অ্যাঙ্গোলা
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
| República de Angola রাপুব্লিকা দ্যি আঁগলা অ্যাঙ্গোলা প্রজাতন্ত্র
|
||||||
|---|---|---|---|---|---|---|
|
|
||||||
| নীতিবাক্য "Virtus Unita Fortior" (Latin) "Unity Provides Strength" |
||||||
| জাতীয় সঙ্গীত Angola Avante! (Portuguese) Forward Angola! |
||||||
| রাজধানী (ও বৃহত্তম নগরী) |
লুয়ান্ডা |
|||||
| রাষ্ট্রভাষা (সমূহ) | পর্তুগিজ | |||||
| স্বীকৃত আঞ্চলিক ভাষাসমূহ | কোঙ্গো, চোকুয়ে, দক্ষিণ ম্বুন্ডু, ম্বুন্ডু | |||||
| জাতীয়তাসূচক বিশেষণ | অ্যাঙ্গোলীয়, অ্যাঙ্গোলান | |||||
| সরকার | Presidential republic | |||||
| - | President | José E. dos Santos | ||||
| - | Prime Minister | Paulo Kassoma | ||||
| Independence | পর্তুগাল থেকে | |||||
| - | Date | নভেম্বর ১১ ১৯৭৫ | ||||
| - | জলভাগ (%) | negligible | ||||
| জনসংখ্যা | ||||||
| - | ২০০৫ আনুমানিক | ১৫,৯৪১,০০০ (৬১) | ||||
| - | ১৯৭০ আদমশুমারি | ৫,৬৪৬,১৭৭ | ||||
| জিডিপি (পিপিপি) | ২০০৫ আনুমানিক | |||||
| - | মোট | $43.362 billion (৮২) | ||||
| - | মাথাপিছু | $২৮১৩ (১২৬) | ||||
| মানব উন্নয়ন সূচক (২০০৪) | ||||||
| মুদ্রা | কুয়াঞ্জা (AOA) |
|||||
| সময় স্থান | WAT (ইউটিসি+১) | |||||
| - | গ্রীষ্মকালীন (ডিএসটি) | not observed (ইউটিসি+১) | ||||
| ইন্টারনেট টিএলডি | .ao | |||||
| কলিং কোড | +২৪৪ | |||||
অ্যাঙ্গোলা (পর্তুগিজ: Angola আঁগলা, কোঙ্গো: Ngola ঙ্গোলা) দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকায় আটলান্টিক মহাসাগরের তীরে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র। ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত এটি পর্তুগালের অধীনে ছিল এবং পর্তুগিজ পশ্চিম আফ্রিকা নামেও এটি পরিচিত ছিল। ১৯৭৫ সালে পর্তুগিজদের বিরুদ্ধে অ্যাঙ্গোলানদের প্রায় ১৫ বছর যুদ্ধের পর দেশটি স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতার পর পরই বিরোধী অ্যাঙ্গোলান দলগুলির মধ্যে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যায় এবং ২১ শতকের প্রথম কয়েক বছর পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
অ্যাঙ্গোলা নামটি "ন্গোলা" শব্দ থেকে এসেছে। উত্তর অ্যাঙ্গোলার ম্বুটু গোত্রের শাসকদের ন্গোলা নামে ডাকা হত। বর্তমান অ্যাঙ্গোলার রাজধানী ও ব্রৃহত্তম শহর লুয়ান্ডা। অ্যাঙ্গোলার সরকারী ভাষা পর্তুগিজ, যদিও বেশির ভাগ পর্তুগিজ দেশটি ছেড়ে চলে গেছেন। পোর্তুগিজ ছাড়াও অধিকাংশ অ্যাঙ্গোলান সাধারণত বান্টু ভাষাগুলির যেকোন একটিতে কথা বলেন।
অ্যাঙ্গোলা আফ্রিকান দেশগুলির মধ্যে সবচেয়ে ধনী দেশে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। দেশটিতে পেট্রোলিয়াম সম্পদ, জলবিদ্যুৎ নির্মাণের সুযোগ, উর্বর ক্ষেতখামার, হীরা ও অন্যান্য খনিজ সম্পদ --- এ সবই বিদ্যমান। কিন্তু স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় দেশটির ক্ষতিসাধন হয় এবং তারপর গৃহযুদ্ধের সময় পেট্রোডলারের অধিকাংশই অনুন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় হয়। ২০০২ সালে একটি সন্ধিচুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটে এবং এখন দেশটি শান্তি ও অর্থনৈতিক উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
সূচিপত্র |
[সম্পাদনা] ইতিহাস
[সম্পাদনা] রাজনীতি
[সম্পাদনা] প্রশাসনিক অঞ্চলসমূহ
[সম্পাদনা] ভূগোল
[সম্পাদনা] অর্থনীতি
[সম্পাদনা] জনসংখ্যা
[সম্পাদনা] সংস্কৃতি
[সম্পাদনা] আরও দেখুন
[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ
|
|||||