ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়
| ধরন | সরকারি, ফ্ল্যাগশিপ |
|---|---|
| স্থাপিত | ১৮১৯ |
প্রাতিষ্ঠানিক অধিভুক্তি | এএইউ এপিএলইউ ওআরএইউ ইউআরএ এসইউআরএ |
| বৃত্তিদান | $৮.৬২১ বিলিয়ন (অক্টোবর ২০১৭)[১] |
| বাজেট | $১.৩৯ বিলিয়ন[২] |
| সভাপতি | টেরেসা এ. সুলিভান |
শিক্ষায়তনিক ব্যক্তিবর্গ | ২,১০২ |
| শিক্ষার্থী | ২২,৩৯১[২] |
| স্নাতক | ১৫,৮৯১[২] |
| স্নাতকোত্তর | ৬,৫০০[২] |
| অবস্থান | , , |
| শিক্ষাঙ্গন | ছোট শহর (পল্লী অঞ্চল/উপশহর) ১,৬৮২ একর (৬.৮১ বর্গকিলোমিটার) বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান |
| পোশাকের রঙ | কমলা ও নীল[৩] |
| সংক্ষিপ্ত নাম | শ্যাভালিয়ার ওয়াহুস |
ক্রীড়ার অধিভুক্তি | এনসিএএ প্রথম বিভাগ – এসিসি |
| মাসকট | শ্যাভালিয়ার |
| ওয়েবসাইট | www |
অবৈধ উপাধি | |
| প্রাতিষ্ঠানিক নাম | শার্লটসভিলা মন্টিসেলো ও ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় |
| ধরন | সাংস্কৃতিক |
| মানদণ্ড | ১, ৪, ৬ |
| মনোনীত | ১৯৮৭ (১১তম মৌসুম) |
| সূত্র নং | 442 |
| আঞ্চলিক | ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকা |
![]() | |
ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইংরেজি: University of Virginia) হল কমনওয়েলথ অব ভার্জিনিয়ার একটি সরকারি গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়। এটি শুধুমাত্র ভার্জিনিয়া নামেও পরিচিত ১৮১৯ সালে টমাস জেফারসনের ঘোষণা অনুসারে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়।
ইউনেস্কো ১৯৮৭ সালে ভার্জিনিয়াকে আমেরিকার প্রথম কলেজিয়েট বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের স্বীকৃতি প্রদান করে।[৪] এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল গভর্নিং বডিতে ছিলেন জেফারসন, জেমস ম্যাডিসন ও জেমস মন্রো। এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় মনরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। পূর্বতন রাষ্ট্রপতি জেফারসন ও ম্যাডিসন ছিলেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দুই রেক্টর, এবং জেফারসন নিজে অধ্যয়নের মূল পাঠক্রম নকশা করেন।
১৯০৪ সাল থেকে ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় সংঘের প্রথম গবেষণালব্ধ নির্বাচিত সদস্য এবং ভার্জিনিয়ার একমাত্র আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় সংঘের সদস্য ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়টি কার্নেগি ফাউন্ডেশন কর্তৃক গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে অতি উচ্চ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে শ্রেণিভুক্ত, এবং কলেজ বোর্ড কর্তৃক ভার্জিনিয়ার ফ্ল্যাগশিপ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বিবেচিত।[৫][৬][৭] বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক মাধ্যম, যেমন সায়েন্স সাময়িকী, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কাজগুলোর স্বীকৃতি দিয়েছে এবং ২০১৫ সালের বৈশ্বিক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের সেরা দশটির দুটি ছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদদের। ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ও শিক্ষার্থীরা অনেক কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে। উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হল রেডিট, যাদের বার্ষিক আয় $১.৬ ট্রিলিয়ন এবং এটি বিশ্বের ১০ম বৃহত্তম অর্থনীতির সমতুল্য।[৮][৯]
ভার্জিনিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি স্নাতক ও তিনটি পেশাদারী স্কুলে ১২১টি বিভাগ রয়েছে।[১০] শিক্ষার্থীরা ৫০টি রাজ্য ও ১৪৮টি দেশ থেকে শার্লটসভিলার এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করতে আসেন।[১১][১২][১৩]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "University of Virginia Investment Management Company 2016-2017 Annual Report" (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। University of Virginia Investment Management Company। ২০১৭। মার্চ ২৮, ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ২, ২০১৮।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - 1 2 3 4 "Facts & Figures | The University of Virginia" (ইংরেজি ভাষায়)। Virginia.edu। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১৮।
- ↑ "Colors | University of Virginia" (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ অক্টোবর ২০১৭। ২২ জুন ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১৮।
- ↑ UNESCO World Heritage Centre। "UNESCO World Heritage Centre - World Heritage List" (ইংরেজি ভাষায়)। ইউনেস্কো। নভেম্বর ১, ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ২, ২০১৮।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; "WPpriv" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ "Tuition and Fees at Flagship Universities over Time - Trends in Higher Education - The College Board" (ইংরেজি ভাষায়)। Trends.collegeboard.org। অক্টোবর ১৯, ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ২, ২০১৮।
- ↑ "Archived copy" (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৩ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ২, ২০১৮।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: শিরোনাম হিসাবে আর্কাইভকৃত অনুলিপি (লিঙ্ক) - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; "alumni-study" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ "GDP and its breakdown at current prices in US Dollars" (ইংরেজি ভাষায়)। United Nations Statistics Division। ডিসেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১৮।
- ↑ "Departments and Schools of UVA" (ইংরেজি ভাষায়)। Virginia.edu। ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১৮।
- ↑ "Global The University of Virginia" (ইংরেজি ভাষায়)। এপ্রিল ২৩, ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ২, ২০১৮।
- ↑ "Financing the University 101"। Virginia.edu। ১৮ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; "CavAdmissionsHandbook" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
গ্রন্থপঞ্জী
[সম্পাদনা]- Abernethy, Thomas Perkins (১৯৪৮)। Historical Sketch of the University of Virginia (ইংরেজি ভাষায়)। Richmond: Dietz Press।
- Addis, Cameron (২০০৩)। Jefferson's Vision for Education, 1760–1845 (ইংরেজি ভাষায়)। New York: Peter Lang Publishing। আইএসবিএন ০-৮২০৪-৫৭৫৫-৮।
- Barker, David Michael (২০০০)। Thomas Jefferson and the Founding of the University of Virginia (Ph.D.) (ইংরেজি ভাষায়)। University of Illinois।
- Boyle, Sarah Patton (1962). The Desegregated Heart: A Virginian's Stand in a Time of Transition. New York: William Morrow & Company.
- Bruce, Philip Alexander (১৯২০–২২)। History of the University of Virginia, 1819–1919: The Lengthening Shadow of One Man (ইংরেজি ভাষায়) (five vol. সংস্করণ)। New York: Macmillan।
- Dabney, Virginius (১৯৮১)। Mr. Jefferson's University: A History (ইংরেজি ভাষায়)। Charlottesville: University of Virginia Press। আইএসবিএন ০-৮১৩৯-০৯০৪-X।
- Hein, David (২০০১)। Noble Powell and the Episcopal Establishment in the Twentieth Century (ইংরেজি ভাষায়)। Urbana, Illinois: University of Illinois Press। আইএসবিএন ০-২৫২-০২৬৪৩-৮। Chapter two covers student and faculty life at the University of Virginia in the 1920s, when Powell was de facto chaplain to the University.
- Hitchcock, Susan Tyler (১৯৯৯)। The University of Virginia: A Pictorial History (ইংরেজি ভাষায়)। Charlottesville: University of Virginia Press। আইএসবিএন ০-৮১৩৯-১৯০২-৯।
- Mapp, Alf J. (১৯৯১)। Thomas Jefferson: Passionate Pilgrim (ইংরেজি ভাষায়)। Lanham, MD: Madison Books। আইএসবিএন ০-৮১৯১-৮০৫৩-X।
- Waggoner, Jennings L. (২০০৪)। Jefferson and Education (ইংরেজি ভাষায়)। Chapel Hill, NC: University of North Carolina Press। আইএসবিএন ১-৮৮২৮৮৬-২৪-০।
