রিস ইয়ং

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রিস ইয়ং
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামরিস অ্যালেন ইয়ং
জন্ম (1979-09-15) ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৯ (বয়স ৪১)
অকল্যান্ড, অকল্যান্ড রিজিওন, নিউজিল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
ভূমিকাউইকেট-রক্ষক
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ২৫০)
৭ জানুয়ারি ২০১১ বনাম পাকিস্তান
শেষ টেস্ট৯ ডিসেম্বর ২০১১ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
২০১০/১১ক্যান্টারবারি
১৯৯৮/৯৯–২০০৯/১০অকল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি এলএ টি২০
ম্যাচ সংখ্যা ১২৬ ৮৪ ৪৫
রানের সংখ্যা ১৬৯ ৪,৬৩৩ ১,৪৭৩ ২১১
ব্যাটিং গড় ২৪.১৫ ৩০.২৮ ২৭.৬৯ ৯.৫৯
১০০/৫০ –/১ ৮/২৬ ১/৫ ০/০
সর্বোচ্চ রান ৫৭ ১২৬* ১১৯ ২৯
বল করেছে ৪২
উইকেট
বোলিং গড় ৬৮.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ১/৬৫ ০/১০
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৮/– ৩২১/৫ ৮৪/১৪ ২৪/৬
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২১ ডিসেম্বর ২০২০

রিস অ্যালেন ইয়ং (ইংরেজি: Reece Young; জন্ম: ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯) অকল্যান্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।[১] নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ২০১০-এর দশকের সূচনালগ্নে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ২৫০তম খেলোয়াড় হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড ও ক্যান্টারবারি দলের প্রতিনিধিত্ব করেন রিস ইয়ং। দলে তিনি মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলেছেন। এছাড়াও, ডানহাতে মাঝারিসারির ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

আগস্ট, ২০০৮ সালে নিউজিল্যান্ড এ দলের সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়া ও ভারত গমনের জন্যে মনোনীত হন। ২১ জানুয়ারি, ২০০৯ তারিখে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের বিপক্ষে অকল্যান্ডের সদস্যরূপে নিজস্ব প্রথম একদিনের ক্রিকেটে ১০৯ রানের মনোজ্ঞ শতরান করেন।

নিউজিল্যান্ড দলের পক্ষে খেলার আমন্ত্রণ পাবার পূর্বে কিছুকালের জন্যে যুক্তরাজ্যে পেশাদারী পর্যায়ে খেলেছেন। স্যাডলওয়ার্থ ও জেলা ক্রিকেট লীগে হেসাইড ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে খেলেন। এ দলে নিজেকে তুখোড় ব্যাটসম্যান ও চমৎকার উইকেট-রক্ষক হিসেবে পরিচিত করতে তুলতে সচেষ্ট হন। প্রথম একাদশে খেলার পাশাপাশি অনূর্ধ্ব-১৭, অনূর্ধ্ব-১৫, অনূর্ধ্ব-১৩, অনূর্ধ্ব-১১ ও অনূর্ধ্ব-৯ দলকে প্রশিক্ষণ দিতেন। এছাড়াও, তরুণ উইকেট-রক্ষকদের সাথে নিজেকে দক্ষ করতে তুলতেন। এ সময়ে সেখানে তিনি ক্লাবের অমূল্য সম্পদক ছিলেন।

১৯৯৮-৯৯ মৌসুম থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত রিস ইয়ংয়ের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ২০০০-০১ মৌসুমে প্রথমবারের মতো ব্যাটিংয়ের গুরুত্বতা তুলে ধরেন। সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টসের বিপক্ষে শতরান করেন। তবে, নিজস্ব দ্বিতীয় শতরানের জন্যে ২০০৮-০৯ মৌসুম পর্যন্ত অপেক্ষার প্রহর গুণতে হয়েছিল। ২০০৮-০৯ মৌসুমে বেশ সুন্দর ক্রীড়ানৈপুণ্য প্রদর্শন করেন। ৫০.৬৩ গড়ে ৫৫৭ রান তুলে অকল্যান্ডের শীর্ষস্থানীয় ব্যাটসম্যানের পরিণত হন। এছাড়াও, ২০১০-১১ ও ২০১১-১২ মৌসুমে ক্যান্টারবারির পক্ষে দুইটি মৌসুম অতিবাহিত করেন। এরপর, পুনরায় অকল্যান্ডে ফিরে আসেন।

এক দশক অকল্যান্ডের পক্ষে ঘরোয়া ক্রিকেটে অংশ নেয়ার পর জাতীয় দল নির্বাচকমণ্ডলীর দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হন। নিউজিল্যান্ড এ দলের সাথে দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের কারণে ব্রেন্ডন ম্যাককুলামের সহকারী হিসেবে মনোনীত হন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে পাঁচটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন রিস ইয়ং। ৭ জানুয়ারি, ২০১১ তারিখে হ্যামিল্টনে সফরকারী পাকিস্তান দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ৯ ডিসেম্বর, ২০১১ তারিখে হোবার্টে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি। তাকে কোন ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেয়া হয়নি।

২১ আগস্ট, ২০০৯ তারিখে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট খেলায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে তাকে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের সদস্য করা হয়। এ পর্যায়ে নিয়মিত উইকেট-রক্ষক ব্রেন্ডন ম্যাককুলাম ও বিকল্প উইকেট-রক্ষক জেসি রাইডার - উভয়েই পেটের সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে পড়েছিলেন। জানুয়ারি, ২০১১ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে নিজস্ব প্রথম টেস্টে অংশ নেন। এরফলে, নিজস্ব শততম প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় অংশ নেন তিনি। হোবার্টে সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের শেষ টেস্টে অংশ নেন। জুলাই, ২০১৩ সালে ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Players and Officials - Reece Young"ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০১১ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]