সুলতান বিন আবদুল আজিজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সুলতান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ
سلطان بن عبد العزيز آل سعود
সৌদি আরবের যুবরাজ
Prince Sultan.jpg
সুলতান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ
সৌদি আরবের যুবরাজ
প্রথম উপপ্রধানমন্ত্রী
দপ্তরকাল১ আগস্ট ২০০৫ - ২২ অক্টোবর ২০১১
পূর্বসূরিআবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ
উত্তরসূরিনায়েফ বিন আবদুল আজিজ
বাদশাহআবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ
দ্বিতীয় উপপ্রধানমন্ত্রী
দপ্তরকাল১৩ জুন ১৯৮২ - ১ আগস্ট ২০০৫
পূর্বসূরিআবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ
উত্তরসূরিনায়েফ বিন আবদুল আজিজ
বাদশাহফাহাদ বিন আবদুল আজিজ
প্রতিরক্ষা ও বিমান মন্ত্রী এবং মহাপরিচালক
দপ্তরকাল২২ অক্টোবর ১৯৬৩ – ২২ অক্টোবর ২০১১
পূর্বসূরিমুহাম্মদ বিন সৌদ
উত্তরসূরিসালমান বিন আবদুল আজিজ
বাদশাহ
Prince of Riyadh Province
দপ্তরকাল২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৭ - ২৪ ডিসেম্বর ১৯৫৩
পূর্বসূরিনাসের বিন আবদুল আজিজ
উত্তরসূরিনায়েফ বিন আবদুল আজিজ
বাদশাহআবদুল আজিজ ইবনে সৌদ
সৌদ বিন আবদুল আজিজ
জন্ম১৯২৫
রিয়াদ, নজদ ও হেজাজ রাজতন্ত্র
মৃত্যু২২ অক্টোবর ২০১১
নিউ ইয়র্ক সিটি, নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
সমাধি২৫ অক্টোবর ২০১১
আল আউদ কবরস্থান, রিয়াদ
পূর্ণ নাম
সুলতান বিন আবদুল আজিজ বিন আবদুর রহমান বিন ফয়সাল বিন তুর্কি বিন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন সৌদ
রাজবংশআল সৌদ
পিতাআবদুল আজিজ ইবনে সৌদ
মাতাহাসা বিনতে আহমেদ আল সুদাইরি
ধর্মইসলাম (সুন্নি)

সুলতান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ (১৯২৫ - ২২ অক্টোবর ২০১১) (আরবি: سلطان بن عبدالعزيز آل سعود‎‎) (সুলতান আল-খাইর (আরবি: سلطان الخير‎‎, উত্তমের সুলতান নামেও পরিচিত) ছিলেন সৌদি আরবের যুবরাজ।[১] তিনি ২০০৫ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত যুবরাজ পদে ছিলেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

সুলতান ১৯২৫ সালে রিয়াদে জন্মগ্রহণ করেন।[২] তিনি বাদশাহ আবদুল আজিজের ১২তম পুত্র।[৩] তার মা হাসা বিনতে আহমেদ আল সুদাইরি[৪] সুদাইরি ভ্রাতৃবৃন্দের মধ্যে তিনি দ্বিতীয় ছিলেন।[৫][৬] অন্যান্য ভাইদের মত তিনিও রাজ দরবারের বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষালাভ করেছেন।[২][৬]

সরকারি দায়িত্ব[সম্পাদনা]

১৯৪০ সালে তাকে রিয়াদের গভর্নর নাসের বিন আবদুল আজিজের ডেপুটি নিয়োগ দেয়া হয়।[৬] ১৯৪৭ সালে তিনি নাসেরের স্থলে গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পান।[৭][৮][৯] এসময় জাতীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে তিনি বাদশাহ আবদুল আজিজকে সহায়তা করেছেন।[৭] ১৯৪৭ সালে তিনি দাম্মাম থেকে রিয়াদ পর্যন্ত আরামকোর রেলপথ নির্মাণ কাজের তদারক করেছেন। ১৯৫৩ সালে তিনি দেশের প্রথম কৃষ্টিমন্ত্রী হন।[৭] ১৯৫৫ সালে তিনি যোগাযোগমন্ত্রী হন।[১০]

প্রতিরক্ষা ও বিমান মন্ত্রী[সম্পাদনা]

১৯৬৩ সালে ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ তাকে প্রতিরক্ষা ও বিমান মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন।[৮][১১] তিনি সৌদি সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন। বাদশাহ ফয়সালের শাসনামলে সুলতান ইয়েমেন নিয়ে আগ্রহী ছিলেন।[১২] বাদশাহ খালিদের শাসনামলে তার প্রভাব হ্রাস পায়।[১২] তার সময়ে সৌদি আরব ছিল মার্কিন অস্ত্রের সর্ববৃহৎ আমদানিকারক। মার্কিন-সৌদি মিত্রতার তিনি অন্যতম শক্ত সমর্থক ছিলেন।[১৩]

১৯৬৫ সালে তিনি ব্রিটিশ এয়ারক্রাফট কর্পোরেশনের সাথে চুক্তি করেন। তিনি ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধের একজন বিশেষজ্ঞ ছিলেন।[১৪] ১৯৯৯ সালে তিনি ইরান সফর করেছেন। এটি ছিল ১৯৭৯ সালের পর কোনো সৌদি মন্ত্রী ইরানে রাষ্ট্রীয় সফর।[১৫]

দ্বিতীয় উপপ্রধানমন্ত্রী[সম্পাদনা]

১৯৮২ সালের ১৩ জুন বাদশাহ খালিদের মৃত্যুর পর ফাহাদ বাদশাহ হন এবং সুলতানকে দ্বিতীয় উপপ্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করা হয়।[৮][১৬] তবে তার দুই সৎ ভাই মুসাইদ বিন আবদুল আজিজ ও বন্দর বিন আবদুল আজিজ এতে বিরোধিতা করেছিলেন। পরবর্তীতে এই বিরোধ নিরসন হয়।[১৭]

১৯৯৫ সালে তৎকালীন যুবরাজ আবদুল্লাহর ওমান সফরকালে সুলতান ক্ষমতা নিতে চেষ্টা করেন।[১৮] তবে এই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।[১৮]

যুবরাজ[সম্পাদনা]

২০০৫ সালের ১ আগস্ট সুলতান বিন আবদুল আজিজ যুবরাজ হিসেবে নিয়োগ পান।[১৯] বাদশাহ ফাহাদের মৃত্যুর ফলে এসময় তিনি সুদাইরি ভ্রাতৃবৃন্দের প্রধান ছিলেন।[২০]

অন্যান্য দায়িত্ব[সম্পাদনা]

সুলতান সৌদি আরবের মহাপরিদর্শক হিসেবে দায়িত্বপালন করেছেন। তিনি সৌদি বিমান সংস্থার বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। চেয়ারম্যানের পদে থাকাকালে তিনি সৌদি বিমানবন্দরে ধূমপান নিষিদ্ধ করেছিলেন।[২১] ১৯৮৬ সালে তিনি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য সৌদি জাতীয় কমিশন গঠন করেছেন।[২২] তিনি ইসলামি বিষয়ের উচ্চতর কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবেও কাজ করেছেন। এই কাউন্সিল পৃথিবীর বিভিন্ন মুসলিম সম্প্রদায়কে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে।[৮][২৩]

শিক্ষায় ভূমিকা[সম্পাদনা]

তিনি প্রিন্স সুলতান বিন আবদুল আজিজ ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ফর ওয়াটারের প্রতিষ্ঠাতা। ২০০২ সালে এটি চালু হয়।[২৪][২৫] বাদশাহ ফাহাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে তার নামে পরিবেশ প্রকৌশলের চেয়ার রয়েছে। তার সাথে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা সংক্রান্ত চুক্তির ফলে সৌদি শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন মানবিক বিজ্ঞানের উপর ব্যাচেলর, মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ে পড়ার সুযোগ পায়।[২৬]

দাতব্য কর্ম[সম্পাদনা]

১৯৯৫ সালে তিনি দাতব্য সংস্থা সুলতান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ ফাউন্ডেশন স্থাপন করেন। এই ফাউন্ডেশন বিভিন্ন দেশে কেন্দ্র স্থাপন করেছে।[২৬]

বিতর্ক[সম্পাদনা]

২০০২ সালে ১১ সেপ্টেম্বরের হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবার আদালতে সুলতানসহ বিভিন্ন উচ্চপদস্থ সৌদি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আলকায়েদাকে সহায়তার অভিযোগ করে।[২৭] তবে প্রয়োজনীয় প্রমাণের অভাবে মার্কিন ফেডারেল আদালতের বিচারক মামলা খারিজ করে দেন।[২৭]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

সুলতান একাধিকবার বিয়ে করেছেন। তার বত্রিশজন সন্তান রয়েছে। তার ছেলেরা বিভিন্ন সরকারি দায়িত্ব পালন করেছেন। তার জ্যেষ্ঠ পুত্র খালিদ বিন সুলতান তার মৃত্যুর পর উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী হন এবং ২০১৩ সালের ২০ এপ্রিল পর্যন্ত দায়িত্বপালন করেন।[২৮] বন্দর বিন সুলতান ২০০৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের মহাসচিব ছিলেন। এছাড়াও তিনি গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক প্রধান ছিলেন। ফাহাদ বিন সুলতান তাবুক প্রদেশের গভর্নরের দায়িত্বপালন করেছেন। সালমান বিন সুলতান সাবেক উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন।[২৯]

সুলতানের অন্যতম কন্যা রিমা বর্তমান যুবরাজ মুহাম্মদ বিন নায়েফের স্ত্রী।[৩০]

অসুস্থতা[সম্পাদনা]

২০০৪ সালে সুলতানের কোলন ক্যান্সার ধরা পড়ে। ২০০৯ সালে তিনি আলঝেইমারে আক্রান্ত হন।[৩১][৩২]

মৃত্যু[সম্পাদনা]

২০১১ সালের ২২ অক্টোবর সুলতান বিন আবদুল আজিজ নিউ ইয়র্কের নিউ ইয়র্ক-প্রেসবাইটেরিয়ান হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।[৩৩][৩৪][৩৫]

২৪ অক্টোবর তার লাশ নিউ ইয়র্ক থেকে রিয়াদ আনা হয়।[৩৬] ২৫ অক্টোবর রিয়াদের ইমাম তুর্কি বিন আবদুল্লাহ মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।[৩৭] রিয়াদের আল আউদ কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।[৩৮] তার জানাজায় বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।[৩৬]

সম্মাননা[সম্পাদনা]

সুলতান নিম্নোক্ত সম্মাননা ও পদক লাভ করেছেন:

২০১১ সালে তাকে মরণোত্তর বাদশাহ খালিদ পুরষ্কার দেয়া হয়।[৪০]

বংশলতিকা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "The Dream of Gerontocracy"The Weekly Middle East Reporter। ২৯ অক্টোবর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০১৩ 
  2. Sultan bin Salman Al Saud (মার্চ ২০০১)। "Supporting Peace, Justice and Equality"Presidents and Prime Ministers10 (2): 16। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০১৩   – via Questia (সদস্যতা প্রয়োজনীয়)
  3. Mouline, Nabil (এপ্রিল–জুন ২০১২)। "Power and generational transition in Saudi Arabia" (PDF)Critique internationale46: 1–22। সংগ্রহের তারিখ ২৪ এপ্রিল ২০১২ 
  4. Winberg Chai (২২ সেপ্টেম্বর ২০০৫)। Saudi Arabia: A Modern Reader। University Press। পৃষ্ঠা 193। আইএসবিএন 978-0-88093-859-4। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  5. Shenk, Mark (১ আগস্ট ২০০৫)। "Oil Surges to Record as King Fahd's Death Raises Supply Concern"Bloomberg। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০১৩ 
  6. "The Political Leadership - King Fahd"APS Review Gas Market Trends। ২৯ নভেম্বর ১৯৯৯। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মার্চ ২০১৩ 
  7. "Saudi heir to throne dies in hospital"CBC। AP। ২২ অক্টোবর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০১২ 
  8. "Profile: Saudi Prince Sultan"BBC। ১ আগস্ট ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  9. George Kheirallah (১৯৫২)। Arabia Reborn। Albuquerque: University of New Mexico Press। পৃষ্ঠা 254। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মার্চ ২০১৫  – via Questia (সদস্যতা প্রয়োজনীয়)
  10. Glen Carey; Vivian Salama (১ নভেম্বর ২০১১)। "Crown Prince Sultan's Death Starts Plan for Saudi Succession"Bloomberg Businessweek। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০১২ 
  11. "Veteran Saudi defence minister becomes heir to throne"Lebanonwire। Riyadh। ১ আগস্ট ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  12. P. Edward Haley; Lewis W. Snider; M. Graeme Bannerman (১৯৭৯)। Lebanon in Crisis: Participants and Issues। Syracuse University Press। পৃষ্ঠা 9। আইএসবিএন 978-0-8156-2210-9। সংগ্রহের তারিখ ১৬ অক্টোবর ২০১২ 
  13. Nawaf Obaid (১২ আগস্ট ২০০২)। "Backlash in Saudi Arabia"The Christian Science Monitor। সংগ্রহের তারিখ ৯ ডিসেম্বর ২০১০ 
  14. "Briefing for the Prime Minister's meeting with Prince Sultan" (PDF)The Guardian। London। ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৮৫। ১১ জানুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ ডিসেম্বর ২০১০ 
  15. Anthony H. Cordesman (১ এপ্রিল ২০০৩)। Saudi Arabia Enters the Twenty-First Century: The Political, Foreign Policy, Economic, and Energy Dimensions। Greenwood Publishing Group। পৃষ্ঠা 5। আইএসবিএন 978-0-275-97998-0। সংগ্রহের তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ 
  16. "Crown Prince Fahd takes control of largest oil-exporting nation"Herald Journal। ১৪ জুন ১৯৮২। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুলাই ২০১২ 
  17. Simon Henderson (আগস্ট ২০০৯)। "After King Abdullah. Succession in Saudi Arabia" (PDF)Policy Focus96 
  18. Paul Michael Wihbey (জুলাই ১৯৯৭)। "Succession in Saudi Arabia: The not so Silent Struggle"IASPS Research Papers in Strategy (4)। 
  19. Leyne, Jon. Tensions remain among Saudi royals, BBC News, 1 August 2005. Retrieved 7 December 2008.
  20. William Safire (১২ সেপ্টেম্বর ২০০২)। "The Split in the Saudi Royal Family"The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০১৩ 
  21. Fatima Sidiya (১৯ অক্টোবর ২০১০)। "Kingdom bans smoking at airports"Arab News। ২০ অক্টোবর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ ডিসেম্বর ২০১০ 
  22. Butt, Gerald (৩ জুন ২০০৪)। "Profile: Saudi Prince Sultan"BBC। সংগ্রহের তারিখ ৯ ডিসেম্বর ২০১০ 
  23. "Who's who: Senior Saudis"BBC। ৩০ অক্টোবর ২০০৭। সংগ্রহের তারিখ ২৭ এপ্রিল ২০১২ 
  24. "About the Prize"। PSIPW। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০০৮ 
  25. "HRH Prince Sultan: Environmentalist and Art Patron"Oasis Magazine। Winter ২০০৯–২০১০। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০১৩ 
  26. "Biography. Prince Sultan bin Abdulaziz bin Abdulrahman bin Faisal Al Saud"iTTaleem। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০১২ 
  27. "Veteran Saudi defence minister becomes heir to throne"Lebanonwire। Riyadh। AFP। ১ আগস্ট ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০১৩ 
  28. "Saudi deputy defence minister Prince Khalid Bin Sultan replaced"Gulf News। Reuters। ২০ এপ্রিল ২০১৩। ২৪ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ এপ্রিল ২০১৩ 
  29. "Son of former Saudi crown prince named deputy defence minister"Reuters। ৬ আগস্ট ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০১৩ 
  30. "Time, surely, for a much younger one"The Economist। ২৯ অক্টোবর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০১২ 
  31. "Crown Prince Sultan Suffers from Alzheimers"Arabia Today। ১ ফেব্রুয়ারি ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১১ 
  32. "The royal house is rattled too"The Economist। ৩ মার্চ ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১১ 
  33. "Prince Sultan bin Abdel Aziz of Saudi Arabia Dies"The New York Times। New York। আইএসএসএন 0362-4331। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০১২ 
  34. "Saudi Arabia's Crown Prince Sultan bin Abdulaziz Al Saud Dies"Fox News। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০১২ 
  35. MacFarquhar, Neil (২২ অক্টোবর ২০১১)। "Prince Sultan bin Abdulaziz of Saudi Arabia Dies"The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০১১ 
  36. "Funeral held for Crown Prince Sultan"BBC। ২৫ অক্টোবর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০১২ 
  37. McDowall, Angus (২২ অক্টোবর ২০১১)। "Saudi Crown Prince dies: royal court"Reuters। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০১১ 
  38. Shaheen, Abdul Nabi (২৩ অক্টোবর ২০১১)। "Sultan will have simple burial at Al Oud cemetery"Gulf News। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০১২ 
  39. Quirinale website
  40. "Head of King Khalid Award announces names of winners"Ain Alyaqeen। ২৫ নভেম্বর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুলাই ২০১৩ 
  41. "Semakan Penerima Darjah Kebesaran, Bintang dan Pingat Persekutuan." 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

Saudi Arabian royalty
পূর্বসূরী
আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ
সৌদি আরবের যুবরাজ
১ আগস্ট ২০০৫ - ২২ অক্টোবর ২০১১
উত্তরসূরী
নায়েফ বিন আবদুল আজিজ
রাজনৈতিক দপ্তর
পূর্বসূরী
নাসের বিন আবদুল্ল আজিজ
রিয়াদের গভর্নর
১৯৪৭–১৯৫২
উত্তরসূরী
নায়েফ বিন আবদুল আজিজ
পূর্বসূরী
আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ
দ্বিতীয় উপপ্রধানমন্ত্রী
১৯৮২ - ২৭ মার্চ ২০০৯
উত্তরসূরী
নায়েফ বিন আবদুল আজিজ
পূর্বসূরী
আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ
প্রথম উপপ্রধানমন্ত্রী
১ আগস্ট ২০০৫ - ২২ অক্টোবর ২০১১
উত্তরসূরী
নায়েফ বিন আবদুল আজিজ