চেস্টার ওয়াটসন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(Chester Watson থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
চেস্টার ওয়াটসন
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামচেস্টার ডোনাল্ড ওয়াটসন
জন্ম১ জুলাই, ১৯৩৮
নেগ্রিল, ওয়েস্টমোরল্যান্ড, জ্যামাইকা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি ফাস্ট
ভূমিকাফাস্ট বোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১০৮)
৬ জানুয়ারি ১৯৬০ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৬২ বনাম ভারত
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৩২
রানের সংখ্যা ১২ ১৯৮
ব্যাটিং গড় ২.৩৯ ৭.৬১
১০০/৫০ ০/০ ০/১
সর্বোচ্চ রান ৫০
বল করেছে ১,৪৫৮ ৫,০৬১
উইকেট ১৯ ৮৫
বোলিং গড় ৩৮.১০ ৩২.০৭
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৪/৬২ ৬/৩৩
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১/– ১৪/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৪ অক্টোবর ২০১৯

চেস্টার ডোনাল্ড ওয়াটসন (ইংরেজি: Chester Watson; জন্ম: ১ জুলাই, ১৯৩৮) ওয়েস্টমোরল্যান্ডের নেগ্রিল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা ও সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৬০ থেকে ১৯৬২ সময়কালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে জ্যামাইকা দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ফাস্ট বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিং করতেন চেস্টার ওয়াটসন

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৫৮-৫৯ মৌসুম থেকে ১৯৬৩-৬৪ মৌসুম পর্যন্ত চেস্টার ওয়াটসনের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। নিয়মিত উইকেট পেলেও এরজন্যে তাকে বেশ রান খরচ করতে হয়েছিল। ওয়েস হলের তুলনায় কিছুটা কম গতিতে ইয়র্কার সহযোগে বোলিং কর্মে অগ্রসর হতেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে সাতটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন চেস্টার ওয়াটসন। ৬ জানুয়ারি, ১৯৬০ তারিখে ব্রিজটাউনে সফরকারী ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬২ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে সফরকারী ভারত দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

ফাস্ট বোলার চেস্টার ওয়াটসন ওয়েস হলের সাথে একত্রে বোলিং উদ্বোধনে নামতেন। ১৯৫৯-৬০ মৌসুমে ইংল্যান্ড দল ওয়েস্ট ইন্ডিজ গমন করে।[১] এ দুজন ইংরেজদের ব্যাটিং মেরুদণ্ড তছনছ করে ছেড়ে দেন। পাঁচ টেস্টের সবকটিতেই তার অংশগ্রহণ ছিল। এ সিরিজে ১৬ উইকেট লাভ করেছিলেন তিনি। ইংরেজ ব্যাটসম্যান কেন ব্যারিংটন তার বল যথাযথভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হলে কনুইয়ে জখমপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীকালে বিখ্যাত ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান অল-রাউন্ডার গ্যারি সোবার্স এ প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন যে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পিচের সাথে অপরিচিত থাকায় ইংরেজ ব্যাটসম্যানদের নাকানিচুবানি খেতে হয়েছিল।[২]

এরপর, ১৯৬০-৬১ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া গমন করেন। তবে, ঐ সফরে একটিমাত্র খেলায় অংশ নেয়ার সুযোগ ঘটেছিল তার। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসের বিখ্যাত প্রথম টাই টেস্টে তার অংশগ্রহণ ছিল। ৪০ বছরে পর ২০ নভেম্বর, ২০০০ তারিখে ব্রিসবেনে জেরি আলেকজান্ডার, ল্যান্স গিবস, চেস্টার ওয়াটসন ও জ্যাকি হেনড্রিক্স একত্রে মিলিত হয়েছিলেন। ১৯৬১-৬২ মৌসুমে সফরকারী ভারতের বিপক্ষে শেষবারের মতো খেলেন।

অবসর[সম্পাদনা]

১৯৬১ সালে ইংল্যান্ডের ল্যাঙ্কাশায়ার লীগে চার্চ দলের পক্ষে খেলতে শুরু করেন। খুব কমই দেশে ফিরতেন। ফলশ্রুতিতে, ক্যারিবীয় দলের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণের জন্যে দাবীদার হতে পারেননি। ল্যাঙ্কাশায়ারে অবস্থানকালে হিসাবরক্ষণ বিষয়ে সনদপ্রাপ্ত হন। খেলোয়াড়ী জীবন শেষে এ পেশায় থেকে বিশ্বব্যাপী ভ্রমণ করতে থাকেন। পরবর্তীকালে জ্যামাইকান কন্ট্রোল বোর্ডের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Sobers, p. 3.
  2. Sobers, p. 4.

গ্রন্থপঞ্জী[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]