সাগরকান্দি ইউনিয়ন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

সাগরকান্দি ইউনিয়ন বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলা একটি ইউনিয়ন।[১][২]

সাগরকান্দি
ইউনিয়ন
সাগরকান্দি বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
সাগরকান্দি
সাগরকান্দি
বাংলাদেশে সাগরকান্দি ইউনিয়নের অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°৫১′২১″ উত্তর ৮৯°৩৬′০৩″ পূর্ব / ২৩.৮৫৫৮৫৮° উত্তর ৮৯.৬০০৮৪০° পূর্ব / 23.855858; 89.600840স্থানাঙ্ক: ২৩°৫১′২১″ উত্তর ৮৯°৩৬′০৩″ পূর্ব / ২৩.৮৫৫৮৫৮° উত্তর ৮৯.৬০০৮৪০° পূর্ব / 23.855858; 89.600840
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগরাজশাহী বিভাগ
জেলাপাবনা জেলা
উপজেলাসুজানগর উপজেলা উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
গণতান্ত্রিকপাবনা ০২ আসন(সংসদীয় ৬৯ আসন)
সরকার
 • চেয়ারম্যানমোঃ শাহীন চৌধুরী (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)
আয়তন
 • মোট৪৫.৩৬ বর্গকিমি (১৭.৫১ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১ আদমশুমারী অনুযায়ী)
 • মোট৩৮,৭৭৯
সাক্ষরতার হার
 • মোট৬২%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড৬৬৬১ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
মানচিত্র

ইতিহাস[সম্পাদনা]

সাগরকান্দি ইউনিয়ন সুজানগর উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। ২০১৩ সালের ২০ শে অক্টোবর সাগরকান্দি ইউনিয়ন আমিনপুর থানার অধীনে চলে যায়।[৩]

অবস্থান[সম্পাদনা]

সাগরকান্দি ইউনিয়নের ইহার পূর্ব দিকে মাসুমদিয়া ইউনিয়ন, পশ্চিম দিকে সুবিশাল গাজনার বিল, দক্ষিণে নাজিরগঞ্জ ইউনিয়ন,উত্তরে রানীনগর ইউনিয়ন।[৪]

ইউনিয়ন পরিষদ[সম্পাদনা]

  1. মোঃ শাহীন চৌধুরী-চেয়ারম্যান, - সাগরকান্দি ইউনিয়ন
  2. মোঃ ফয়েজ উদ্দিন -সাধারণ সদস্য - (ওয়ার্ড নং ১)
  3. মোঃ শফিকুল ইসলাম -সাধারণ সদস্য - (ওয়ার্ড নং ২)
  4. মোঃ আজিজুর রহমান -সাধারণ সদস্য - (ওয়ার্ড নং ৩)
  5. মোঃ আব্দুস সালাম খান -সাধারণ সদস্য - (ওয়ার্ড নং ৪)
  6. মোঃ তোফাজ্জল হোসেন খান -সাধারণ সদস্য - (ওয়ার্ড নং ৫)
  7. মোঃ ফরিদ আলী খান-সাধারণ সদস্য - (ওয়ার্ড নং ৬)
  8. মোঃ করিম মন্ডল-সাধারণ সদস্য - (ওয়ার্ড নং ৭)
  9. শাজাহান মোল্লা-সাধারণ সদস্য - (ওয়ার্ড নং ৮)
  10. মোঃ রিয়াজ উদ্দিন শেখ -সাধারণ সদস্য - (ওয়ার্ড নং ৯)[৪]

যোগাযোগ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

শুধু স্থল পথেই যোগাযোগের ব্যবস্থা রয়েছে এই এলাকাতে। এই এলাকাটি আমিনপুর থানা থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে। এখানে ছোট বাস, সিএনজি, ভ্যান ও রিকসা চলে। এখান থেকেই প্রতিদিন সকাল ৫ টায় রাজশাহীর উদ্দেশ্যে একটি বাস চলাচল করে। আর খলিলপুর বাজার থেকে প্রতিদিন সকাল ৬ টা ও রাত ৮ টায় বিআরটিসি বাস চলাচল করে।[৪]

রাস্তা ঘাট[সম্পাদনা]

সাগরকান্দি ইউনিয়নএ মোট ২৪ টি ছোট-বড় রাস্তা আছে। তারমধ্যে ৮ টি রাস্তা পাকা ও ১৬ টি রাস্তা কাচা।[৪]

হাট বাজার[সম্পাদনা]

আমিনপুর থানার সবচাইতে বড় হাটটি এই ইউনিয়নে অবস্থিত।

  1. শ্যামগঞ্জ হাট,সাগরকান্দি, আমিনপুর।৷ -(৫.২২ একর)[৫]
  2. খলিলপুর হাট (১.০২ একর) -খলিলপুর, সাগরকান্দি, আমিনপুর
  3. নতুন বাজার৷ (০.৭০ একর) -খলিলপুর, আমিনপুর, পাবনা।
  4. সাগরকান্দি বাজার (০.৬৬ একর) -সাগরকান্দি, আমিনপুর, পাবনা।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

কলেজ: কলেজ একটি।

  1. তালিমনগর শাহ মাহাতাব উদ্দিন স্কুল এ্যান্ড কলেজ

উচ্চ বিদ্যালয় ৪ টি।

  1. সাগরকান্দি উচ্চ বিদ্যালয় - (পূর্বনামঃ সাগরকান্দি রিয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়)।
  2. খলিলপুর উচ্চ বিদ্যালয়
  3. তালিমনগর উচ্চ বিদ্যালয়

প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি ১১ টি এবং বেসরকারি ১৩ টি।

  1. পুকুরনিয়া সাতানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  2. বালিয়াডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  3. দড়ি মালঞ্চি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  4. বাদাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  5. তালিমনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  6. হোগলা ডাংগী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  7. খলিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  8. সাগরকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  9. ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  10. বুরুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  11. শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

  1. শাহ মাহতাব উদ্দিন এর মাজার, পুকুরনিয়া সাতানি।
  2. কোল ব্রিজ, (শ্রীপুর চর)।
  3. গাজনার বিল।
  4. পদ্মা নদী।[৪]

আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও এনজিও[সম্পাদনা]

সাগরকান্দি ইউনিয়ন অন্তর্গত এলাকায় বেশ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তন্মধ্যে উল্যেখযোগ্য হলো, জনতা ব্যাংক (শ্যামগঞ্জ), অগ্রণী ব্যাংক (তালিমনগর) ও ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং। এই ইউনিয়নটি প্রত্যন্ত এলাকা হওয়ায় এখানে দারিদ্রতা বিমোচনের জন্য বেশ কয়েকটি এনজিও এর কার্যক্রমও রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেঃ ব্র‍্যাক, আশা, পাবনা প্রতিশ্রুতি, আসিয়াব, গ্রামীণ ব্যাংক ইত্যাদি।[৪]

ধর্ম ও ধর্মীয় উৎসব[সম্পাদনা]

সাগরকান্দি ইউনিয়নে মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যায় বেশি। এবং আমিনপুর থানার মধ্যে এই ইউনিয়নেই সব চেয়ে বেশি হিন্দু পরিবার রয়েছে। এই এলাকাতে আঞ্জুমান ই ক্বাদেরিয়ার অধীনে একটা মসজিদ আছে। যেখানে এলাকার বেশির ভাগ মুসলিম প্রতি আরবি মাসের ১১ তারিখে উপস্থিত হয়। প্রতি বছর পবিত্র আশুরা পালন করা হয় এখানে। এছাড়া মুসলিম ধর্মীয় সকল উৎসব এখানে পালন করা হয়ে থাকে। হিন্দুরা সকল পূজা করে থাকে। তাছাড়া এই এলাকাতে দুর্গা পূজা বেশ যাক-জোমকভাবে পালন করা হয়ে থাকে।

খাদ্য[সম্পাদনা]

এখানকার প্রধান খাবার হলো ভাত, রুটি, ডাল, শাক-সবজি, মাছ, মুড়ি, চিড়া ইত্যাদি। পান্তা ভাত ও কড়কড়ে ভাতের চাহিদাও এই এলাকাতে বেশ দেখা যায়। এখানকার হিন্দুরা গুরু, মুরগী, পেঁঁয়াজ, রসুন খায় না। পাবনা জেলার মধ্যে খেজুরে গুড় উৎপাদনে এই এলাকাটা অন্যতম।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]