E (গাণিতিক ধ্রুবক)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

লক্ষ্য করুন: এই নিবন্ধের সঠিক শিরোনাম হবে e (গাণিতিক ধ্রুবক)।

e হলো প্রাকৃতিক লগারিদমের ভিত্তি। এটি একটি বাস্তব সংখ্যা যার সংখ্যাগত মান হলো ২.৭১৮ ২৮১ ৮২৮ ৪...

সংজ্ঞা[সম্পাদনা]

অর্থাৎ e হলো প্রদত্ত রাশিটির সীমা, যখন n এর মান অসীম পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। অন্য কথায়, n এর মান যত বৃদ্ধি পায়, রাশিটির মান তত e এর কাছাকাছি যেতে থাকে।

মান নির্ণয়[সম্পাদনা]

১ + ১/১! + ১/২! + ১/৩! + ১/৪! + ... অসীম ধারাটির সমষ্টি e এর সমান।

প্রমাণটাও সহজ, নিউটনের বাইনোমিয়াল সূত্র বলে,

সুতরাং, যখন , তখন,

যার সীমা হলো e (কারণ n এর মান যত বৃদ্ধি পায়, এর মান তত শূণ্যের দিকে কমতে থাকে)।

সূচক ফাংশন[সম্পাদনা]

রাশিটিকে x এর ফাংশন হিসেবে ধরে একে সূচক ফাংশন বলা হয়। একে ও লেখা হয়।

ফাংশনটিকে একটি অসীম ধারা হিসেবে লেখা যায় (এই ধারাটি কোন নির্দিষ্ট x এর জন্য ফাংশনটির মান নির্ণয়েও ব্যবহৃত হয়),

অয়লারের অভেদ[সম্পাদনা]

সমীকরণটি e কে ১, π এবং i এর মতন গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যার সাথে সম্পর্কিত করে। ১৭৩৭ সালে অয়লার দেখান যে, e একটি অমূলদ সংখ্যা। ১৮৭৩ সালে হেরমিট প্রমাণ করেন যে, e একটি তুরীয় সংখ্যা(π পাই এর মত)