বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি
সংক্ষেপেবিজিএমইএ
গঠিত১৯৭৭
ধরনবাণিজ্যিক সমিতি
সদরদপ্তরঢাকা
যে অঞ্চলে কাজ করে
বাংলাদেশ
দাপ্তরিক ভাষা
বাংলা, ইংরেজি
প্রেসিডেন্ট
রুবানা হক
অনুমোদন
ওয়েবসাইটbgmea.com.bd

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের প্রতিনিধিত্বকারী জাতীয় বণিক সমিতি। এটি দুই বছর মেয়াদে নির্বাচিত ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালক পর্ষদের দ্বারা পরিচালিত হয়। যেখানে একজন সভাপতি ও ৭ জন সহ-সভাপতি থাকে।[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

এই সমিতি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১২ জন সদস্য নিয়ে এটি যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৪৫০০।[১]

কার্যক্রম[সম্পাদনা]

বিজিএমইএ বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বাংলাদেশ বা বিদেশে অনুষ্ঠিত বস্ত্রমেলায় এর সদস্যদের অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা, বিদেশি ক্রেতা, ব্যবসায়ী সমিতি ও চেম্বারের সাথে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা, তৈরি পোশাক শিল্প সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে তা এর সদস্য, বস্ত্র ক্রেতা ও অন্যান্য ব্যবহারকারীদেরকে সরবরাহ করা। এছাড়াও বিজিএমইএ পোশাক কারখানায় অগ্নি-দুর্ঘটনা এড়ানোর লক্ষ্যে নিরাপত্তা সম্পর্কিত ব্যবস্থা গ্রহণে এর সদস্যদের সহায়তা করে।[২]

বাংলাদেশে তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য দক্ষ কর্মী গড়ে তুলতে বিজিএমইএ ১৯৯৯ সালে বিজিএমইএ ইনস্টিটিউট অফ ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি নামে একটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করে। যা ২০০১ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয়।[৩] এর বর্তমান সভাপতি হলেন রুবানা হক[৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "BGMEA at a Glance" 
  2. হোসেন, আবুল (৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩)। "অগ্নি-নিরাপত্তা জোরদারে পোশাক শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। সংগ্রহের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  3. "বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন"। 
  4. "বিজিএমইএ সভাপতি অসুস্থ"কালের কণ্ঠ। ১০ আগস্ট ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]