দক্ষিণ সুদান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
দক্ষিণ সুদান প্রজাতন্ত্র
দক্ষিণ সুদান-এর পতাকা দক্ষিণ সুদান-এর জাতীয় প্রতীক
নীতিবাক্য
"Justice, Liberty, Prosperity" (ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা, প্রগতি)
সঙ্গীত
"সাউথ সুদান ওয়ে!"
রাজধানী
(ও বৃহত্তম নগরী)
জুবা
04°51′N 31°36′E / 4.85°উ 31.6°পূ / 4.85; 31.6
রাষ্ট্রীয় ভাষাসমূহ ইংরেজি
স্বীকৃত জাতীয় ভাষাসমূহ সকল আদিবাসীয় ভাষাসমূহ
জাতীয়তাসূচক বিশেষণ দক্ষিণ সুদানী
সরকার যুক্তরাষ্ট্রীয় রাষ্ট্রপতি-শাসিত democratic republic
 -  রাষ্ট্রপতি সালভা কির মায়ারডিট
 -  উপরাষ্ট্রপতি রেইক মাচার
স্বাধীনতা সুদান থেকে 
 -  সামগ্রিক শান্তি চুক্তি ৬ জানুয়ারি, ২০০৫ 
 -  স্বায়ত্ত্বশাসন ৯ জুলাই, ২০০৫ 
 -  স্বাধীনতা ৯ জুলাই, ২০১১ 
জনসংখ্যা
 -  ২০০৮ আদমশুমারি 8,260,490 (disputed)[১] (৯৪তম)
মুদ্রা সুদানী পাউন্ড (SDG) (অবলুপ্ত হবে)
দক্ষিণ সুদানী পাউন্ড (প্রচলিত হবে)
সময় স্থান পূর্ব আফ্রিকা সময় (ইউটিসি+৩)
ইন্টারনেট টিএলডি নেই (প্রস্তাবিত: .ss)
কলিং কোড ++২৯৪

দক্ষিণ সুদান, সরকারিভাবে দক্ষিণ সুদান প্রজাতন্ত্র,[২] পূর্ব আফ্রিকার একটি দেশ। এই দেশের রাজধানী জুবা দেশের দক্ষিণতম অঙ্গরাজ্য সেন্ট্রাল ইকুয়াটোরিয়ায় অবস্থিত। ভূমিবদ্ধ রাষ্ট্র দক্ষিণ সুদানের পূর্বে রয়েছে ইথিওপিয়া; দক্ষিণে রয়েছে কেনিয়া, উগান্ডাকঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র; পশ্চিমে রয়েছে মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র; এবং উত্তরে রয়েছে সুদানশ্বেত নীল নদ (স্থানীয় নাম বার আল জাবাল) সৃষ্ট সাড অঞ্চলের বিশাল জলাভূমি অঞ্চলটি দক্ষিণ সুদানে অবস্থিত।

অধুনা দক্ষিণ সুদান নামে পরিচিত অঞ্চলটি অতীতে ব্রিটিশমিশরীয় যৌথ-মালিকানাধীন অ্যাংলো-মিশরীয় সুদানের অংশ ছিল। ১৯৫৬ সালে এই অঞ্চল সদ্য-স্বাধীনতাপ্রাপ্ত সুদান প্রজাতন্ত্রের অঙ্গীভূত হয়। ১৯৭২ সালে প্রথম সুদানী গৃহযুদ্ধের পর দক্ষিণ সুদান স্বশাসিত অঞ্চল গঠিত হয়। এই অঞ্চলটির অস্তিত্ব ছিল ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত। এরপর দ্বিতীয় সুদানী গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এই যুদ্ধের শেষে ২০০৫ সালে সামগ্রিক শান্তি চুক্তি সাক্ষরিত হয়। সেই বছরের শেষভাগে দক্ষিণাঞ্চলের স্বায়ত্ত্বশাসন ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং স্বশাসিত দক্ষিণ সুদান সরকার গঠিত হয়। ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসে গণভোটে ৯৯% নাগরিক সুদান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্রের পক্ষে মতপ্রকাশ করেন। এরপর ২০১১ সালের ৯ জুলাই স্থানীয় সময় অনুযায়ী মধ্যরাত্রে দক্ষিণ সুদান স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়।[৩] ২০১১ সালের ১৪ জুলাই দক্ষিন সুদান ১৯৩তম রাষ্ট্র হিসেবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে৷[৪]

[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র

  1. "Discontent over Sudan census". News24.com. 21 May 2009. http://www.news24.com/Content/World/News/1073/b52cc36803164f39be83598566f1eb70/21-05-2009-07-23/Discontent_over_Sudan_census. 
  2. South Sudan becomes world's newest nation. প্রকাশক: Forbes.com. http://www.forbes.com/feeds/ap/2011/07/08/general-af-south-sudan-independence_8556235.html। সংগৃহীত হয়েছে: 9 July 2011. 
  3. Martell, Peter (2011 [last update]). BBC News - South Sudan becomes an independent nation. BBC. http://www.bbc.co.uk/news/world-africa-14089843। সংগৃহীত হয়েছে: 9 July 2011. 
  4. Worsnip, Patrick (14 July 2011). "South Sudan admitted to U.N. as 193rd member". Reuters. http://uk.reuters.com/article/2011/07/14/uk-sudan-un-membership-idUKTRE76D3I120110714। সংগৃহীত হয়েছে: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১১. 
নিজস্ব হাতিয়ারসমূহ
নামস্থান

বিকল্পসমূহ
কার্যক্রম
পরিভ্রমন
মুদ্রণ/এক্সপোর্ট
সরঞ্জাম
অন্যান্য ভাষাসমূহ