যে এটির সাথে পৃথিবীর বৃহৎ জঙ্গী সংগঠনসমূহের সম্পর্ক রয়েছে।[৮][৯]

বহিঃসংযোগ

তথ্যসূত্র