সাগরদিঘি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

স্থানাঙ্ক: ২৪°২২′০৬″ উত্তর ৮৮°০৬′০৪″ পূর্ব / ২৪.৩৬৮৩৩° উত্তর ৮৮.১০১১১° পূর্ব / 24.36833; 88.10111
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সাগরদিঘি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
পশ্চিমবঙ্গের সাগরদিঘি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের অবস্থান
দেশ ভারত
অবস্থানসাগরদিঘি,পশ্চিমবঙ্গ,ভারত
স্থানাঙ্ক২৪°২২′০৬″ উত্তর ৮৮°০৬′০৪″ পূর্ব / ২৪.৩৬৮৩৩° উত্তর ৮৮.১০১১১° পূর্ব / 24.36833; 88.10111
অবস্থাসক্রিয়
কমিশনের তারিখইউনিট ১: ৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮
ইউনিট ২: ৬ নভেম্বর ২০০৮
ইউনিট ৩: ডিসেম্বর ২০১৫
ইউনিট ৪: জানুয়ারি ২০১৭
পরিচালকপশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগম লিমিটেড
তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র
প্রধান জ্বালানিবিটুমিনাস কয়লা
Tertiary fuelতেল
বিদ্যুৎ উৎপাদন
কর্মক্ষম একক২ X ৩০০
২ X ৫০০
নামফলক ধারণক্ষমতা১,৬০০ মেগাওয়াট[১]
ওয়েবসাইট
[১]

সাগরদিঘি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘির নিকট মনিগ্রামে গড়ে উঠেছে। এটি সাগরদিঘি শহর থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পরিচালনা করে পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ উন্নয়ন পরিষদ| এটি একটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। কেন্দ্রটি ২০০৮ সালের ৭ সেপ্টেম্বর চালু হয়।

অবস্থান[সম্পাদনা]

বিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্থানটি কলকাতা থেকে প্রায় ২৪০ কিলোমিটার দূরে মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘি শহরের নিকটে মণিগ্রাম, চাঁদপাড়া, কাঞ্চনপাড়া এবং হরিরামপুর গ্রামে অবস্থিত।

এটি সাগরদিঘি-মণিগ্রাম-গঙ্কার-রঘুনাথগঞ্জ সড়কের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত এবং জাতীয় মহাসড়ক ৩৪ থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রথম পর্যায়[সম্পাদনা]

সাগরদিঘি তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রথম পর্যায়ে দুটি ৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিট স্থাপন করা হয়। প্রথম ইউনিটটি ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এবং দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০০৮ সালের নভেম্বের মাসে উদ্ধোধন করা হয়। চীনা সংস্থা ডংফ্যাং ইলেক্ট্রিক (ডিসি) ইউনিট দুটির নির্মাণ করে। ইউনিট দুটির নির্মাণে ₹২৭.০৫ বিলিয়ন ব্যয় হয়।[১]

দ্বিতীয় পর্যায়[সম্পাদনা]

দ্বিতীয় পর্বের উন্নয়নে ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার আরও দুটি ইউনিট স্থাপন করা হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পটি ভেল কর্তৃক কার্যকর করা হয়। ইউনিট দুটি যথাক্রমে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এবং ২০১৭ সালের জানুয়ারী মাসে উদ্ধোধন করা হয়। [১]

তৃতীয় পর্যায়[সম্পাদনা]

পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগমের মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ২০২০ সালে পঞ্চম ইউনিটটি গড়ে তোলার প্রাথমিক কাজ। ৬৬০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার রাজ্যের প্রথম এই ‘সুপার ক্রিটিক্যাল’ ইউনিটটির প্রকল্প খরচ ধরা হয়েছে ৪,৪০০ কোটি টাকা। নিগমের ডিরেক্টর ইন্দ্রনীল দত্ত জানান, ইউনিটটির নির্মাণ কাজ শেষ করতে ৪২ মাস সময় লাগবে। প্রাথমিক প্রস্তাব অনুযায়ী অবশ্য ২০২০ সালের মধ্যেই এই প্রকল্পের কাজ শেষ করে ফেলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

পঞ্চম ইউনিটটি নির্মাণে ঋণ প্রদান করে পাওয়ার ফিনান্স কপোর্রেশন। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ভেল বয়লার, টার্বাইন, জেনারেটর সরবরাহের জন্য ৩,৫০০ কোটি টাকার বরাত পায়।

উৎপাদন ক্ষমতা[সম্পাদনা]

বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১,৬০০ মেগাওয়াট। প্রথম পর্যায়ে ২০০৮ সালে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে ৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ২ টি ইউনিট চালু হয়, ইউনিট দুটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৬০০ মেগাওয়াট এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০১৫ সালে ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ১ টি এবং ২০১৭ সালে ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার আরও ১ টি ইউনিট চালু হয়। ২০২০ সালে ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি ইউনিটের নির্মাণ শুরু হয়।[২]

ইউনিট নম্বর উৎপাদন ক্ষমতা (মেগাওয়াট) উদ্বোধনের তারিখ বর্তমান অবস্থা সূত্র
৩০০ ৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮ সক্রিয় [৩]
৩০০ নভেম্বর ২০০৮ সক্রিয় [৩]
৫০০ ডিসেম্বর ২০১৫ সক্রিয়
৫০০ জানুয়ারী ২০১৭ সক্রিয়
৬৬০ ২০২৩ সালের শেষের দিকে প্রত্যাশিত নির্মাণ কাজ চলছে।[২]
ইপিচি ইউনিট নির্মাণের চুক্তি ভেলকে প্রদান করে[৪]
মোট ১,৬০০[১]

যোগাযোগ[সম্পাদনা]

বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি এনএইস ৩৪ থেকে ১৪ কিমি দূরে ও মনিগ্রাম রেল স্টেশন থেকে ১ কিমি দূরে ।এটি ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Sagardighi Thermal Power Station Expansion" [সাগরদীঘি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সম্প্রসারণ]। www.nsenergybusiness.com। NS Energy। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০২০ 
  2. "কাজ শুরু সাগরদিঘিতে"। www.anandabazar.com। আনন্দবাজার পত্রিকা। ১৩ জুলাই ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০২০ 
  3. "Sagardighi thermal plant to begin generation by Aug-end" [সাগরদিঘি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি আগস্ট মাসের শেষের দিকে উৎপাদন শুরু করবে।]। www.economictimes.indiatimes.com। The Economic Times। ১৭ জুলাই ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০২০ 
  4. "BHEL bags Rs 3,500 crore order for West Bengal supercritical power plant" [পশ্চিমবঙ্গের সুপারক্রিটিক্যাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য বিএইচএল ৩,৫০০ কোটি টাকার অর্ডার নিয়েছে]। www.energy.economictimes.indiatimes.com। ইটি এনার্জি ওয়ার্ল্ড। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০২০ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]