লোকনাথ ব্রহ্মচারী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
লোকনাথ ব্রহ্মচারী
লোকনাথ ব্রহ্মচারী.jpg
জন্মলোকনাথ ঘোষাল
(১৭৩০-০৮-৩১)৩১ আগস্ট ১৭৩০[১]
কচুয়া, ভারত
মৃত্যু২ জুন ১৮৯০ (বয়স ১৬০)

[তথ্যসূত্র:জয়নাল হোসেন কর্তৃক লিখিত "রাজা ভাওয়াল সন্ন্যাসী ও ভাওয়াল পরগনা গ্রন্থ।"]

১৮৯০ খ্রিস্টাব্দের গ্রেগোরিয়ান ও বাংলা বর্ষপঞ্জী
বারদি, ঢাকা, বাংলাদেশ, ব্রিটিশ ভারত
গুরুভগবান গাঙ্গুলি
উদ্ধৃতি১. "রণে, বনে, জলে, জঙ্গলে যখনই বিপদে পড়বি, আমাকে স্মরণ করবি, আমিই রক্ষা করবো।"

২. "আমার বিনাশ নেই, শ্রাদ্ধও নেই, আমি নিত্য পদার্থ। অর্থাৎ এই ‘আমি’ হলাম গীতায় বর্ণিত ‘পরমাত্মা’।"

৩. "দেখ-অর্থ উপার্জন করা , তা রক্ষা করা, আর তা ব্যয় করবার সময় বিষয় দু:খ ভোগ করতে হয়। অর্থ সকল অবস্থাতেই মানুষকে কষ্ট দেয়। তাই অর্থ ব্যয় হলে বা চুরি হলে তার জন্যে চিন্তা করে কোন লাভই হয় না।"

৪. "গরজ করিব, কিন্তু আহাম্মক (নির্বোধ) হবি না। ক্রোধ করিব কিন্তু ক্রোধান্ধ হবি না।"

৫. "আমার চরণ ধরিস না, আচরণ ধর।"

৬. "যৎ তে কল্যাণরূপং তৎ তে পশ্যামি।।"

৭. "প্রতিদিন কার্যসিদ্ধি সমাপ্ত করার পর ঘুমোতে যাওয়ার আগে ভেবে নিবি সারাদিন কি কি করেছিস। কোনটা ভালো কাজ, কোনটা খারাপ কাজ- তার হিসাব করবি। যদি এসব খারাপ কাজ ছেড়ে দিস,তাহলে দেখবি তুই পাপ কাজ থেকে মুক্তি পেয়ে যাবি।"

[তথ্যসূত্র: বারদী আশ্রম এবং ধর্মসংক্রান্ত গ্রন্থ]

লোকনাথ ব্রহ্মচারী (জন্ম : ১৭৩০ - মৃত্যু : ১৮৯০)[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] ছিলেন একজন হিন্দু ধর্মগুরু। তিনি লোকনাথ বাবা নামেও পরিচিত।

বাবা লোকনাথ শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন জন্মাষ্টমীতে ১৭৩০ খ্রিষ্টাব্দের ৩১ আগস্ট[১] (১৮ ভাদ্র, ১১৩৭ বঙ্গাব্দ) কলকাতা থেকে কিছু দূরে ২৪ পরগণার কচুয়া গ্রামে একটি ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম রামনারায়ণ ঘোষাল এবং মাতা কমলাদেবী। তিনি ছিলেন তার বাবা-মায়ের ৪র্থ পুত্র।

বাবা লোকনাথের পিতার ইচ্ছা ছিলো তিনি ব্রহ্মচারী হবেন। কিন্তু মা তাঁর পুত্রকে দূরে যেতে দিতে চাইছিলেন না। অবশেষে উপনয়নের জন্য বাবা লোকনাথ আচার্য গাঙ্গুলীর শিষ্যত্ব লাভ করেন। একই সঙ্গে তাঁর প্রিয় সখা বেণীমাধব চক্রবর্তী ভগবান গাঙ্গুলীর শিষ্যত্ব লাভ করেন। দীক্ষাগুরু হিসেবে ভগবান গাঙ্গুলী/ভগবান চন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায় কয়েক বছর দেশে বাস করে লোকনাথ ও বেণীমাধব বন্দ্যোপাধ্যায় নামে শিষ্যদ্বয়কে সাথে নিয়ে কালীঘাটে আসেন। পরে ভগবান গাঙ্গুলী/ভগবান চন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায় তাঁদেরকে নিয়ে বারাণসীতে গমন করে দেহত্যাগ করার পূর্বে ত্রৈলঙ্গস্বামীর হাতে ভার দিয়ে যান। তখন বাবা লোকনাথ এবং বন্ধু বেণীমাধবের বয়স ছিলো ৯০ বছর। ত্রৈলঙ্গস্বামী মূলত পণ্ডিত হিতলাল মিশ্র। সেখানে স্বামীজীর সাথে তাঁরা কিছুকাল যোগশিক্ষা করে ভ্রমণে বের হন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] [তথ্যসূত্র: হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা,৬ষ্ঠ শ্রেণি, NCTB]

ভ্রমণ[সম্পাদনা]

লোকনাথ পশ্চিম দিকে দিয়ে আফগানিস্তান, মক্কা, মদিনা ইত্যাদি স্থান অতিক্রম করে আটলান্টিক মহাসাগর উপকূল পর্যন্ত গমন করেছিলেন। মক্কাদেশীয় মুসলিম জনগোষ্ঠী তাকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন। সেখানে আবদুল গফুর নামে ৪০০ বছর বয়সী এক মহাপুরুষের সাথে পরিচিত হন। পরে তিনি বেণীমাধবকে সাথে নিয়ে উত্তরের পথে গমন করেন। তারা সুমেরু এলাকা গমনের ইচ্ছায় প্রাক-প্রস্তুতি উপলক্ষে শৈত্যপ্রধান এলাকা হিসেবে বদরিকা আশ্রমে অবস্থান করে সেখান থেকে আধুনিক পরিজ্ঞাত সীমা অতিক্রম করে উত্তরে বহুদূরে চলে যান। সেখানে সূর্যোদয় না হওয়ায় সময় নির্ণয় করা যায় নাই; তবে তারা সে পথে ২০ বার বরফ পড়তে ও গলতে দেখেছিলেন। শেষে হিমালয় শৃঙ্গে বাঁধা পেয়ে তারা পূর্ব দিকে গমন করে চীন দেশে উপস্থিত হন । তারপর উভয়ে চন্দ্রনাথে আগমন করে কিছুকাল থেকে বেণীমাধব কামাখ্যায় এবং লোকনাথ বারদী গ্রামে গমন করে বাস করতে থাকে। সে সময় থেকেই “বারদী’র ব্রহ্মচারী” হিসেবে লোকনাথ পরিচিতি পান।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

আধ্যাত্মিক শক্তি[সম্পাদনা]

বাবা লোকনাথের আধ্যাত্মিক শক্তি সম্বন্ধে অনেক কিংবদন্তি প্রচলিত আছে। কেউ কেউ বলেন, তিনি জাতিস্মর; দেহ হতে বহির্গত হতে এবং অন্যের মনের ভাব অবলীলায় তিনি জানতে পারতেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]এছাড়াও, অন্যের রোগ নিজ দেহে এনে রোগীকে রোগমুক্ত করতে পারতেন। বাবা লোকনাথ অনেক অসাধ্য সাধন করেছেন। ডেঙ্গু কর্মকার নামের এক লোক ফৌজদারি মামলায় হেরে যাবার সম্ভাবনা আছে বলে বাবা লোকনাথের কাছে আসেন এবং তাঁর চরণে লুটিয়ে পড়েন। কিন্তু বাবা লোকনাথ তাঁকে অভয় প্রদান করেন। যে মামলা কখনোই জেতার কথা নয়,বাবা লোকনাথের কৃপায় তা সহজেই জিতে গেলেন ডেঙ্গু কর্মকার। তারপর বাবা লোকনাথের আধ্যাত্মিক শক্তি এবং মনোরম ব্যবহার দেখে ডেঙ্গু কর্মকার তাঁর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন এবং আমৃত্যু তাঁর সঙ্গে কাজ করে যান। আরেকবার বারদীতে বাবা লোকনাথের সম্মান চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে সেখানকার লোভী ব্রাহ্মণসমাজ তাঁর হিংসে করে। তখন তাঁকে হত্যা করার বিভিন্ন চেষ্টা করা হয়। একবার জমিদারের ইচ্ছায় কামাখ্যা নামের এক অহংকারী কালীপূজককে বাবা লোকনাথের সিদ্ধিজ্ঞান লাভের প্রমাণ দিতে বলা হয়। কামাখ্যা বাবা লোকনাথের কথা দেন যদি বাবা লোকনাথ সিদ্ধপুরুষ হিসেবে নিজেকে প্রমাণ দিতে পারেন, তবে কামাখ্যা তাঁর শিষ্যত্ব গ্রহণ করবেন। তখন বাবা লোকনাথকে কামাখ্যা এবং শিষ্যের সহায়তায় ধুতরা ফুল এবং ভয়ঙ্কর সাপের বিষ দেওয়া হয়। স্বেচ্ছায় তা গ্রহণ করার পর সবাই চিতা সাজিয়ে রাখেন। এমনকি তাঁকে অজ্ঞানরত অবস্থায় শোয়ানো পর্যন্ত হয়। কিন্তু মশাল হাতে নেওয়ার পরে লক্ষ্য করা যায় যে তাঁর ওপরে অবিরত ধুতরা ফুল পড়তে থাকে। এছাড়াও তিনি তাঁর মাকে বলেছিলেন যে তাঁর মায়ের হাতের দুধ তাঁর মৃত্যুকেও জয় করতে পারে। সেজন্য তাঁর মা তাকে দুধ পান করিয়ে দেন চিতায় শয়নরত অবস্থায়। কিন্তু এক অবাকের ব্যাপার যে বাবা লোকনাথ মহাদেবের কৃপায় দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন। এতে করে সমগ্র ব্রাহ্মণসমাজ এবং এমনকি কামাখ্যা তাঁর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। এছাড়াও একবার বারদীর পাশের গ্রামে এক ভয়ঙ্কর ছোঁয়াচে রোগ ছড়িয়ে পড়লে সবাই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু বাবা লোকনাথ মমতার সঙ্গে রোগীদের সুস্থ করে তোলেন।

এছাড়াও আরো বিভিন্নভাবে বাবা লোকনাথ ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে সকল মানুষের কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন।

তাঁর মহামন্ত্র: "জয় বাবা লোকনাথ, জয় মা লোকনাথ, জয় শিব লোকনাথ, জয় ব্রহ্ম লোকনাথ, জয় গুরু লোকনাথ।।"

[তথ্যসূত্র বিদ্যমান 'তথ্যসূত্র' অংশে][তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

এবার "শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী ফেসবুক" পেজ থেকে উদ্ধার করা বাবা লোকনাথের সাম্যত্ব এবং অসাম্প্রদায়িকতার কিছু নিদর্শন:

ওঁ নমো ভগবতে লোকনাথায় নমঃ

ব্রহ্মচারী বাবা বললেন, "শ্রীনন্দের নন্দন, তুই ত বুঝছিস। তুই-ই একটু গুছিয়ে এদের বল না।"

ব্রহ্মচারী বাবার আজ্ঞা শিরোধার্য করে গোঁসাইজী বলতে লাগলেন, তোমরা শোন গো । শাস্ত্রে বলেছে, ভগবান জগন্ময়। তাঁর থেকে অতীত আর কিছু নেই। বিশেষভাবে তিনি আনন্দময় । তবু লোকে তাঁকে ভুলে যায় কেন? তাঁকে অশ্রদ্ধা করে কেন? ভগবান থেকেই ত ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্রাদি ও অনুলোম প্রতিলোমজাত সব মানুষই উৎপন্ন হয়েছে। সব মানুষই ভগবানের সন্তান ও শিষ্য। তাহলে সকলেরই পরম পিতা ও পরম গুরু-রূপী আনন্দময় হরিকে ভজনা করা উচিত। তবে যে সংসারে কাউকে ভক্তিমান ও কাউকে অভক্তিমান দেখা তার কারণ কি? ব্রাহ্মণাদির জন্ম ও কর্মসত্ত্ব গুণময়, ক্ষত্রিয়দের সত্তরজোময়, বৈশ্যদের রজোতমোময় আর শূদ্রদের কেবলই তমোময়। ব্রাহ্মণাদি যদি নিম্নশ্রেণীর ধর্ম ও কর্ম আচরণ করে; তবে তাদের অধোগতি হয়। শূদ্রাদি যদি উচ্চ অবস্থার ধর্মাচরণ করে তবে তাদের উচ্চগতি হয়। স্থান, সহবাস, আচার ব্যবহার যে অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হয়, মানুষ সেই অনুষ্ঠান অনুযায়ী স্বভাব পেয়ে থাকে । যেমন কোন সাধু লোকের হিতাহিত বিবেক উদয় হবার আগে তাকে যদি কোন কদাচারীর সহবাসে রাখা যায়, তা হলে তার আচার ব্যবহার ঐ কদাচারীর মতই হয়ে থাকে। আবার কোন কদাচারীকে পবিত্রতার শিক্ষা বা অনুষ্ঠান করালে তাকে উন্নত করা যায়। এই উপায় শিক্ষার জন্যই ভগবান বর্ণাশ্রমের সৃষ্ট করেছেন। সত্ত্বগুণাদির অনুষ্ঠানে যতদূর ভগবদ্ভক্তি আনন্দানুভূতি হয়, রজোগুণাদির অনুষ্ঠানে ততদূর হয় না।

ব্রাহ্মণাদির মনোবৃত্তি যদি জন্ম থেকে নিম্ন গুণসম্পন্ন হয়, তাহলে তাতে চিত্তের বিশুদ্ধি হ্রাস পায়। চিত্তের বিশুদ্ধতা কমে গেলে চিত্ত আপনা থেকে অজ্ঞানে আচ্ছন্ন হয়। এই অজ্ঞানতার জন্য যথেচ্ছ ব্যবহারী হয়ে লোকে আত্মহিতাহিতবোধ শূন্য হয়। এই আত্মহিতাহিতবোধশূন্য হওয়াকেই অভক্তি বা অশ্রদ্ধা বলা যায়। যেমন মধু স্বাভাবিকভাবে মিষ্ট হলেও পিত্ত- রোগগ্রস্ত রোগী কখনো মধুকে আদর করে না । তেমনি ভগবান স্বাভাবিক ভাবে আনন্দময় হলেও অজ্ঞানে সমাচ্ছন্ন লোকে তাঁকে আদর করে না।

এর মানে হলো এই যে, বর্ণাশ্রমের নিয়ম অনুযায়ী মানুষ যদি আপন আপন হিত চিন্তা করে উন্নতির পথে ছুটে যায়, তাহলে চিত্ত বিশুদ্ধি লাভ করে। আর চিত্তের বিশুদ্ধি অনুসারে তার ভগবৎ আনন্দ বা ভগবদ্ভক্তি হয়। যারা শাস্ত্রমতে না চলে যথেচ্ছ আচরণ করে তারা চিত্তকে মলিন করে। অজ্ঞানে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। সেই অজ্ঞান-রোগে ভগবদ্ বিষয়ে তাদের অরুচি জন্মায়। এই সব অজ্ঞানী ব্যক্তি সংসারকেই সার করে, আসক্তিতে ডুবে যায়। ভগবান ও ভক্তকে উপহাস করে। তারা দাম্ভিক ও অভিমানী হয়ে ওঠে। তারা পরহিংসা করে। সংসারে ও সমাজে বিবাদ বিসম্বাদে বাধায় যাতে তাতে। তারা বেদ-বিধিকে যথেচ্ছ ব্যবহার করে ধর্মানুষ্ঠানচ্ছলে পাপাচরণ করে। অভক্তি কেন হয় এবং অভক্তদের অধোগতিই বা কেন হয়, তাই এতক্ষণ বোঝালাম৷

ক্রমশঃ জয় বাবা লোকনাথ জয় মা লোকনাথ জয় গুরু লোকনাথ জয় শিব লোকনাথ জয় ব্রহ্ম লোকনাথ জয় বিষ্ণু লোকনাথ

জন্মস্থান বিতর্ক[সম্পাদনা]

লোকনাথে জন্মস্থান নিয়ে শিষ্যদেরও ভেতরে বিতর্ক আছে। নিত্যগোপাল সাহা এ বিষয়ে হাইকোর্টে মামলা করেন ও রায় অনুযায়ী তার জন্মস্থান কচুয়া বলে চিহ্নিত হয়। যদিও অনেকে মনে করেন তার জন্মস্থান বর্তমান উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলাচাকলা। যা চাকলাধাম নামে লোকনাথ ভক্তদের নিকট পরিচিত।

মৃত্যু[সম্পাদনা]

তিনি ১ জুন ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দে [২] ১৬০ বছর বয়সে বাংলাদেশের নারায়ণগন্জের সোনারগাঁওয়ের বারদিতে দেহ রাখেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

উক্তি[সম্পাদনা]

  • "রণে-বনে-জলে-জঙ্গলে যখনই বিপদে পড়িবে, আমাকে স্মরণ করিও, আমিই রক্ষা করিব।"[৩]
  • "বাক্যবাণ, বন্ধুবিচ্ছেদবাণ ও বিত্তবিচ্ছেদবাণ; এই তিনটি বাণকে সহ্য করিতে পারিলে মৃত্যুকেও হটাইয়া দেওয়া যায়"[৪]
  • "এ আমার উপদেশের স্থল নয়, আদেশের স্থল"[৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১৭৩০ খ্রিস্টাব্দের গ্রেগোরিয়ান ও বাংলা বর্ষপঞ্জী
  2. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Date of Death নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  3. "বাণী চিরন্তণী" 
  4. "বাণী চিরন্তণী" 
  5. "বাণী চিরন্তণী" 

৬) 'জয় বাবা লোকনাথ' ধারাবাহিক, জি বাংলা।

('আধ্যাত্মিক' অংশটুকু, মহামন্ত্র এবং বাণী বিভিন্ন ধারাবাহিক এবং বই থেকে নেওয়া হয়েছে।)

৭)জয়নাল হোসেন কর্তৃক লিখিত "রাজা ভাওয়াল সন্ন্যাসী ও ভাওয়াল পরগনা" গ্রন্থ

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]