হ্যামন্ড ফারলঞ্জ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
হ্যামন্ড ফারলঞ্জ
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামহ্যামন্ড অ্যালেন ফারলঞ্জ
জন্ম১৯ জুন, ১৯৩৪
এপেক্স অয়েলফিল্ডস, ফায়জাবাদ, ত্রিনিদাদ
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
ভূমিকাব্যাটসম্যান
সম্পর্ককার্ল ফারলঞ্জ (ভ্রাতা), কেনেথ ফারলঞ্জ (ভ্রাতা), ডিসি ফারলঞ্জ (ভ্রাতৃষ্পুত্র)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৯১)
১১ জুন ১৯৫৫ বনাম অস্ট্রেলিয়া
শেষ টেস্ট৯ মার্চ ১৯৫৬ বনাম নিউজিল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ১৬
রানের সংখ্যা ৯৯ ৮০৮
ব্যাটিং গড় ১৯.৮০ ৩২.৩২
১০০/৫০ ০/১ ২/৩
সর্বোচ্চ রান ৬৪ ১৫০*
বল করেছে ৩৬
উইকেট
বোলিং গড় - -
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং -/- -/-
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ০/০ ৭/০
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৫ জুন ২০২০

হ্যামন্ড অ্যালেন ফারলঞ্জ (ইংরেজি: Hammond Furlonge; জন্ম: ১৯ জুন, ১৯৩৪) ত্রিনিদাদের ফায়জাবাদের কাছাকাছি এপেক্স অয়েলফিল্ডস এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়কালে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে ত্রিনিদাদ ও টোবাগো দলের প্রতিনিধিত্ব করেন হ্যামন্ড ফারলঞ্জ। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৫৪-৫৫ মৌসুম থেকে ১৯৬১-৬২ মৌসুম পর্যন্ত হ্যামন্ড ফারলঞ্জের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। সংক্ষিপ্ত খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন হ্যামন্ড ফারলঞ্জ।

১৯৫৪-৫৫ মৌসুমে ত্রিনিদাদের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। জেফ স্টলমেয়ারের সাথে ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমেছিলেন তিনি। নিজস্ব তৃতীয় খেলায় সফররত অস্ট্রেলীয় একাদশের মুখোমুখি হন। ৫৭ ও অপরাজিত ১৫০ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ঐ খেলাটি ড্রয়ে পর্যবসিত হয়। প্রথম শতরানের কল্যাণে কিংস্টনে অনুষ্ঠিত টেস্টের জন্যে তাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে তিনটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন হ্যামন্ড ফারলঞ্জ। ১১ জুন, ১৯৫৫ তারিখে কিংস্টনে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ৯ মার্চ, ১৯৫৬ তারিখে অকল্যান্ডে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

১৯৫৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে আসা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম টেস্ট খেলার জন্যে মনোনীত হন। জন হল্টের সাথে ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমে ৪ ও ২৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন তিনি।

পরবর্তী শীতে ১৯৫৫-৫৬ মৌসুমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। দ্বিতীয় টেস্টে কোন রান তুলতে ব্যর্থতার পরিচয় দেন। তবে, সিরিজের চতুর্থ টেস্টে তাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। নিম্নমুখী রানের খেলায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসে সংগৃহীত ১৪৫ রানের মধ্যে নিজে করেন ৬৪ রান। ঐ খেলায় নিউজিল্যান্ড দল তাদের প্রথম টেস্ট জয় করতে সমর্থ হয়।[১] ডিক ব্রিটেনডেন এ ইনিংস সম্পর্কে মন্তব্য করেন যে, ফারলঞ্জের দুই চোখে সিমারদের ভীতি লক্ষ্য করা যায়। তবে, ২১০ মিনিট বেশ সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে স্বীয় দক্ষতা প্রদর্শন করেছিলেন।[২]

অবসর[সম্পাদনা]

দেশে ফিরে আসার পর আর তাকে দল নির্বাচকমণ্ডলী কর্তৃক আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। কিছুদিন পরই খেলার জগৎ থেকে অবসর নেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে প্রত্যাখ্যাত হবার পর পরবর্তী ছয় মৌসুম ত্রিনিদাদের পক্ষে আরও কয়েকটি খেলায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। তন্মধ্যে, ১৯৬০-৬১ মৌসুমে বার্বাডোসের বিপক্ষে ১০৬ ও ৪৫ রান করেন। এ খেলায় তিনি একবারই অধিনায়কত্ব করেছিলেন।[৩] ১৯৬১-৬২ মৌসুমে সর্বশেষ প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়েছিলেন।

তার অপর দুই ভ্রাতা - কার্ল ও কেনেথ ত্রিনিদাদের পক্ষে খেলেছিলেন। তিন ভাই একটি খেলায় একত্রে অংশ নেন। তন্মধ্যে, তিনি বার্বাডোসের বিপক্ষে অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. New Zealand v West Indies, Auckland 1955-56
  2. Dick Brittenden, The Finest Years, A.H. & A.W. Reed, Wellington, 1977, p. 9.
  3. Trinidad v Barbados 1960-61

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]