জর্জিয়া (জর্জীয় ভাষায়: საქართველო সাকার্ত্ভ়েলো) এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশের সীমানায় অবস্থিত একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এর রাজধানীর নাম তিবিলিসি। জর্জিয়া কৃষ্ণ সাগর ও কাস্পিয়ান সাগরের মধ্যে অবস্থিত স্থলযোটক দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের সবচেয়ে পশ্চিমে অবস্থিত রাষ্ট্র। দক্ষিণ ককেশাসের অন্য রাষ্ট্রগুলি হল আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া।
জর্জিয়ার ভূমিরূপ বিচিত্র। এখানে রয়েছে উচ্চ পর্বতমালা এবং উর্বর উপকূলীয় নিম্নভূমি। জনসংখ্যার অধিকাংশই জর্জীয় জাতির লোক। ১৯২২ সালে দেশটিকে সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৯৯১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর দেশটিতে রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। এইসব ঘটনার কারণে এবং অন্যান্য প্রাক্তন সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রগুলির সাথে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন হবার ফলে জর্জিয়ার অর্থনীতিতে ধ্বস নামে। তবে ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি নাগাদ রাজনৈতিক সংঘাত কমে গেলে এবং মুক্ত বাজার সংস্কারগুলি প্রতিষ্ঠিত হলে দেশটির অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরে আসে। ১৯৯৫ সালের আগস্ট মাসে জর্জিয়ার প্রথম সোভিয়েত-উত্তর সংবিধান পাস হয়।
জর্জিয়ার সীমানার অভ্যন্তরে দুইটি স্বায়ত্তশাসিত প্রজাতন্ত্র বিদ্যমান। একটি হল জর্জিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিম কোনায় অবস্থিত আজারিয়া এবং অপরটি দেশের উত্তর-পশ্চিম বাহুতে অবস্থিত আবখাজিয়া। দুইটি প্রজাতন্ত্রেরই কৃষ্ণ সাগরে এক চিলতে উপকূল আছে। এছাড়াও দক্ষিণ অসেটিয়া নামের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল দেশের উত্তরে মধ্যভাগে অবস্থিত। আবখাজিয়া ও দক্ষিণ অসেটিয়ার উত্তরে রাশিয়া অবস্থিত। আজারিয়ার দক্ষিণে তুরস্ক অবস্থিত।
জর্জিয়ার রাজনীতি একটি অর্ধ-রাষ্ট্রপতিশাসিত প্রতিনিধিত্বমূলক বহুদলীয় গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কাঠামোয় সংঘটিত হয়। রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের প্রধান। সরকারপ্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী। রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা সরকারের উপর ন্যস্ত। আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সরকার এবং আইনসভা উভয়ের উপর ন্যস্ত।
[সম্পাদনা] প্রশাসনিক অঞ্চলসমূহ
|
জর্জিয়ার বিভিন্ন বিষয়ের নিবন্ধসমূহ
|
|
|
|
|
|
|
|
| সার্বভৌম রাষ্ট্র |
|
|
|
অধীনস্থ এলাকা
এবং চুক্তি দ্বারা নির্ধারিত
বিশেষ এলাকা |
|
|
| অস্বীকৃত রাষ্ট্র সমূহ |
|
ডেনমার্ক
|
|
|
|
ফিনল্যাণ্ড
|
|
|
|
যুক্তরাজ্য
|
|
|
|
টীকা: (১) কিছু অংশ এশিয়াতে অবস্থিত; (২) সম্পূর্ণভাবেই এশিয়াতে অবস্থিত, কিন্তু সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে ইউরোপের সাথে যুক্ত; (৩) সম্পূর্ণভাবে উত্তর আমেরিকাতে অবস্থিত, কিন্তু সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে ইউরোপের সাথে যুক্ত; (৪) শুধু তুরস্কই এই দেশটিকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
|
|