শাহ সুলতান বলখী মাহিসাওয়ার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
শাহ সুলতান বলখী মাহিসাওয়ারের মাজার শরীফ

শাহ সুলাতান বলখী বা শাহ সুলতান বলখী মাহিসাওয়ার ১৪শ শতাব্দির মুসলিম ধর্ম প্রচারক[১] তিনি পুন্ড্রবর্ধনে (বর্তমান বগুড়া জেলা) ইসলাম প্রচার করেছিলেন।

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

তিনি মধ্য এশিয়ার বল্লখ রাজ্যের সম্রাট ছিলেন[২] তিনি ছিলেন বল্লখ রাজ্যের সম্রাট শাহ আলী আসগরের পুত্র, পিতার মৃত্যুর পর তাকেই সম্রাট হিসেবে ঘোষণা করা হয়[৩] কিন্তু তিনি তার সাম্রাজ্য ছেড়ে দরবেশ হয়েছিলেন, ৪৪ হিজরীতে তিনি পুন্ড্রবর্ধনে আসার আগে প্রথমে বাংলার সন্দ্বীপে পৌছেন। পরে তিনি মহাস্তান গড়ে (পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী)আসেন।[৪]

পুন্ড্রবর্ধন জয়[সম্পাদনা]

সুলতান বলখী ১৪শ শতাব্দীতে পুন্ড্রবর্ধনের রাজা পরশুরামকে পরাজিত করে পুন্ড্রবর্ধন জয় করেন[১]অন্য একটি উতস থেকে জানা যায় তিনি ১৩৪৩ খ্রিস্টাব্দে রাজা পরশুরামকে পরাজিত করেন[৫] পরশুরাম ছিলেন পন্ড্রবর্ধনের শেষ রাজা[৬] কথিত আছে শাহ সুলতান (রঃ) তার শীষ্যদের নিয়ে ফকিরবেশে একটি মাছ আকৃতির নৌকাতে করে মহাস্থানগড় এসেছিলেন সেখান থেকে তার নাম এসেছে মাহিসাওয়ার (মাছের পিঠে করে আগমণকারী) এবং তিনি বল্লখ থেকে এসেছিলেন সেজন্য তাকে শাহ সুলতান বলখী ও বলা হয়। মহাস্থানগড় পৌছে তিনি ইসলামের দাওয়াত দিতে থাকেন, প্রথমে রাজা পরশুরামের সেনাপ্রধান, মন্ত্রি এবং কিছু সাধারণ মানুষ ইসলামের বার্তা গ্রহণ করে মুসলিম হয়, এভাবে পুন্ড্রবর্ধনের মানুষ হিন্দু ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে থাকলে রাজা পরশুরামের সাথে শাহ সুলতানের বিরোধ বাধে এবং এক সময় যুদ্ধ শুরু হয়, যুদ্ধে রাজা পরশুরাম পরাজিত এবং মৃত্যু বরন করেন।[৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Omar Khalid Rumi (জানুয়ারি ৪, ২০০৮)। "A fort among hundred forts"। New Age। জানুয়ারি ৮, ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ১১, ২০১৬ 
  2. Akhter, Fariduddin.
  3. Saklayen, Golam.
  4. Akhter, Fariduddin.
  5. "Bogra"। ১ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০১৬ 
  6. "Xila Devir Ghat"। Banglapedia। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০১-৩১