ভূপেন হাজারিকা সেতু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ভূপেন হাজারিকা সেতু
SMOOTHEST CURVE IN VIADUCTS MADE THROUGH SEGMENTS.JPG
ভূপেন হাজারিকা সেতুর অংশ
স্থানাঙ্ক২৭°৪৭′৫৫″ উত্তর ৯৫°৪০′৩৪″ পূর্ব / ২৭.৭৯৮৬১° উত্তর ৯৫.৬৭৬১১° পূর্ব / 27.79861; 95.67611স্থানাঙ্ক: ২৭°৪৭′৫৫″ উত্তর ৯৫°৪০′৩৪″ পূর্ব / ২৭.৭৯৮৬১° উত্তর ৯৫.৬৭৬১১° পূর্ব / 27.79861; 95.67611
অতিক্রম করেলোহিত নদী
স্থানঢোলা-সাদিয়া, তিনসুকিয়া, ভারত
অফিসিয়াল নামভূপেন হাজারিকা সেতু
রক্ষণাবেক্ষকMinistry of Road Transport and Highways in public private partnership (PPP) with Navayuga Engineering Company Ltd.
বৈশিষ্ট্য
উপাদানইস্পাত, কংক্রিট
মোট দৈর্ঘ্য৯.১৫ কিমি (৫.৬৯ মা)
প্রস্থ১২.৯ মি (৪২ ফু)
স্প্যানের সংখ্যা১৮৩
ইতিহাস
নির্মাণ শুরু২০১১
নির্মাণ শেষ২০১৭
চালু২৬/০৫/২০১৭ (প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেতুর উদ্ভোদন করেন)

ভূপেন হাজারিকা সেতু বা ঢোলা-সাদিয়া সেতু হল পূর্ব ভারতের অসম রাজ্যে লোহিত নদীর উপর নির্মিত একটি সেতু। এটি ভারত তথা দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম সড়ক সেতুর।[১][২][৩] ঢোলা থেকে সাদিয়া, ৯ কিলোমিটারের বেশি দৈর্ঘ্য জুড়ে ব্রহ্মপুত্রের উপনদী লোহিত নদী নদীর উপরে তৈরি হয়েছে ভূপেন হাজারিকা সেতু। এই সেতু প্রতিবেশী দুই রাজ্য অসম আর অরুণাচল প্রদেশকে যুক্ত করেছে।

অসমের রাজধানী গুয়াহাটি থেকে সাদিয়ার দূরত্ব ৫৪০ কিলোমিটার অন্য দিকে, অরুণাচলের রাজধানী ইটানগর থেকে ঢোলার দূরত্ব ৩০০ কিলোমিটার.এই সেতুর সুবাদে দুই রাজ্যের মধ্যে সড়কপথের যাতায়াত আরও সহজ হয়েছে। অরুণাচলে কোনও বিমানবন্দর নেই। ফলে সড়কপথই ভরসা। এই সেতু চালু হয়েছে বলে অসম থেকে অরুণাচল পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া যাবে মাত্র চার ঘণ্টাতেই। মুম্বইয়ের বিখ্যাত বান্দ্রা-ওরলি সি লিঙ্ক সেতুর থেকে ৩০ শতাংশ বেশি দীর্ঘ এই সেটি। এই সেতুটি নির্মান করেছে মুম্বইয়ের বিখ্যাত বান্দ্রা-ওরলি সি লিঙ্ক সেতুর প্রায় ৩.৫৫ কিলোমিটার বেশি দীর্ঘ।।[৪]

২০১১ সালে শুরু হয়েছিল এই সেতু তৈরির কাজ। খরচ হয়েছে ৯৫০ কোটি রুপি। শুধু সাধারণ মানুষই নয়, সেনাবাহিনীর কাছেও এই সেতুর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অরুণাচলের উত্তর দিকে রয়েছে চিন সীমান্ত। ফলে এই অঞ্চল থেকে দেশের মূলভাগের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে ঢোলা-সাদিয়া সেতু। সাঁজোয়া গাড়ি যাতায়াতের পরিকাঠামোও রয়েছে এই সেতুতে। ঢোলা-সাদিয়া সেতুর যোগাযোগ ব্যবস্থার আরও উন্নতির জন্য ২০১৫ সালে ১৫,০০০ কোটি টাকার একটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার।

নির্মান[সম্পাদনা]

নবযুগ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি এন্ড লিমিটেড নামের এক সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ২০১১ সাল থেকে লোহিত নদের উপর তৈরি হচ্ছে এই সেতুটি। প্রায় ৯৩৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সেতুটি ২০১৭ সালের মাঝামাঝি করেই আত্মপ্রকাশ করবে বলে আশাবাদী কর্তৃপক্ষ।

বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

  • দৈর্ঘ্য: ৯.১৫ কিলোমিটার (৫.৬৯ মা)
  • প্রস্থ: ১২ মিটার (৩৯ ফু)
  • স্প্যান সংখ্যা: ১৮৩

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]